
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ইসরায়েলের কাছে আরও ৬৮ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে। বুধবার (২৭ নভেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত আগস্টে ইসরায়েলকে ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের যুদ্ধবিমান এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির ঘোষণা দিয়েয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তারা জানান, অস্ত্র সহায়তা প্যাকেজটিতে সাময়িকভাবে অনুমোদন দিয়েছেন বাইডেন।
সর্বশেষ এই অস্ত্রের চালানের মধ্যে কয়েক শ বোমা ও সাধারণ বোমাকে লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে হামলার উপযোগী করে তোলার জন্য কয়েক হাজার সরঞ্জাম রয়েছে।
লেবাননে ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি কার্যকর হওয়ার কিছু সময় আগেই এই খবর প্রকাশ্যে এলো।
তবে ইসরায়েল এখনও গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ওয়াশিংটন ইসরায়েলকে ১০ হাজারেরও বেশি ২ হাজার পাউন্ডের বোমা এবং হাজার হাজার হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে।
অপরদিকে লেবাননের সঙ্গে শান্তিচুক্তির বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মঙ্গলবার রাতে বলেন, পুনরায় অস্ত্রের মজুদ বৃদ্ধি এবং দীর্ঘ সময় ধরে অস্ত্র সরবরাহে দেরি হওয়ার বিষয়টি শান্তিচুক্তির অন্যতম কারণ।
তিনি বলেন, এই ঘাটতি দ্রুতই সমাধান করা হবে।
ইসরায়েলের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনা নিয়ে কয়েক মাস ধরেই প্রস্তুতি চলছে। গত সেপ্টেম্বরে এটি কংগ্রেস কমিটির কাছে উপস্থাপনের পর অক্টোবর মাসে পর্যালোচনার জন্য জমা দেওয়া হয়।
আমেরিকান আইন অনুযায়ী, বড় পরিসরের কোনো দেশে সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির চুক্তি করার ক্ষেত্রে কংগ্রেসকে অবহিত করতে হয়। তবে সেটি কোনো আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনার মাধ্যমে করা হয় না।
যদিও মার্কিন কংগ্রেসের কিছু প্রগতিশীল সদস্য যেমন- সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স গাজার মানবিক সংকটের বিষয় তুলে ধরে অস্ত্র বিক্রির বিরোধিতা করেছিলেন। তবে তাদের প্রস্তাবটি গত সপ্তাহে সিনেটে বাতিল করা হয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় দপ্তরের এক মুখপাত্র অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
তবে তিনি বলেছেন, ইরান সমর্থিত সব ধরনের হুমকির বিরুদ্ধে ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি মার্কিন সমর্থন অটল থাকবে। তবে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করাও ইসরায়েলের নৈতিক দায়িত্ব। সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ইসরায়েলের কাছে আরও ৬৮ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে। বুধবার (২৭ নভেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত আগস্টে ইসরায়েলকে ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের যুদ্ধবিমান এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির ঘোষণা দিয়েয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তারা জানান, অস্ত্র সহায়তা প্যাকেজটিতে সাময়িকভাবে অনুমোদন দিয়েছেন বাইডেন।
সর্বশেষ এই অস্ত্রের চালানের মধ্যে কয়েক শ বোমা ও সাধারণ বোমাকে লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে হামলার উপযোগী করে তোলার জন্য কয়েক হাজার সরঞ্জাম রয়েছে।
লেবাননে ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি কার্যকর হওয়ার কিছু সময় আগেই এই খবর প্রকাশ্যে এলো।
তবে ইসরায়েল এখনও গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ওয়াশিংটন ইসরায়েলকে ১০ হাজারেরও বেশি ২ হাজার পাউন্ডের বোমা এবং হাজার হাজার হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে।
অপরদিকে লেবাননের সঙ্গে শান্তিচুক্তির বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মঙ্গলবার রাতে বলেন, পুনরায় অস্ত্রের মজুদ বৃদ্ধি এবং দীর্ঘ সময় ধরে অস্ত্র সরবরাহে দেরি হওয়ার বিষয়টি শান্তিচুক্তির অন্যতম কারণ।
তিনি বলেন, এই ঘাটতি দ্রুতই সমাধান করা হবে।
ইসরায়েলের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনা নিয়ে কয়েক মাস ধরেই প্রস্তুতি চলছে। গত সেপ্টেম্বরে এটি কংগ্রেস কমিটির কাছে উপস্থাপনের পর অক্টোবর মাসে পর্যালোচনার জন্য জমা দেওয়া হয়।
আমেরিকান আইন অনুযায়ী, বড় পরিসরের কোনো দেশে সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির চুক্তি করার ক্ষেত্রে কংগ্রেসকে অবহিত করতে হয়। তবে সেটি কোনো আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনার মাধ্যমে করা হয় না।
যদিও মার্কিন কংগ্রেসের কিছু প্রগতিশীল সদস্য যেমন- সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স গাজার মানবিক সংকটের বিষয় তুলে ধরে অস্ত্র বিক্রির বিরোধিতা করেছিলেন। তবে তাদের প্রস্তাবটি গত সপ্তাহে সিনেটে বাতিল করা হয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় দপ্তরের এক মুখপাত্র অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
তবে তিনি বলেছেন, ইরান সমর্থিত সব ধরনের হুমকির বিরুদ্ধে ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি মার্কিন সমর্থন অটল থাকবে। তবে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করাও ইসরায়েলের নৈতিক দায়িত্ব। সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নজরদারি ড্রোন ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ড্রোনটি উড়ন্ত অবস্থায় জরুরি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। এটি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি ভূপাতিত করা হয়েছে— এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
৬ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৬ দশমিক ৭৫ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের তুলনায় প্রায় শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ বেশি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুড তেলের দামও ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি।
৬ ঘণ্টা আগে
আটকে থাকা জাহাজগুলোর নাবিকদের মানসিক অবস্থার অবনতি নতুন করে দাবি তুলেছে— জাহাজ মালিকদের উচিত তাদের বদলে নতুন ক্রু পাঠানো। আন্তর্জাতিক নৌবিধি অনুযায়ী, বিপজ্জনক এলাকায় নাবিকদের জোর করে কাজ করানো যায় না। তবে এমন অনেকেই আছেন, যারা বাধ্য হয়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ নিতে পারেন।
৭ ঘণ্টা আগে
আব্বাস আসলানি জানান, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলতে থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের সংলাপে বসতে রাজি নয় ইরান। তিনি বলেন, "ইরানি প্রতিনিধি দল এখনো তেহরান থেকে রওনা দেয়নি। তাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যতক্ষণ লেবাননে হামলা চলবে, ততক্ষণ ইসলামাবাদে কোনো আলোচনা হবে না।"
৭ ঘণ্টা আগে