
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় মানবিক পরিস্থিতির উন্নতি করতে ইসরায়েল সরকারকে ৩০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। তাদের কথা মতো এমনটা না করা হলে ইসরায়েলকে দেয়া মার্কিন সরকারের কিছু সামরিক সহযোগিতায় কাটছাঁট করা হবে বলেও সতর্ক করে দিয়েছে ওয়াশিংটন। খবর বিবিসির।
গত রোববার (১৩ অক্টোবর) ইসরায়েলকে এমন হুমকি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে ওই চিঠির খবর প্রকাশ করে বিবিসি। তবে দুই দেশের সরকার বিষয়টি নিয়ে একেবারে চুপ-চাপ ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে পাঠানো চিঠিটি এখন পর্যন্ত তার মিত্র ইসরায়েলেকে দেয়া সবচেয়ে শক্তিশালী লিখিত সতর্কবার্তা। এ ছাড়া উত্তর গাজায় ইসরায়েলের একটি নতুন আক্রমণের সময় এই চিঠি দেয়া হলো। সেখানে নতুন ইসরায়েলি হামলায় বিপুল সংখ্যক বেসামরিক নাগরিক হতাহতের খবর আসছে।
কিন্তু গণমাধ্যমের খবর প্রকাশিত হওয়ায় অবশেষে চিঠির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার। জানান, গোপন কূটনৈতিক মাধ্যমে এ চিঠি দেয়া হয়েছে। মার্কিন প্রশাসন চায়নি চিঠির বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাক। এখন যেহেতু সংবাদমাধ্যমে চিঠির প্রসঙ্গ চলে এসেছে, তিনি (মিলার) এটা নিশ্চিত করতে পেরে খুশি।
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র আরও জানান, গাজায় এখন যে পরিমাণে মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে, সেটা ‘খুবই কম’। এর আগেও এ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন প্রশাসন বলার পর প্রবেশাধিকার বাড়ানো হয়েছিল।
মার্কিন সরকারের দেয়া চিঠিটি এখন পর্যালোচনা করে দেখছে ইসরায়েল। একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেছেন, তার দেশ এই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে। মার্কিন সরকারের উত্থাপিত উদ্বেগের সমাধান করতে চায়।

গাজায় মানবিক পরিস্থিতির উন্নতি করতে ইসরায়েল সরকারকে ৩০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। তাদের কথা মতো এমনটা না করা হলে ইসরায়েলকে দেয়া মার্কিন সরকারের কিছু সামরিক সহযোগিতায় কাটছাঁট করা হবে বলেও সতর্ক করে দিয়েছে ওয়াশিংটন। খবর বিবিসির।
গত রোববার (১৩ অক্টোবর) ইসরায়েলকে এমন হুমকি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে ওই চিঠির খবর প্রকাশ করে বিবিসি। তবে দুই দেশের সরকার বিষয়টি নিয়ে একেবারে চুপ-চাপ ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে পাঠানো চিঠিটি এখন পর্যন্ত তার মিত্র ইসরায়েলেকে দেয়া সবচেয়ে শক্তিশালী লিখিত সতর্কবার্তা। এ ছাড়া উত্তর গাজায় ইসরায়েলের একটি নতুন আক্রমণের সময় এই চিঠি দেয়া হলো। সেখানে নতুন ইসরায়েলি হামলায় বিপুল সংখ্যক বেসামরিক নাগরিক হতাহতের খবর আসছে।
কিন্তু গণমাধ্যমের খবর প্রকাশিত হওয়ায় অবশেষে চিঠির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার। জানান, গোপন কূটনৈতিক মাধ্যমে এ চিঠি দেয়া হয়েছে। মার্কিন প্রশাসন চায়নি চিঠির বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাক। এখন যেহেতু সংবাদমাধ্যমে চিঠির প্রসঙ্গ চলে এসেছে, তিনি (মিলার) এটা নিশ্চিত করতে পেরে খুশি।
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র আরও জানান, গাজায় এখন যে পরিমাণে মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে, সেটা ‘খুবই কম’। এর আগেও এ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন প্রশাসন বলার পর প্রবেশাধিকার বাড়ানো হয়েছিল।
মার্কিন সরকারের দেয়া চিঠিটি এখন পর্যালোচনা করে দেখছে ইসরায়েল। একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেছেন, তার দেশ এই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে। মার্কিন সরকারের উত্থাপিত উদ্বেগের সমাধান করতে চায়।

শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোরে মধ্য ও দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
পল অ্যাডামস বলছেন, গত এক বছরে আলোচনার চালাকালে দুবার হামলার শিকার হওয়ার কারণে ইরান এখন নিশ্চয়তা চায়, যেন ভবিষ্যতে আবার এমন হামলা না হয়। তবে বাস্তবতা হলো— কেউই খুব একটা বিশ্বাস করে না যে এসব বড় বড় সমস্যার সমাধান ইসলামাবাদে বসে হয়ে যাবে।
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রতিনিধিদলের হয়ে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মূল বৈঠকে বসার আগে জে ডি ভ্যান্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নিলেন। বৈঠকে ভ্যান্সের সঙ্গে আরও ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
১০ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকের বিস্তারিত সম্পর্কে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
১০ ঘণ্টা আগে