
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের অব্যাহত বর্বর হামলায় আরও ৮৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান এই হামলায় নিহতের মোট সংখ্যা ৪৫ হাজার ৮০৫ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন আরও লক্ষাধিক মানুষ। রোববার (৫ জানুয়ারি) একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনীর অবিরাম আক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৮ জন নিহত এবং ২০৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এছাড়া বহু মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে রয়েছেন। উদ্ধারকারীরা সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করলেও কাজটি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, গাজার ধ্বংস হওয়া বাড়িগুলোর ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অন্তত ১০ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের যুদ্ধবিরতির দাবি সত্ত্বেও ইসরাইল তার আক্রমণ বন্ধ করেনি। বরং গাজায় ইসরাইলের নৃশংস অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকেই ইসরাইল গাজা উপত্যকায় আকাশ ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই আক্রমণে হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। গাজায় প্রায় ২০ লাখ মানুষ তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।
জাতিসংঘের তথ্য, ইসরাইলের আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের চরম সংকটে থাকা গাজাবাসীরা বর্তমানে চরম মানবিক সংকটে ভুগছেন। অবরুদ্ধ এই অঞ্চলের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ইতোমধ্যেই ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের অব্যাহত বর্বর হামলায় আরও ৮৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান এই হামলায় নিহতের মোট সংখ্যা ৪৫ হাজার ৮০৫ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন আরও লক্ষাধিক মানুষ। রোববার (৫ জানুয়ারি) একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনীর অবিরাম আক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৮ জন নিহত এবং ২০৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এছাড়া বহু মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে রয়েছেন। উদ্ধারকারীরা সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করলেও কাজটি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, গাজার ধ্বংস হওয়া বাড়িগুলোর ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অন্তত ১০ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের যুদ্ধবিরতির দাবি সত্ত্বেও ইসরাইল তার আক্রমণ বন্ধ করেনি। বরং গাজায় ইসরাইলের নৃশংস অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকেই ইসরাইল গাজা উপত্যকায় আকাশ ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই আক্রমণে হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। গাজায় প্রায় ২০ লাখ মানুষ তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।
জাতিসংঘের তথ্য, ইসরাইলের আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের চরম সংকটে থাকা গাজাবাসীরা বর্তমানে চরম মানবিক সংকটে ভুগছেন। অবরুদ্ধ এই অঞ্চলের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ইতোমধ্যেই ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সমুদ্রতলে সম্ভাব্য মাইন এড়িয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালিতে নতুন ও বিকল্প নৌরুট ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌ শাখা। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইসরাইল সম্পূর্ণভাবে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ বন্ধ করে দেয় এবং শুধু মসজিদের কর্মী এবং জেরুজালেম ইসলামিক ওয়াকফ-এর কর্মকর্তাদের নামাজ পড়ার অনুমতি দেয়। আর ফিলিস্তিনিদের শহরের ছোট ছোট মসজিদে নামাজ পড়তে বাধ্য করা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
ন্যাটোর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেন, ‘যখন আমাদের তাদের প্রয়োজন ছিল, তখন ন্যাটো পাশে ছিল না। আর ভবিষ্যতেও দরকার হলে তারা থাকবে না। গ্রিনল্যান্ডের কথা মনে রাখো—ওই বড়, খারাপভাবে পরিচালিত বরফের টুকরো।
১২ ঘণ্টা আগে