
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো সন হুই’র সঙ্গে এক বৈঠকে পশ্চিমের আগ্রাসী নীতিকে ঠেকাতে পিয়ংইয়ংয়ের পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। ১ নভেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের বৈঠকের পর রাশিয়ার কূটনৈতিক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘আলাপকালে উভয়পক্ষ এ ব্যাপারে একমত হয়েছে যে, মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের কারণেই কোরীয় উপদ্বীপের পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব এশিয়া ও অন্যান্য অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাশিয়ান পক্ষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার অংশীদারদের আক্রমণাত্মক নীতির মোকাবিলা এবং এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার গুরুত্বের উপর জোর দেওয়ার উত্তর কোরিয়ার পদক্ষেপগুলোর প্রতি পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ল্যাভরভ ও চো সন হুই ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি বাস্তবায়নে তাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন, যা ‘ঐতিহ্যগতভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ রাশিয়া-কোরিয়া সম্পর্ককে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে এসেছে।’
মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে, মস্কো ও পিয়ংইয়ং মূল আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতির তাদের নিজ নিজ মূল্যায়নে পরস্পরের সঙ্গে একমত। মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা তাস একথা জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে কৌশলগত আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতি ও সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বকেই প্রতিফলিত করে। উভয় পক্ষ পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের মধ্যে কৌশলগত পরামর্শের পাশাপাশি বিভিন্ন স্তরে দু’দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সংলাপ ও বিনিময় অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছে।’
মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, দলগুলো কৌশলগত পরামর্শের সময় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের ব্যবহারিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। উভয় পক্ষ জুন মাসে উত্তর কোরিয়ায় রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের রাষ্ট্রীয় সফরের সময় উপনীত চুক্তির বাস্তবায়নের দিকে মনোনিবেশ করেছে।’

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো সন হুই’র সঙ্গে এক বৈঠকে পশ্চিমের আগ্রাসী নীতিকে ঠেকাতে পিয়ংইয়ংয়ের পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। ১ নভেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের বৈঠকের পর রাশিয়ার কূটনৈতিক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘আলাপকালে উভয়পক্ষ এ ব্যাপারে একমত হয়েছে যে, মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের কারণেই কোরীয় উপদ্বীপের পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব এশিয়া ও অন্যান্য অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাশিয়ান পক্ষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার অংশীদারদের আক্রমণাত্মক নীতির মোকাবিলা এবং এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার গুরুত্বের উপর জোর দেওয়ার উত্তর কোরিয়ার পদক্ষেপগুলোর প্রতি পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ল্যাভরভ ও চো সন হুই ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি বাস্তবায়নে তাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন, যা ‘ঐতিহ্যগতভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ রাশিয়া-কোরিয়া সম্পর্ককে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে এসেছে।’
মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে, মস্কো ও পিয়ংইয়ং মূল আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতির তাদের নিজ নিজ মূল্যায়নে পরস্পরের সঙ্গে একমত। মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা তাস একথা জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে কৌশলগত আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতি ও সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বকেই প্রতিফলিত করে। উভয় পক্ষ পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের মধ্যে কৌশলগত পরামর্শের পাশাপাশি বিভিন্ন স্তরে দু’দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সংলাপ ও বিনিময় অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছে।’
মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, দলগুলো কৌশলগত পরামর্শের সময় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের ব্যবহারিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। উভয় পক্ষ জুন মাসে উত্তর কোরিয়ায় রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের রাষ্ট্রীয় সফরের সময় উপনীত চুক্তির বাস্তবায়নের দিকে মনোনিবেশ করেছে।’

তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়েছে, আকাশ থেকে তোলা ছবিতে কোমে খামেনির বিদায় ও জানাজার অনুষ্ঠানে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। শোকযাত্রায় ইরানের পাশাপাশি তুরস্ক, ইরাক, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসলিম প্রতিনিধিদলও অংশ নেয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
দেশটির আইনপ্রণেতা জর্জ রদ্রিগেজ সোমবার সর্বশেষ সরকারি হিসাব উল্লেখ করে জানান, ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত ১৬ হাজার ৭৪০ জন আহত হয়েছেন এবং ১৭ হাজার ৮৫৪ জন মানুষ তাঁদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভেনেজুয়েলার উপকূলীয় অঞ্চল কারাকাস ও লা গুয়াইরা। এই দুই অঞ্চলের ৮০টি আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে প্র
১৭ ঘণ্টা আগে
কালো পোশাক পরিহিত লাখ লাখ শোকাহত মানুষ তেহরানের রাস্তায় কফিনগুলোর ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর শোকমিছিলটি অত্যন্ত ধীরগতিতে তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহাসিক আজাদি স্কয়ারের দিকে অগ্রসর হয়। কওম শহরে আজ শোকমিছিলের পর তাঁর দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ওমানের লিমাহ উপকূলের কাছে একটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে দক্ষিণমুখী ওই ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে যায় বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)।
১৯ ঘণ্টা আগে