
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতিক্রমেই গাজায় সশস্ত্র রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ট্রাম্পের দাবি, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলটিতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য গোষ্ঠীটিকে ‘কিছু সময়ের জন্য’ সশস্ত্র থাকার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই অনুমতি দিয়েছে। খবর আলজাজিরার।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) ইসরায়েলে পৌঁছানোর আগে এয়ার ফোর্স ওয়ানে থাকা এক সাংবাদিক ‘গাজায় হামাস পুনরায় সশস্ত্র হয়েছে এবং নিজেদেরকে ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে’- এমন প্রতিবেদন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে ট্রাম্প বলেন, “হামাস যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “এ বিষয়ে হামাসের অবস্থান স্পষ্ট ছিল এবং আমরা তাদেরকে কিছু সময়ের জন্য এই অনুমোদন দিয়েছি।”
ট্রাম্প আরো বলেন, “আপনাকে বুঝতে হবে- যুদ্ধে তারা সম্ভবত ৬০ হাজার মানুষকে হারিয়েছে। এটা অনেক বড় প্রতিশোধের বিষয়।”
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২০ হাজারের বেশি শিশু।
ট্রাম্প আরো বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করতে চায় গাজার বাসিন্দারা যেন নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারে এবং পুনর্গঠন শুরু করতে পারে।” তিনি গাজাকে বর্ণনা করেন ‘আক্ষরিক অর্থেই ধ্বংসপ্রাপ্ত’ অঞ্চল হিসেবে এবং সতর্ক করে বলেন, “মানুষ ফিরতে শুরু করলে অনেক ভয়াবহ ঘটনা ঘটতে পারে।”
হামাসের অস্ত্র সমর্পণ বা নিরস্ত্রীকরণের সময়সূচি এখন যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম বড় বিতর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আলোচকেরা এখনো একমত হতে পারেননি, কীভাবে এবং কখন এই নিরস্ত্রীকরণ কার্যকর হবে।
ট্রাম্প আজ সোমবার ইসরায়েলে ৪ ঘণ্টার সফর শেষে মিসরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। গাজায় সংঘাত বন্ধে মিসরের পর্যটন শহর শারম আল-শেখে আলোচনায় বসবেন বিশ্বনেতারা। সেখানে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে এরইমধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে, তাতে ট্রাম্প সই করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এই চুক্তি অনুষ্ঠানের সহ-সভাপতিত্ব করবেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০টির বেশি দেশের শীর্ষপর্যায়ের নেতারা এই সম্মেলনে যোগ দেবেন। সম্মেলনে যোগ দিতে এরইমধ্যে মিসরে পৌঁছেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতিক্রমেই গাজায় সশস্ত্র রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ট্রাম্পের দাবি, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলটিতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য গোষ্ঠীটিকে ‘কিছু সময়ের জন্য’ সশস্ত্র থাকার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই অনুমতি দিয়েছে। খবর আলজাজিরার।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) ইসরায়েলে পৌঁছানোর আগে এয়ার ফোর্স ওয়ানে থাকা এক সাংবাদিক ‘গাজায় হামাস পুনরায় সশস্ত্র হয়েছে এবং নিজেদেরকে ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে’- এমন প্রতিবেদন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে ট্রাম্প বলেন, “হামাস যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “এ বিষয়ে হামাসের অবস্থান স্পষ্ট ছিল এবং আমরা তাদেরকে কিছু সময়ের জন্য এই অনুমোদন দিয়েছি।”
ট্রাম্প আরো বলেন, “আপনাকে বুঝতে হবে- যুদ্ধে তারা সম্ভবত ৬০ হাজার মানুষকে হারিয়েছে। এটা অনেক বড় প্রতিশোধের বিষয়।”
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২০ হাজারের বেশি শিশু।
ট্রাম্প আরো বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করতে চায় গাজার বাসিন্দারা যেন নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারে এবং পুনর্গঠন শুরু করতে পারে।” তিনি গাজাকে বর্ণনা করেন ‘আক্ষরিক অর্থেই ধ্বংসপ্রাপ্ত’ অঞ্চল হিসেবে এবং সতর্ক করে বলেন, “মানুষ ফিরতে শুরু করলে অনেক ভয়াবহ ঘটনা ঘটতে পারে।”
হামাসের অস্ত্র সমর্পণ বা নিরস্ত্রীকরণের সময়সূচি এখন যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম বড় বিতর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আলোচকেরা এখনো একমত হতে পারেননি, কীভাবে এবং কখন এই নিরস্ত্রীকরণ কার্যকর হবে।
ট্রাম্প আজ সোমবার ইসরায়েলে ৪ ঘণ্টার সফর শেষে মিসরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। গাজায় সংঘাত বন্ধে মিসরের পর্যটন শহর শারম আল-শেখে আলোচনায় বসবেন বিশ্বনেতারা। সেখানে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে এরইমধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে, তাতে ট্রাম্প সই করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এই চুক্তি অনুষ্ঠানের সহ-সভাপতিত্ব করবেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০টির বেশি দেশের শীর্ষপর্যায়ের নেতারা এই সম্মেলনে যোগ দেবেন। সম্মেলনে যোগ দিতে এরইমধ্যে মিসরে পৌঁছেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, রাশিয়া তার মিত্র উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে আরও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও সেনা পাচ্ছে বলে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সতর্ক করেছিলেন জেলেনস্কি। এর একদিন পরই ইউক্রেনজুড়ে এই বড় ধরনের হামলা চালানো হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে পেরেইরা শহরে, সেখানে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর কাতিতে অন্তত ৯৫ জনের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করা গেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, জাহাজটি মার্কিন অবরোধ লঙ্ঘন করে ওমান উপসাগর দিয়ে ইরানের এক বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। মার্কিন বাহিনীর বারবার দেওয়া সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান বাংলাদেশ। সেই সূত্রে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। তবে এর বাইরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে ভারতের পক্ষ থেকে দ্বিপাক্ষিক সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
১ দিন আগে