
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, গাজা ভূখণ্ডে দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে হামাস ও ইসরায়েল। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। চুক্তির অংশ হিসেবে হামাস ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে মুক্তি পেতে যাওয়া ফিলিস্তিনি বন্দীদের তালিকা ইসরায়েলের কাছে জমা দিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও চুক্তিকে স্বাগত জানালেও সেনাদেরকে প্রতিরক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বলেছেন, ইসরায়েল ও হামাস আমাদের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে ‘স্বাক্ষর করেছে’।
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘এটি আরব ও মুসলিম বিশ্ব, ইসরায়েল, আশপাশের সব দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি মহান দিন। আমরা কাতার, মিশর ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের ধন্যবাদ জানাই, যাঁরা আমাদের সঙ্গে কাজ করেছেন এই ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন ঘটনা সম্ভব করার জন্য। শান্তির দূতেরা ধন্য হোক!’
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরকে ‘স্বাগত’ জানায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে, সেনাপ্রধান ইয়াল জামির সব বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন শক্ত প্রতিরক্ষার প্রস্তুতি নিতে এবং যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে।
পোস্টে আরও বলা হয়েছে, একই সঙ্গে সেনাপ্রধান অপহৃতদের উদ্ধার অভিযানে প্রস্তুতি নিতে বলেছেন সৈন্যদের। এই অভিযান সংবেদনশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিচালনার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এদিকে হামাস জানিয়েছে, তারা চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে যেসব ফিলিস্তিনির মুক্তি চায়, তাদের একটি তালিকা তেল আবিবকে দিয়েছে।
টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি সংগঠনটি জানিয়েছে, তারা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ‘ফিলিস্তিনি বন্দীদের তালিকা’ ইসরায়েলের কাছে জমা দিয়েছে।
হামাস জানিয়েছে, তারা এখন ‘চূড়ান্তভাবে নামগুলোর অনুমোদনের অপেক্ষায়’ আছে। এরপর বন্দীদের গণমাধ্যম দপ্তরের মাধ্যমে সেগুলো প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, গাজা ভূখণ্ডে দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে হামাস ও ইসরায়েল। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। চুক্তির অংশ হিসেবে হামাস ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে মুক্তি পেতে যাওয়া ফিলিস্তিনি বন্দীদের তালিকা ইসরায়েলের কাছে জমা দিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও চুক্তিকে স্বাগত জানালেও সেনাদেরকে প্রতিরক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বলেছেন, ইসরায়েল ও হামাস আমাদের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে ‘স্বাক্ষর করেছে’।
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘এটি আরব ও মুসলিম বিশ্ব, ইসরায়েল, আশপাশের সব দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি মহান দিন। আমরা কাতার, মিশর ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের ধন্যবাদ জানাই, যাঁরা আমাদের সঙ্গে কাজ করেছেন এই ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন ঘটনা সম্ভব করার জন্য। শান্তির দূতেরা ধন্য হোক!’
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরকে ‘স্বাগত’ জানায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে, সেনাপ্রধান ইয়াল জামির সব বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন শক্ত প্রতিরক্ষার প্রস্তুতি নিতে এবং যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে।
পোস্টে আরও বলা হয়েছে, একই সঙ্গে সেনাপ্রধান অপহৃতদের উদ্ধার অভিযানে প্রস্তুতি নিতে বলেছেন সৈন্যদের। এই অভিযান সংবেদনশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিচালনার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এদিকে হামাস জানিয়েছে, তারা চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে যেসব ফিলিস্তিনির মুক্তি চায়, তাদের একটি তালিকা তেল আবিবকে দিয়েছে।
টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি সংগঠনটি জানিয়েছে, তারা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ‘ফিলিস্তিনি বন্দীদের তালিকা’ ইসরায়েলের কাছে জমা দিয়েছে।
হামাস জানিয়েছে, তারা এখন ‘চূড়ান্তভাবে নামগুলোর অনুমোদনের অপেক্ষায়’ আছে। এরপর বন্দীদের গণমাধ্যম দপ্তরের মাধ্যমে সেগুলো প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হবে।

আইআরজিসি এক বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত এমন ১৮টি মার্কিন কোম্পানির নাম উল্লেখ করেছে। মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যাপল, ইন্টেল, আইবিএম, টেসলা ও বোয়িংয়ের মতো সব জায়ান্ট রয়েছে এ তালিকায়।
১৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬ শতাংশ) মানুষ মনে করছেন, ইরানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য পূর্ণ না হলেও দেশটির উচিত দ্রুত এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা। রয়টার্স-ইপসোসের জরিপে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে আমিরাত হবে প্রথম দেশ, যারা এই সরাসরি সংঘাতে যুক্ত হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই জোট থেকে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কী সুবিধা পাচ্ছে, তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন। রুবিওর ভাষায়, 'এই সম্পর্ক আমাদের জন্য কতটা কার্যকর—তা নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।'
১৯ ঘণ্টা আগে