
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো বার্ড ফ্লুর মারাত্মক ‘এইচ৫এন১’ (H5N1) স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে অত্যন্ত সংক্রামক এই ভ্যারিয়েন্টটি এখন পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশেই পৌঁছে গেল। এর আগে অস্ট্রেলিয়াই ছিল একমাত্র মহাদেশ, যেখানে বার্ড ফ্লুর এই স্ট্রেইনটি খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আজ শনিবার (২০ জুন) দেশটির কৃষিমন্ত্রী জুলি কলিন্স জানান, দূরবর্তী পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় একটি পরিযায়ী সামুদ্রিক পাখি ‘ব্রাউন স্কুয়া’র (Brown Skua) শরীরে এই রোগটি ধরা পড়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়ার শহর পার্থ থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার (৪৩৪ মাইল) দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত উপকূলীয় শহর এসপারেন্সের কাছাকাছি কেপ লে গ্র্যান্ড ন্যাশনাল পার্কের একটি সৈকতে পাখিটিকে পাওয়া যায়।
এই স্ট্রেইনটি গৃহপালিত হাঁস-মুরগি এবং বন্য পাখির পালের মধ্যে অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে এই রোগের সাথে সম্পর্কিত মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা এখনও বিরল।
এক সংবাদ সম্মেলনে কলিন্স বলেন, ‘আমরা সবাই জানতাম যে আমরা চিরকাল বার্ড ফ্লু-মুক্ত থাকতে পারব না।’ কলিন্স আরও যোগ করেন, বার্ড ফ্লুর দ্বিতীয় আরেকটি সন্দেহভাজন কেসও রয়েছে— এসপারেন্স সৈকতে একটি ক্লান্ত ও অবসন্ন ‘সাউদার্ন পেট্রেল’ পাখি পাওয়া গেছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, ‘এই মুহূর্তে গণহারে মৃত্যুর কোনো প্রমাণ নেই।’
অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যম এবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির থ্রেটেনড স্পিসিস কমিশনার ফিওনা ফ্রেজার বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ার অন্য কোনো প্রাণিগোষ্ঠীর মধ্যে এই ভাইরাসটি বিদ্যমান রয়েছে কি না, তা কর্তৃপক্ষ ‘কয়েক দিনের মধ্যেই’ জানতে পারবে।
প্রতিবেদনে দেশটির প্রধান পশুচিকিৎসা কর্মকর্তা (চিফ ভেটেরিনারি অফিসার) বেথ কুকসনের বক্তব্যও উদ্ধৃত করা হয়েছে। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ ‘দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল’ এবং জরুরি প্রাণী রোগ সংক্রান্ত কমিটি শনিবার একটি বৈঠকে বসেছে।
এর আগে গত বছরের অক্টোবরে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ার দূরবর্তী নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল হার্ড এবং ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জে বার্ড ফ্লুর এই এইচ৫এন১ স্ট্রেইনটি প্রথম শনাক্ত হয়েছিল।
চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত একটি গবেষণার আনুমানিক হিসাবে দেখা গেছে, গত বছরের আগস্ট থেকে হার্ড দ্বীপে ১৭ হাজার শিশু সিলের (Baby Seals) একটি দলের মধ্যে প্রায় ১৩ হাজারটি সিল এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু স্ট্রেনের কারণে মারা গেছে, যা পুরো দলটির ৭৫ শতাংশের চেয়েও বেশি। গবেষকরা পেঙ্গুইনদের মধ্যেও প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মৃত্যুর হার লক্ষ্য করেছেন।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, প্রায় ১ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ফ্রান্সের মালিকানাধীন ক্রোজো দ্বীপপুঞ্জ থেকে উড়ে আসা পরিযায়ী পাখিদের মাধ্যমে সম্ভবত গত বছরের আগস্টে এই দ্বীপগুলোতে বার্ড ফ্লু সংক্রমিত হয়েছিল।
উল্লেখ্য, বার্ড ফ্লু মূলত এমন একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা পাখিদের আক্রান্ত করে এবং মাঝেমধ্যে অন্যান্য প্রাণী, যেমন— শেয়াল, সিল এবং ভোঁদড়কেও (ওটার) সংক্রমিত করে।
বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বন্য পাখিদের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা প্রধান স্ট্রেইনটি হলো এইচ৫এন১ নামের একটি ভাইরাস। ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে চীনে প্রথম এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল।
পাখিদের পরিযানের (স্থানান্তরের) কারণে গৃহপালিত ও বন্য পাখিদের মধ্যে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। তবে খুব কম ক্ষেত্রেই এটি মানুষকেও সংক্রমিত করে, যা সাধারণত অসুস্থ প্রাণীর সংস্পর্শে আসার কারণে হয়ে থাকে।

অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো বার্ড ফ্লুর মারাত্মক ‘এইচ৫এন১’ (H5N1) স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে অত্যন্ত সংক্রামক এই ভ্যারিয়েন্টটি এখন পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশেই পৌঁছে গেল। এর আগে অস্ট্রেলিয়াই ছিল একমাত্র মহাদেশ, যেখানে বার্ড ফ্লুর এই স্ট্রেইনটি খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আজ শনিবার (২০ জুন) দেশটির কৃষিমন্ত্রী জুলি কলিন্স জানান, দূরবর্তী পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় একটি পরিযায়ী সামুদ্রিক পাখি ‘ব্রাউন স্কুয়া’র (Brown Skua) শরীরে এই রোগটি ধরা পড়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়ার শহর পার্থ থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার (৪৩৪ মাইল) দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত উপকূলীয় শহর এসপারেন্সের কাছাকাছি কেপ লে গ্র্যান্ড ন্যাশনাল পার্কের একটি সৈকতে পাখিটিকে পাওয়া যায়।
এই স্ট্রেইনটি গৃহপালিত হাঁস-মুরগি এবং বন্য পাখির পালের মধ্যে অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে এই রোগের সাথে সম্পর্কিত মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা এখনও বিরল।
এক সংবাদ সম্মেলনে কলিন্স বলেন, ‘আমরা সবাই জানতাম যে আমরা চিরকাল বার্ড ফ্লু-মুক্ত থাকতে পারব না।’ কলিন্স আরও যোগ করেন, বার্ড ফ্লুর দ্বিতীয় আরেকটি সন্দেহভাজন কেসও রয়েছে— এসপারেন্স সৈকতে একটি ক্লান্ত ও অবসন্ন ‘সাউদার্ন পেট্রেল’ পাখি পাওয়া গেছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, ‘এই মুহূর্তে গণহারে মৃত্যুর কোনো প্রমাণ নেই।’
অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যম এবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির থ্রেটেনড স্পিসিস কমিশনার ফিওনা ফ্রেজার বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ার অন্য কোনো প্রাণিগোষ্ঠীর মধ্যে এই ভাইরাসটি বিদ্যমান রয়েছে কি না, তা কর্তৃপক্ষ ‘কয়েক দিনের মধ্যেই’ জানতে পারবে।
প্রতিবেদনে দেশটির প্রধান পশুচিকিৎসা কর্মকর্তা (চিফ ভেটেরিনারি অফিসার) বেথ কুকসনের বক্তব্যও উদ্ধৃত করা হয়েছে। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ ‘দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল’ এবং জরুরি প্রাণী রোগ সংক্রান্ত কমিটি শনিবার একটি বৈঠকে বসেছে।
এর আগে গত বছরের অক্টোবরে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ার দূরবর্তী নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল হার্ড এবং ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জে বার্ড ফ্লুর এই এইচ৫এন১ স্ট্রেইনটি প্রথম শনাক্ত হয়েছিল।
চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত একটি গবেষণার আনুমানিক হিসাবে দেখা গেছে, গত বছরের আগস্ট থেকে হার্ড দ্বীপে ১৭ হাজার শিশু সিলের (Baby Seals) একটি দলের মধ্যে প্রায় ১৩ হাজারটি সিল এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু স্ট্রেনের কারণে মারা গেছে, যা পুরো দলটির ৭৫ শতাংশের চেয়েও বেশি। গবেষকরা পেঙ্গুইনদের মধ্যেও প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মৃত্যুর হার লক্ষ্য করেছেন।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, প্রায় ১ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ফ্রান্সের মালিকানাধীন ক্রোজো দ্বীপপুঞ্জ থেকে উড়ে আসা পরিযায়ী পাখিদের মাধ্যমে সম্ভবত গত বছরের আগস্টে এই দ্বীপগুলোতে বার্ড ফ্লু সংক্রমিত হয়েছিল।
উল্লেখ্য, বার্ড ফ্লু মূলত এমন একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা পাখিদের আক্রান্ত করে এবং মাঝেমধ্যে অন্যান্য প্রাণী, যেমন— শেয়াল, সিল এবং ভোঁদড়কেও (ওটার) সংক্রমিত করে।
বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বন্য পাখিদের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা প্রধান স্ট্রেইনটি হলো এইচ৫এন১ নামের একটি ভাইরাস। ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে চীনে প্রথম এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল।
পাখিদের পরিযানের (স্থানান্তরের) কারণে গৃহপালিত ও বন্য পাখিদের মধ্যে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। তবে খুব কম ক্ষেত্রেই এটি মানুষকেও সংক্রমিত করে, যা সাধারণত অসুস্থ প্রাণীর সংস্পর্শে আসার কারণে হয়ে থাকে।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
২০ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
১ দিন আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে