
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সৌদি আরবের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পালনে প্রায় ৩০ হাজার হাজিকে পাঠাচ্ছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরনা) জানিয়েছে, আগামীকাল থেকেই হাজিদের সৌদি আরবে পাঠানো শুরু হতে পারে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের হজ ও জিয়ারত সংস্থার হজ ও ওমরাহবিষয়ক উপপ্রধান আকবর রেজায়ির বরাত দিয়ে ইরনা জানায়, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পর এ কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে।
রেজায়ি বলেন, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে চুক্তি এবং বিশেষায়িত সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে এবারের হজ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যাত্রা শুরু থেকে দেশে ফেরা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নেওয়া হয়েছে নানা ব্যবস্থা।
তিনি জানান, হাজিদের গ্রুপ কাঠামো পুনর্গঠন করা হয়েছে এবং সরকারি ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্মে নতুন করে ২৩৬টি গ্রুপ যুক্ত করা হয়েছে।
মক্কায় ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি ইরানের দূতাবাস ও কনস্যুলেটের সঙ্গে সমন্বয় করে হাজিদের সেবা ও আনুষ্ঠানিকতা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে ইরানি হজ মিশনও।
হাজিদের আবাসনের জন্য মদিনায় ১৬টি এবং মক্কায় ২৪টি হোটেল নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আবাসন ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং মদিনায় হাজিদের অবস্থানের সময় ছয় রাত ও সাত দিনে বাড়ানো হয়েছে।
পুরো হজ মৌসুম জুড়ে চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রথম দফার হাজিদের সোমবার (২৭ এপ্রিল) মদিনায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
রেজায়ি আরও জানান, চূড়ান্ত বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেলেই ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হবে। প্রয়োজনে বিকল্প হিসেবে স্থলপথ ব্যবহারের পরিকল্পনাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সৌদি আরবের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পালনে প্রায় ৩০ হাজার হাজিকে পাঠাচ্ছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরনা) জানিয়েছে, আগামীকাল থেকেই হাজিদের সৌদি আরবে পাঠানো শুরু হতে পারে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের হজ ও জিয়ারত সংস্থার হজ ও ওমরাহবিষয়ক উপপ্রধান আকবর রেজায়ির বরাত দিয়ে ইরনা জানায়, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পর এ কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে।
রেজায়ি বলেন, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে চুক্তি এবং বিশেষায়িত সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে এবারের হজ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যাত্রা শুরু থেকে দেশে ফেরা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নেওয়া হয়েছে নানা ব্যবস্থা।
তিনি জানান, হাজিদের গ্রুপ কাঠামো পুনর্গঠন করা হয়েছে এবং সরকারি ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্মে নতুন করে ২৩৬টি গ্রুপ যুক্ত করা হয়েছে।
মক্কায় ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি ইরানের দূতাবাস ও কনস্যুলেটের সঙ্গে সমন্বয় করে হাজিদের সেবা ও আনুষ্ঠানিকতা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে ইরানি হজ মিশনও।
হাজিদের আবাসনের জন্য মদিনায় ১৬টি এবং মক্কায় ২৪টি হোটেল নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আবাসন ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং মদিনায় হাজিদের অবস্থানের সময় ছয় রাত ও সাত দিনে বাড়ানো হয়েছে।
পুরো হজ মৌসুম জুড়ে চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রথম দফার হাজিদের সোমবার (২৭ এপ্রিল) মদিনায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
রেজায়ি আরও জানান, চূড়ান্ত বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেলেই ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হবে। প্রয়োজনে বিকল্প হিসেবে স্থলপথ ব্যবহারের পরিকল্পনাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
২০ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
১ দিন আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে