
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

শ্রীলঙ্কার নেগোমবো কারাগারে কয়েদিদের দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন কারারক্ষীও রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। দেশটির কর্তৃপক্ষ একে গত পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ কারাবিদ্রোহ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
সোমবার (৬ জুলাই) বার্তা সংস্থা এএফপি ও শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য মিরর এ তথ্য জানিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানী কলম্বোর উত্তরে অবস্থিত নেগোমবো কারাগারে রোববার সন্ধ্যায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত দুই পক্ষের কয়েদিদের মধ্যে শুরু হওয়া সংঘাত রাতভর চলতে থাকে।
নেগোমবো হাসপাতালের পরিচালক পুষ্প গামলাথ এএফপিকে জানিয়েছেন, হাসপাতালটিতে ১৯টি মরদেহ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ১০০ জনের বেশি কারারক্ষী ও কয়েদিকে আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে।
এএফপিকে তিনি বলেন, ‘আহতদের কারও কারও শরীরে গুলির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’
পুলিশের এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, কয়েদিদের সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে চার কারারক্ষী নিহত হন। তার ভাষায়, ‘আজ সকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।’
পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ কমান্ডো মোতায়েন করা হলেও সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তারা কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করেননি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ড্রোনও মোতায়েন করেছে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার সকালে কারাগারের বাইরে উদ্বিগ্ন স্বজনদের ভিড় দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তারা রাতভর গুলির শব্দ শুনেছেন।
কর্মকর্তারা জানান, নেগোমবো কারাগারে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার বন্দি রয়েছেন।
এর আগেও শ্রীলঙ্কার কারাগারে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে দেশটির আরেকটি কারাগারে একই ধরনের ঘটনায় ১১ জন কয়েদি নিহত এবং ১১৭ জন আহত হয়েছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, শ্রীলঙ্কার অধিকাংশ কারাগারেই ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি বন্দি রাখা হয়। দীর্ঘদিনের এই অতিরিক্ত ভিড় কারা ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে।

শ্রীলঙ্কার নেগোমবো কারাগারে কয়েদিদের দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন কারারক্ষীও রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। দেশটির কর্তৃপক্ষ একে গত পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ কারাবিদ্রোহ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
সোমবার (৬ জুলাই) বার্তা সংস্থা এএফপি ও শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য মিরর এ তথ্য জানিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানী কলম্বোর উত্তরে অবস্থিত নেগোমবো কারাগারে রোববার সন্ধ্যায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত দুই পক্ষের কয়েদিদের মধ্যে শুরু হওয়া সংঘাত রাতভর চলতে থাকে।
নেগোমবো হাসপাতালের পরিচালক পুষ্প গামলাথ এএফপিকে জানিয়েছেন, হাসপাতালটিতে ১৯টি মরদেহ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ১০০ জনের বেশি কারারক্ষী ও কয়েদিকে আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে।
এএফপিকে তিনি বলেন, ‘আহতদের কারও কারও শরীরে গুলির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’
পুলিশের এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, কয়েদিদের সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে চার কারারক্ষী নিহত হন। তার ভাষায়, ‘আজ সকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।’
পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ কমান্ডো মোতায়েন করা হলেও সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তারা কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করেননি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ড্রোনও মোতায়েন করেছে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার সকালে কারাগারের বাইরে উদ্বিগ্ন স্বজনদের ভিড় দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তারা রাতভর গুলির শব্দ শুনেছেন।
কর্মকর্তারা জানান, নেগোমবো কারাগারে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার বন্দি রয়েছেন।
এর আগেও শ্রীলঙ্কার কারাগারে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে দেশটির আরেকটি কারাগারে একই ধরনের ঘটনায় ১১ জন কয়েদি নিহত এবং ১১৭ জন আহত হয়েছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, শ্রীলঙ্কার অধিকাংশ কারাগারেই ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি বন্দি রাখা হয়। দীর্ঘদিনের এই অতিরিক্ত ভিড় কারা ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৯ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে