
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় ব্যবহারের জন্য ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তার এই আহ্বানের সমালোচনা করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শনিবার (৫ অক্টোবর) প্যারিসে এক শীর্ষ সম্মেলনে যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও গাজায় সংঘাত অব্যাহত রাখার বিষয়ে উদ্বেগ পুনর্ব্যক্ত করেছেন ম্যাক্রোঁ। এর প্রতিক্রিয়ায় ম্যাক্রোঁ ও অন্যান্য পশ্চিমা নেতাদের উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, ‘যারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছেন, তাদের লজ্জা হওয়া উচিত’। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
এদিকে ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স ইন্টার রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ‘আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো রাজনৈতিক সমাধানে ফিরে আসা এবং গাজায় যুদ্ধের জন্য অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা।’
সাক্ষাৎকারটি মঙ্গলবার রেকর্ড করা হয়েছিল এবং শনিবার সম্প্রচার করা হয়। সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ আরও বলেন, ‘ইসরায়েলকে ফ্রান্স কোনও অস্ত্র সরবরাহ করছে না।’ লেবাননে ইসরায়েলের স্থল সেনা অভিযানের সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করেন তিনি। বলেন, ‘লেবানন নতুন গাজা হয়ে উঠতে পারে না।’
ম্যাক্রোঁর এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার আহ্বানকে ‘অপমানজনক’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল তাদের সমর্থন ছাড়াই জিতবে।’
নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত তিনি ভিডিওতে বলেন, ইসরায়েল যখন ইরানের নেতৃত্বে বর্বর শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তখন সব সভ্য দেশকে ইসরায়েলের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানো উচিত।
নেতানিয়াহুর অফিস জানিয়েছে, যে কোনও দেশ যারা ইসরায়েলের পাশে দাঁড়ায় না, তারা ইরান ও এর মিত্রদের সমর্থন করছে।
গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্বিচারে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪১ হাজার ৮২৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এই যুদ্ধ এখন ছড়িয়ে পড়েছে লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যেও।

গাজায় ব্যবহারের জন্য ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তার এই আহ্বানের সমালোচনা করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শনিবার (৫ অক্টোবর) প্যারিসে এক শীর্ষ সম্মেলনে যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও গাজায় সংঘাত অব্যাহত রাখার বিষয়ে উদ্বেগ পুনর্ব্যক্ত করেছেন ম্যাক্রোঁ। এর প্রতিক্রিয়ায় ম্যাক্রোঁ ও অন্যান্য পশ্চিমা নেতাদের উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, ‘যারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছেন, তাদের লজ্জা হওয়া উচিত’। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
এদিকে ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স ইন্টার রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ‘আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো রাজনৈতিক সমাধানে ফিরে আসা এবং গাজায় যুদ্ধের জন্য অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা।’
সাক্ষাৎকারটি মঙ্গলবার রেকর্ড করা হয়েছিল এবং শনিবার সম্প্রচার করা হয়। সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ আরও বলেন, ‘ইসরায়েলকে ফ্রান্স কোনও অস্ত্র সরবরাহ করছে না।’ লেবাননে ইসরায়েলের স্থল সেনা অভিযানের সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করেন তিনি। বলেন, ‘লেবানন নতুন গাজা হয়ে উঠতে পারে না।’
ম্যাক্রোঁর এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার আহ্বানকে ‘অপমানজনক’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল তাদের সমর্থন ছাড়াই জিতবে।’
নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত তিনি ভিডিওতে বলেন, ইসরায়েল যখন ইরানের নেতৃত্বে বর্বর শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তখন সব সভ্য দেশকে ইসরায়েলের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানো উচিত।
নেতানিয়াহুর অফিস জানিয়েছে, যে কোনও দেশ যারা ইসরায়েলের পাশে দাঁড়ায় না, তারা ইরান ও এর মিত্রদের সমর্থন করছে।
গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্বিচারে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪১ হাজার ৮২৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এই যুদ্ধ এখন ছড়িয়ে পড়েছে লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যেও।

শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোরে মধ্য ও দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
পল অ্যাডামস বলছেন, গত এক বছরে আলোচনার চালাকালে দুবার হামলার শিকার হওয়ার কারণে ইরান এখন নিশ্চয়তা চায়, যেন ভবিষ্যতে আবার এমন হামলা না হয়। তবে বাস্তবতা হলো— কেউই খুব একটা বিশ্বাস করে না যে এসব বড় বড় সমস্যার সমাধান ইসলামাবাদে বসে হয়ে যাবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রতিনিধিদলের হয়ে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মূল বৈঠকে বসার আগে জে ডি ভ্যান্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নিলেন। বৈঠকে ভ্যান্সের সঙ্গে আরও ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
১৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকের বিস্তারিত সম্পর্কে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
১৪ ঘণ্টা আগে