
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় আলেপ্পো প্রদেশে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৪২ জন নিহত হয়েছে। নিহতের মধ্যে বেশির ভাগই সেনা সদস্য বলে সংবাদ সংস্থা ও যুদ্ধ পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো জানিয়েছে।
ব্রিটেনভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর) জানায়, হামলায় লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ছয় সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছে।
সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত পৌনে ২টার দিকে আলেপ্পোর গ্রামাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হামলায় হতাহতের সংখ্যা উল্লেখ না করে মন্ত্রণালয় জানায়, ইসরায়েল ও নামহীন সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় বেসামরিক মানুষ ও সামরিক কর্মী নিহত হওয়ার পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।
এসওএইচআর এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আলেপ্পো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি অস্ত্র ডিপোতে ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়। এতে ধারাবাহিকভাবে বড় ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে ৩৬ সেনা নিহত হয় বলে ওই পোস্টে এসওএইচআর জানিয়েছে। ওই এলাকায় হিজবুল্লাহর অস্ত্রের ঘাঁটি রয়েছে বলেও ব্রিটেনভিত্তিক সংস্থাটি জানিয়েছে। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
লেবাননের বৈরুত থেকে আলজাজিরার প্রতিবেদক জেইনা খোদর বলেছেন, সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম হামলার লক্ষ্যস্থল সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ না করলেও মাঠ পর্যায়ের আন্দোলনকর্মীরা বলেছেন, সিরিয়ান সৈন্য ও হিজবুল্লাহর যোদ্ধা হামলায় নিহত হয়েছে। উভয় পক্ষেরই সিরিয়ার সামরিক উপস্থিতি রয়েছে বলে জানা গেছে।
জেইনা খোদর প্রতিবেদনে বলেছেন, সম্প্রতি আমরা সিরিয়ায় প্রায় ধারাবাহিক ইসরায়েলি হামলা দেখছি। সিরিয়ায় অবস্থিত ইরানি স্থাপনায় ব্যাপকভাবে ইসরায়েলি হামলা চালানো হচ্ছে।'
২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল এরই মধ্যে দেশটির বিভিন্ন স্থাপনায় শত শতবার বিমান হামলা চালিয়েছে। লেবাননের হিজবুল্লাহর পাশাপাশি সিরিয়ার সেনাবাহিনীর অবস্থানসহ ইরান সমর্থিত বিভিন্ন বাহিনী তাদের এসব হামলার প্রধান লক্ষ্য। সিরিয়ায় প্রায়ই ইরানের ইসলামিক রেভলু্যশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়। গৃহযুদ্ধ শুরুর পর প্রেসিডেন্ট বাসার আল-আসাদকে সমর্থন জানানোয় সিরিয়ায় ইরানের প্রভাব বেড়েছে।
গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ প্রায় প্রতিদিনই সীমান্ত এলাকায় সংঘাতে জড়িয়েছে। ২০০৬ সালে দুই পক্ষের মধ্যকার মাসব্যাপী লড়াইয়ের পর এই প্রথম সেখানে বড় ধরনের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
সূত্র : আলজাজিরা

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় আলেপ্পো প্রদেশে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৪২ জন নিহত হয়েছে। নিহতের মধ্যে বেশির ভাগই সেনা সদস্য বলে সংবাদ সংস্থা ও যুদ্ধ পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো জানিয়েছে।
ব্রিটেনভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর) জানায়, হামলায় লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ছয় সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছে।
সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত পৌনে ২টার দিকে আলেপ্পোর গ্রামাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। হামলায় হতাহতের সংখ্যা উল্লেখ না করে মন্ত্রণালয় জানায়, ইসরায়েল ও নামহীন সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় বেসামরিক মানুষ ও সামরিক কর্মী নিহত হওয়ার পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।
এসওএইচআর এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আলেপ্পো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি অস্ত্র ডিপোতে ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়। এতে ধারাবাহিকভাবে বড় ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে ৩৬ সেনা নিহত হয় বলে ওই পোস্টে এসওএইচআর জানিয়েছে। ওই এলাকায় হিজবুল্লাহর অস্ত্রের ঘাঁটি রয়েছে বলেও ব্রিটেনভিত্তিক সংস্থাটি জানিয়েছে। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
লেবাননের বৈরুত থেকে আলজাজিরার প্রতিবেদক জেইনা খোদর বলেছেন, সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম হামলার লক্ষ্যস্থল সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ না করলেও মাঠ পর্যায়ের আন্দোলনকর্মীরা বলেছেন, সিরিয়ান সৈন্য ও হিজবুল্লাহর যোদ্ধা হামলায় নিহত হয়েছে। উভয় পক্ষেরই সিরিয়ার সামরিক উপস্থিতি রয়েছে বলে জানা গেছে।
জেইনা খোদর প্রতিবেদনে বলেছেন, সম্প্রতি আমরা সিরিয়ায় প্রায় ধারাবাহিক ইসরায়েলি হামলা দেখছি। সিরিয়ায় অবস্থিত ইরানি স্থাপনায় ব্যাপকভাবে ইসরায়েলি হামলা চালানো হচ্ছে।'
২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল এরই মধ্যে দেশটির বিভিন্ন স্থাপনায় শত শতবার বিমান হামলা চালিয়েছে। লেবাননের হিজবুল্লাহর পাশাপাশি সিরিয়ার সেনাবাহিনীর অবস্থানসহ ইরান সমর্থিত বিভিন্ন বাহিনী তাদের এসব হামলার প্রধান লক্ষ্য। সিরিয়ায় প্রায়ই ইরানের ইসলামিক রেভলু্যশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়। গৃহযুদ্ধ শুরুর পর প্রেসিডেন্ট বাসার আল-আসাদকে সমর্থন জানানোয় সিরিয়ায় ইরানের প্রভাব বেড়েছে।
গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ প্রায় প্রতিদিনই সীমান্ত এলাকায় সংঘাতে জড়িয়েছে। ২০০৬ সালে দুই পক্ষের মধ্যকার মাসব্যাপী লড়াইয়ের পর এই প্রথম সেখানে বড় ধরনের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
সূত্র : আলজাজিরা

জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রানচেসকা আলবানিজ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে পৃথিবীর ‘সবচেয়ে নিকৃষ্ট’ সেনাবাহিনী হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, তাদের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করাসহ সব সীমারেখা অতিক্রম করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর হাতে জব্দ হওয়া পণ্যবাহী জাহাজ ‘তুসকা’ এবং এর আরোহীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন ও ‘অপরাধমূলক কাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে তেহরান।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, হুমকির মুখে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় যেতে রাজি নয়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— পরিস্থিতি ফের যুদ্ধের দিকে গড়ালে ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন কৌশল ও ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত রয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
পেন্টাগনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭১ জন সেনাবাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া নৌবাহিনীর ৬৩ জন, বিমানবাহিনীর ৬২ জন এবং ১৯ জন মেরিন সেনা আহত হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে