
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

স্পেনের স্বশাসিত অঞ্চল সেউতায় মরক্কো থেকে অভিবাসীদের নজিরবিহীন ঢলের ঘটনায় উপকূল থেকে আরও পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্প্যানিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর ফলে সেখানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৭২ জনে পৌঁছেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের জানানো প্রাণহানির এ সংখ্যা মরক্কো সরকারের ঘোষিত মৃত্যুর সংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি। মরক্কোর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোববার (২ আগস্ট) এখন পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। স্পেনের জানানো প্রাণহানির খবরগুলোও তারা যাচাই করে দেখছে বলে জানিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এই অভিবাসী ঢলে স্থল ও সমুদ্রপথে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও আফ্রিকার মধ্যে মাত্র দুটি স্থলসীমান্তের একটি। এ অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসীর ঢলের এটিই সবচেয়ে বড় ঘটনা।
স্পেনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এর মধ্যে ৪৮ হাজারের বেশি মানুষকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মরক্কোয় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সপ্তাহান্তেও ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত ছিল।
সেউতায় স্পেন সরকারের প্রতিনিধি মিগেল অ্যাঞ্জেল পেরেজ জানান, নিহতদের পাশাপাশি এক হাজারের বেশি মানুষ সেখানে চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হলেও স্বাভাবিক অবস্থা পুরোপুরি ফিরিয়ে আনতে এখনো কাজ চলছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও কর্মকর্তাদের তথ্য, অনেক অভিবাসী সমুদ্রে ডুবে মারা যান। আবার অনেকে ব্রেকওয়াটার ও সীমান্তের বেড়া টপকে প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে পদদলিত বা চাপা পড়ে প্রাণ হারান। অর্থনৈতিক সংকট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য অনেককে এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় উদ্বুদ্ধ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মরক্কোর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভুল তথ্য, মানবপাচারকারী চক্রের তৎপরতা এবং সমুদ্রে আটক অভিবাসীদের তাৎক্ষণিক ফেরত পাঠানো নিয়ে স্পেনের একটি আদালতের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা এই অভিবাসী ঢলের অন্যতম কারণ। স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও একই ধরনের মন্তব্য করেছে।
এদিকে সেউতার স্থানীয় নেতা হুয়ান জেসুস ভিভাস স্প্যানিশ দৈনিক এল পাইসকে জানান, শহরের মর্গে মোট ৮৮টি মরদেহ আনা হয়েছে। এর মধ্যে সাম্প্রতিক ঢলের আগে রাতের অন্ধকারে সাঁতরে সেউতায় প্রবেশের পৃথক কয়েকটি চেষ্টায় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহও রয়েছে। পাশাপাশি মরক্কোর কর্তৃপক্ষও সমুদ্র থেকে আরও মরদেহ উদ্ধার করছে বলে তিনি জানান, যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেউতায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। শনিবার উপকূলে ৫০০ মিটার দীর্ঘ ভাসমান প্রতিবন্ধকও স্থাপন করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২২টি সদস্য দেশ যৌথভাবে বহির্সীমান্ত সুরক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ইতালি এক মাসের জন্য স্পেনের সঙ্গে শেনজেন অঞ্চলের পাসপোর্টবিহীন ভ্রমণ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
স্পেন সরকার অবশ্য দাবি করেছে, অনিয়মিতভাবে সেউতায় প্রবেশকারীরা মূল ভূখণ্ড স্পেন বা শেনজেন অঞ্চলের অন্য কোনো দেশে যেতে পারবেন না। তাই দেশটির সাম্প্রতিক অভিবাসী বৈধকরণ কর্মসূচিই এই ঢলের কারণ— এমন অভিযোগও তারা নাকচ করেছে।

স্পেনের স্বশাসিত অঞ্চল সেউতায় মরক্কো থেকে অভিবাসীদের নজিরবিহীন ঢলের ঘটনায় উপকূল থেকে আরও পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্প্যানিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর ফলে সেখানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৭২ জনে পৌঁছেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের জানানো প্রাণহানির এ সংখ্যা মরক্কো সরকারের ঘোষিত মৃত্যুর সংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি। মরক্কোর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোববার (২ আগস্ট) এখন পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। স্পেনের জানানো প্রাণহানির খবরগুলোও তারা যাচাই করে দেখছে বলে জানিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এই অভিবাসী ঢলে স্থল ও সমুদ্রপথে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও আফ্রিকার মধ্যে মাত্র দুটি স্থলসীমান্তের একটি। এ অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসীর ঢলের এটিই সবচেয়ে বড় ঘটনা।
স্পেনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এর মধ্যে ৪৮ হাজারের বেশি মানুষকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মরক্কোয় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সপ্তাহান্তেও ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত ছিল।
সেউতায় স্পেন সরকারের প্রতিনিধি মিগেল অ্যাঞ্জেল পেরেজ জানান, নিহতদের পাশাপাশি এক হাজারের বেশি মানুষ সেখানে চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হলেও স্বাভাবিক অবস্থা পুরোপুরি ফিরিয়ে আনতে এখনো কাজ চলছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও কর্মকর্তাদের তথ্য, অনেক অভিবাসী সমুদ্রে ডুবে মারা যান। আবার অনেকে ব্রেকওয়াটার ও সীমান্তের বেড়া টপকে প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে পদদলিত বা চাপা পড়ে প্রাণ হারান। অর্থনৈতিক সংকট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য অনেককে এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় উদ্বুদ্ধ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মরক্কোর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভুল তথ্য, মানবপাচারকারী চক্রের তৎপরতা এবং সমুদ্রে আটক অভিবাসীদের তাৎক্ষণিক ফেরত পাঠানো নিয়ে স্পেনের একটি আদালতের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা এই অভিবাসী ঢলের অন্যতম কারণ। স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও একই ধরনের মন্তব্য করেছে।
এদিকে সেউতার স্থানীয় নেতা হুয়ান জেসুস ভিভাস স্প্যানিশ দৈনিক এল পাইসকে জানান, শহরের মর্গে মোট ৮৮টি মরদেহ আনা হয়েছে। এর মধ্যে সাম্প্রতিক ঢলের আগে রাতের অন্ধকারে সাঁতরে সেউতায় প্রবেশের পৃথক কয়েকটি চেষ্টায় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহও রয়েছে। পাশাপাশি মরক্কোর কর্তৃপক্ষও সমুদ্র থেকে আরও মরদেহ উদ্ধার করছে বলে তিনি জানান, যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেউতায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। শনিবার উপকূলে ৫০০ মিটার দীর্ঘ ভাসমান প্রতিবন্ধকও স্থাপন করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২২টি সদস্য দেশ যৌথভাবে বহির্সীমান্ত সুরক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ইতালি এক মাসের জন্য স্পেনের সঙ্গে শেনজেন অঞ্চলের পাসপোর্টবিহীন ভ্রমণ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
স্পেন সরকার অবশ্য দাবি করেছে, অনিয়মিতভাবে সেউতায় প্রবেশকারীরা মূল ভূখণ্ড স্পেন বা শেনজেন অঞ্চলের অন্য কোনো দেশে যেতে পারবেন না। তাই দেশটির সাম্প্রতিক অভিবাসী বৈধকরণ কর্মসূচিই এই ঢলের কারণ— এমন অভিযোগও তারা নাকচ করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা অনেক বাড়িতে আগুন দিয়েছে। এর মধ্যে একটি বাড়িতে আগুন দিলে পরিবারের সদস্যরা বের হতে পারেননি। ঘরে বন্দি হয়ে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় ওই বাড়িতে থাকা ছয়জনের।
২ ঘণ্টা আগে
আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত ‘স্টেট অব ওয়ার্কিং ইন্ডিয়া ২০২৬’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী স্নাতকের সংখ্যা ১৯৮৩ সালের ৫০ লাখ থেকে বেড়ে এখন ছয় কোটি ৩০ লাখে পৌঁছেছে। একই সময়ে বেকার স্নাতকের সংখ্যা সাত লাখ থেকে বেড়ে হয়েছে প্রায় এক কোটি ১০ লাখ। অর্থাৎ চার দশকে স্নাতকের সংখ্যা ১৩ গুণ
২ ঘণ্টা আগে
শ্রীলঙ্কা পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সঞ্জীবা মেদাওয়াত্তে সাংবাদিকদের জানান, 'সেনাবাহিনী ও এসটিএফ কমান্ডোদের যৌথ সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং বন্দিদের আবার তাদের কক্ষে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।'
২১ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে ১৫ দফার একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করে। ওই প্রস্তাবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ধাপে ধাপে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের কথা বলা হয়। তবে প্রস্তাবটি এখনও মাঠপর্যায়ে আলোর মুখ দেখেনি।
১ দিন আগে