
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লেবাননে চলমান সংঘাতের অবসান ও ইরানের সঙ্গে বৈরী সম্পর্কের ইতি টানতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যখন আলোচনা চলছিল, ঠিক তখনই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক ফোনালাপে তার সঙ্গে উচ্চবাচ্য ও ‘পাগল’ বলে সম্বোধন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বুধবার (৩ জুন) ‘পড ফোর্স ওয়ান’ পডকাস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের একটি রিপোর্টের বরাত দিয়ে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল— তিনি সত্যিই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে অত্যন্ত কড়া ভাষায় ‘পাগল’ (Effing crazy) বলেছিলেন কি না এবং তার বিরুদ্ধে অকৃতজ্ঞতার অভিযোগ এনেছিলেন কি না।
ট্রাম্প এর জবাবে সরাসরি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি বলেছিলাম।’ ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অবশ্য কিছুটা নরম সুরে বলেন, ‘আমি ঠিক রাগান্বিত ছিলাম, তা বলব না। তবে লেবাননের সঙ্গে তার (নেতানিয়াহু) এই অনবরত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মনোভাব দেখে আমি কিছুটা ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত হয়েছিলাম।’
ট্রাম্প অবশ্য আরও দাবি করেন, এ ঘটনার পরও নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুবই ভালো।
এর আগে অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল, গত সোমবার (১ জুন) এক ফোনালাপে নেতানিয়াহুর উদ্দেশে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘তুমি একটা আস্ত পাগল। আমি যদি না থাকতাম তবে তুমি এতদিনে কারাগারে থাকতে। আমি তোমার পিঠ বাঁচাচ্ছি। অথচ এ যুদ্ধের কারণে এখন সবাই তোমাকে ঘৃণা করে। এ পরিস্থিতির জন্য সবাই এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করছে।’
এ বিষয়ে বুধবারের সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ফোনালাপের একপর্যায়ে আমি বলেছিলাম— বিবি (নেতানিয়াহুর ডাকনাম), আমাদের এবার এটা থামাতে হবে। আমাদের এই যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে।’
অ্যাক্সিওসের ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ইসরায়েলের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো কিছু সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, দুই নেতার এই উত্তেজনাকে যতটা বড় করে দেখা হচ্ছে, বিষয়টি আসলে ততটা গুরুতর নয়। অন্যদিকে ট্রাম্পের এই স্বীকারোক্তির পর নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকেও কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন, তা অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তেহরান। ইরানের স্পষ্ট বক্তব্য, এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। গত মার্চ মাসে ইরান ঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে দমনের লক্ষ্যে লেবাননে স্থল অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।
গত সোমবার মার্কিন মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা ঘোষণা করা হয়, যার অধীনে ইসরায়েল বৈরুতের হিজবুল্লাহ নিয়ন্ত্রিত দক্ষিণ শহরতলিতে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকতে সম্মত হয় এবং হিজবুল্লাহও তাদের রকেট হামলা বন্ধ করতে রাজি হয়। কিন্তু এ সমঝোতার পরও মাঠপর্যায়ে সহিংসতা থামেনি।
লেবাননের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, বুধবারও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন এবং বৈরুতের ঠিক দক্ষিণে একটি গাড়িকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী দাবি করেছে, হিজবুল্লাহর ছোড়া একটি ড্রোন তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে।
‘পড ফোর্স ওয়ান’ পডকাস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল— নেতানিয়াহু তাকে ‘প্রতারণা’ বা কৌশলে ইরান আক্রমণে প্ররোচিত করেছেন কি না। এই প্রশ্নে বেশ ক্ষুব্ধ হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি তার সমালোচকদের ‘শত্রু’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধটা আমি নিজেই শুরু করেছি। আমি এটা শুরু করেছি কারণ আমরা কোনোভাবেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দিতে পারি না।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘এই বিষয়টি ইসরায়েলের সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত। কারণ ইরান পরমাণু অস্ত্র পেলে সম্ভবত ইসরায়েলই প্রথম আক্রান্ত হতো। তখন ইসরায়েল নামের কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্বই থাকত না। আমি পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, আমি যদি না থাকতাম, তবে আজ মানচিত্রে ইসরায়েল থাকত না।’
ট্রাম্প তার আগের মেয়াদের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, ২০১৫ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং বিশ্বের অন্য পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে ইরানের যে পারমাণবিক চুক্তি হয়েছিল, তা থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে নিয়ে তিনি সঠিক কাজই করেছিলেন। ওই চুক্তির আওতায় তেহরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে রাজি হয়েছিল।
২০১৮ সালে ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর ইরান পুনরায় তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি জোরদার করে এবং প্রায় পারমাণবিক অস্ত্রমানের কাছাকাছি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশাল মজুত গড়ে তোলে। ট্রাম্প এখন ইরানকে সেই মজুত ত্যাগ করার দাবি জানাচ্ছেন। তবে ট্রাম্পের সমালোচকদের মতে, ইরান এখন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অনেক কাছাকাছি পৌঁছে গেছে এবং ট্রাম্পের জন্য এখন আগের চেয়ে ভালো কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো বেশ কঠিন হবে।
ইসরায়েল বা দেশটির নেতৃত্ব নিয়ে ট্রাম্পের মুখ থেকে এমন কড়া বা আপত্তিকর ভাষা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও গত বছর এক জনসভায় প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইসরায়েল এবং ইরান— কোনো পক্ষই আসলে কী করছে, তা তারা নিজেরাও জানে না।

লেবাননে চলমান সংঘাতের অবসান ও ইরানের সঙ্গে বৈরী সম্পর্কের ইতি টানতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যখন আলোচনা চলছিল, ঠিক তখনই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক ফোনালাপে তার সঙ্গে উচ্চবাচ্য ও ‘পাগল’ বলে সম্বোধন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বুধবার (৩ জুন) ‘পড ফোর্স ওয়ান’ পডকাস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের একটি রিপোর্টের বরাত দিয়ে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল— তিনি সত্যিই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে অত্যন্ত কড়া ভাষায় ‘পাগল’ (Effing crazy) বলেছিলেন কি না এবং তার বিরুদ্ধে অকৃতজ্ঞতার অভিযোগ এনেছিলেন কি না।
ট্রাম্প এর জবাবে সরাসরি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি বলেছিলাম।’ ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অবশ্য কিছুটা নরম সুরে বলেন, ‘আমি ঠিক রাগান্বিত ছিলাম, তা বলব না। তবে লেবাননের সঙ্গে তার (নেতানিয়াহু) এই অনবরত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মনোভাব দেখে আমি কিছুটা ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত হয়েছিলাম।’
ট্রাম্প অবশ্য আরও দাবি করেন, এ ঘটনার পরও নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুবই ভালো।
এর আগে অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল, গত সোমবার (১ জুন) এক ফোনালাপে নেতানিয়াহুর উদ্দেশে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘তুমি একটা আস্ত পাগল। আমি যদি না থাকতাম তবে তুমি এতদিনে কারাগারে থাকতে। আমি তোমার পিঠ বাঁচাচ্ছি। অথচ এ যুদ্ধের কারণে এখন সবাই তোমাকে ঘৃণা করে। এ পরিস্থিতির জন্য সবাই এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করছে।’
এ বিষয়ে বুধবারের সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ফোনালাপের একপর্যায়ে আমি বলেছিলাম— বিবি (নেতানিয়াহুর ডাকনাম), আমাদের এবার এটা থামাতে হবে। আমাদের এই যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে।’
অ্যাক্সিওসের ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ইসরায়েলের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো কিছু সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, দুই নেতার এই উত্তেজনাকে যতটা বড় করে দেখা হচ্ছে, বিষয়টি আসলে ততটা গুরুতর নয়। অন্যদিকে ট্রাম্পের এই স্বীকারোক্তির পর নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকেও কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন, তা অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তেহরান। ইরানের স্পষ্ট বক্তব্য, এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। গত মার্চ মাসে ইরান ঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে দমনের লক্ষ্যে লেবাননে স্থল অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।
গত সোমবার মার্কিন মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা ঘোষণা করা হয়, যার অধীনে ইসরায়েল বৈরুতের হিজবুল্লাহ নিয়ন্ত্রিত দক্ষিণ শহরতলিতে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকতে সম্মত হয় এবং হিজবুল্লাহও তাদের রকেট হামলা বন্ধ করতে রাজি হয়। কিন্তু এ সমঝোতার পরও মাঠপর্যায়ে সহিংসতা থামেনি।
লেবাননের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, বুধবারও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন এবং বৈরুতের ঠিক দক্ষিণে একটি গাড়িকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী দাবি করেছে, হিজবুল্লাহর ছোড়া একটি ড্রোন তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে।
‘পড ফোর্স ওয়ান’ পডকাস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল— নেতানিয়াহু তাকে ‘প্রতারণা’ বা কৌশলে ইরান আক্রমণে প্ররোচিত করেছেন কি না। এই প্রশ্নে বেশ ক্ষুব্ধ হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি তার সমালোচকদের ‘শত্রু’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধটা আমি নিজেই শুরু করেছি। আমি এটা শুরু করেছি কারণ আমরা কোনোভাবেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দিতে পারি না।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘এই বিষয়টি ইসরায়েলের সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত। কারণ ইরান পরমাণু অস্ত্র পেলে সম্ভবত ইসরায়েলই প্রথম আক্রান্ত হতো। তখন ইসরায়েল নামের কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্বই থাকত না। আমি পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, আমি যদি না থাকতাম, তবে আজ মানচিত্রে ইসরায়েল থাকত না।’
ট্রাম্প তার আগের মেয়াদের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, ২০১৫ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং বিশ্বের অন্য পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে ইরানের যে পারমাণবিক চুক্তি হয়েছিল, তা থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে নিয়ে তিনি সঠিক কাজই করেছিলেন। ওই চুক্তির আওতায় তেহরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে রাজি হয়েছিল।
২০১৮ সালে ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর ইরান পুনরায় তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি জোরদার করে এবং প্রায় পারমাণবিক অস্ত্রমানের কাছাকাছি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশাল মজুত গড়ে তোলে। ট্রাম্প এখন ইরানকে সেই মজুত ত্যাগ করার দাবি জানাচ্ছেন। তবে ট্রাম্পের সমালোচকদের মতে, ইরান এখন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অনেক কাছাকাছি পৌঁছে গেছে এবং ট্রাম্পের জন্য এখন আগের চেয়ে ভালো কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো বেশ কঠিন হবে।
ইসরায়েল বা দেশটির নেতৃত্ব নিয়ে ট্রাম্পের মুখ থেকে এমন কড়া বা আপত্তিকর ভাষা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও গত বছর এক জনসভায় প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইসরায়েল এবং ইরান— কোনো পক্ষই আসলে কী করছে, তা তারা নিজেরাও জানে না।

সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ইয়েমেন সীমান্তের কাছে অবস্থিত জিজানে প্রতিদিন প্রায় ৪ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের সক্ষমতাসম্পন্ন একটি বড় শোধনাগার রয়েছে। গত জুলাই থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে হুতিদের সংঘাত আবার তীব্র হয়েছে। এর আগে জিজান ও ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
হামলার আগে শহরটিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে অনলাইনে কোনো সরিয়ে নেওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। হামলার বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্নের তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। হামলার স্থানে চিকিৎসাকর্মী ও শিশুরা থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিল কি না এবং কেন কোনো সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়নি— এ
১ দিন আগে
বাংলাভাষী ভারতীয় মুসলিম নারী মুমতাজ বেগমকে নিয়ম না মেনে জোর করে (পুশ ইন) বাংলাদেশে পাঠানোর ঘটনায় আসাম সরকারকে ২ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন গুয়াহাটি হাইকোর্ট। এ ঘটনায় কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে নির্বাসনের জন্য প্রথমবার রাজ্য সরকারের ওপর ক্ষতিপূরণের দায় চাপাল আদালত।
১ দিন আগে
ইরানের এ ঘোষণা এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমুদ্রপথে সরাসরি সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার পর। গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র তিনটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ ও এর আশপাশে কয়েকটি জাহাজে পালটা হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এস
১ দিন আগে