
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিরোধীদলের রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ায় জরুরি সামরিক আইন জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি ইউন সুক ইওল।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই খবর প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার কমিউনিস্ট শক্তির হুমকি থেকে দক্ষিণ কোরিয়াকে রক্ষা করার জন্য এবং রাষ্ট্রবিরোধী উপাদানগুলিকে নির্মূল করার জন্য ইউন সুক ইওল এই আইন জারি করেছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল সামরিক আইনের মাধ্যমে একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ পুনর্গঠন করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছেন।

বিরোধীদলের রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ায় জরুরি সামরিক আইন জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি ইউন সুক ইওল।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই খবর প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার কমিউনিস্ট শক্তির হুমকি থেকে দক্ষিণ কোরিয়াকে রক্ষা করার জন্য এবং রাষ্ট্রবিরোধী উপাদানগুলিকে নির্মূল করার জন্য ইউন সুক ইওল এই আইন জারি করেছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল সামরিক আইনের মাধ্যমে একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ পুনর্গঠন করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছেন।

আটকে থাকা জাহাজগুলোর নাবিকদের মানসিক অবস্থার অবনতি নতুন করে দাবি তুলেছে— জাহাজ মালিকদের উচিত তাদের বদলে নতুন ক্রু পাঠানো। আন্তর্জাতিক নৌবিধি অনুযায়ী, বিপজ্জনক এলাকায় নাবিকদের জোর করে কাজ করানো যায় না। তবে এমন অনেকেই আছেন, যারা বাধ্য হয়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ নিতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
আব্বাস আসলানি জানান, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলতে থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের সংলাপে বসতে রাজি নয় ইরান। তিনি বলেন, "ইরানি প্রতিনিধি দল এখনো তেহরান থেকে রওনা দেয়নি। তাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যতক্ষণ লেবাননে হামলা চলবে, ততক্ষণ ইসলামাবাদে কোনো আলোচনা হবে না।"
৪ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের ঠিক ছয় সপ্তাহ পর এই আলোচনা হতে যাচ্ছে। এ আলোচনা থেকে সারা বিশ্বের মানুষের প্রত্যাশা— দুই সপ্তাহের জন্য যে যুদ্ধবিরতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে, সেটি যুদ্ধে বন্ধের স্থায়ী রূপ পাবে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলবে তেলবাহী জাহাজ; ছয় সপ্তাহ ধরে বৈশ্বিক যে জ্বালানি সংকট
৫ ঘণ্টা আগে
মোতজবা খামেনি তার বার্তায় বলেন, এই যুদ্ধে ইরানের জনগণই ‘বিজয়ী পক্ষ’ এবং এই যুদ্ধে ‘বিজয়ী জাতি’ও ইরানই। যুদ্ধের প্রতিটি ক্ষতির জন্য ইরান ক্ষতিপূরণ আদায় করবে এবং এই যুদ্ধে আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করবে।
৬ ঘণ্টা আগে