
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন ইসরায়েলিরা। তবে তা সত্ত্বেও তারা ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের চলমান যুদ্ধে কোনো বিরতি চান না তারা। কারণ তারা মনে করছেন, এখন পর্যন্ত ইরান বা লেবাননের হিজবুল্লাহ— কেউই দুর্বল হয়নি।
তবে ট্রাম্প যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন তারা মেনে চলা উচিত কি না— তা নিয়ে বিভক্তি দেখা দিয়েছে ইসরায়েলিদের মধ্যে। তাছাড়া ইরান যুদ্ধ শুরুর পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর পক্ষে সমর্থনের হার কমে এসেছে।
বিবিসি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত এক জরিপে উঠে এসেছে এমন তথ্য। জরিপের ফলাফলে ইসারয়েলের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করেছেন।
জরিপকারীরা জানিয়েছেন, গত ৯ ও ১০ এপ্রিল এ জরিপ চালানো হয়। এতে অংশ নিয়েছেন এক হাজার ৩১২ জন ইসরায়েলি নাগরিক। এর মধ্যে এক হাজার ৮৪ জন ইহুদি, ২২৮ জন আরব।
জরিপে অংশ নেওয়া অধিকাংশ মানুষই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরান বা লেবাননের হিজবুল্লাহ কোনোটিই এখনো গুরুতরভাবে দুর্বল হয়নি বলে তারা মনে করেন। জরিপে অংশ নেওয়া ৬১ শতাংশ ইসরায়েলিই বলেছেন, যুদ্ধবিরতি আরও বর্ধিত হোক— এমনটি তারা চান না।
এদিকে প্রায় ৩৯ দশমিক পাঁচ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তারা মনে করেন যে তেহরানের ওপর হামলা অব্যাহত রাখা উচিত। অন্যদিকে ৪১ দশমিক চার শতাংশ মনে করেন, যুদ্ধবিরতি মেনে চলা উচিত।
নিজেদের বর্তমান অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে এক-তৃতীয়াংশ উত্তরদাতা ‘হতাশা’র কথা জানিয়েছেন। এ ছাড়া বড় একটি অংশই ‘বিভ্রান্ত’ ও ‘রাগান্বিত’ বলে জানিয়েছেন। ‘আশান্বিত’— এমন অনুভূতি এসেছে চতুর্থ স্থানে।
এদিকে ইরান যুদ্ধের আগে এক জরিপে উঠে এসেছিল, ৪০ শতাংশ ইসরায়েলি তাদের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সমর্থন করেন। যুদ্ধ শুরুর পর এখন সে সমর্থন নেমে এসেছে ৩৪ শতাংশে।

চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন ইসরায়েলিরা। তবে তা সত্ত্বেও তারা ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের চলমান যুদ্ধে কোনো বিরতি চান না তারা। কারণ তারা মনে করছেন, এখন পর্যন্ত ইরান বা লেবাননের হিজবুল্লাহ— কেউই দুর্বল হয়নি।
তবে ট্রাম্প যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন তারা মেনে চলা উচিত কি না— তা নিয়ে বিভক্তি দেখা দিয়েছে ইসরায়েলিদের মধ্যে। তাছাড়া ইরান যুদ্ধ শুরুর পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর পক্ষে সমর্থনের হার কমে এসেছে।
বিবিসি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত এক জরিপে উঠে এসেছে এমন তথ্য। জরিপের ফলাফলে ইসারয়েলের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করেছেন।
জরিপকারীরা জানিয়েছেন, গত ৯ ও ১০ এপ্রিল এ জরিপ চালানো হয়। এতে অংশ নিয়েছেন এক হাজার ৩১২ জন ইসরায়েলি নাগরিক। এর মধ্যে এক হাজার ৮৪ জন ইহুদি, ২২৮ জন আরব।
জরিপে অংশ নেওয়া অধিকাংশ মানুষই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরান বা লেবাননের হিজবুল্লাহ কোনোটিই এখনো গুরুতরভাবে দুর্বল হয়নি বলে তারা মনে করেন। জরিপে অংশ নেওয়া ৬১ শতাংশ ইসরায়েলিই বলেছেন, যুদ্ধবিরতি আরও বর্ধিত হোক— এমনটি তারা চান না।
এদিকে প্রায় ৩৯ দশমিক পাঁচ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তারা মনে করেন যে তেহরানের ওপর হামলা অব্যাহত রাখা উচিত। অন্যদিকে ৪১ দশমিক চার শতাংশ মনে করেন, যুদ্ধবিরতি মেনে চলা উচিত।
নিজেদের বর্তমান অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে এক-তৃতীয়াংশ উত্তরদাতা ‘হতাশা’র কথা জানিয়েছেন। এ ছাড়া বড় একটি অংশই ‘বিভ্রান্ত’ ও ‘রাগান্বিত’ বলে জানিয়েছেন। ‘আশান্বিত’— এমন অনুভূতি এসেছে চতুর্থ স্থানে।
এদিকে ইরান যুদ্ধের আগে এক জরিপে উঠে এসেছিল, ৪০ শতাংশ ইসরায়েলি তাদের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সমর্থন করেন। যুদ্ধ শুরুর পর এখন সে সমর্থন নেমে এসেছে ৩৪ শতাংশে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশ হিসেবে দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছে অস্ট্রিয়া, পর্তুগাল, জিম্বাবুয়ে, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং কিরগিজস্তান। ইউরোপ অঞ্চল থেকে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও হেরে গেছে প্রভাবশালী দেশ জার্মানি।
১৭ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বৃগস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা একটি জরুরি ফোন পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আইসিইউ থেকে প্রায় ২০ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং বাকি রোগীদের নিকটবর্তী হাসপাতালগুলোতে ভর্তি করা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবটিতে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া চলমান ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়। যদিও এই প্রস্তাব আইনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ এটি কার্যকর হতে হলে সিনেটেও পাস হয়ে আসতে হবে। ট্রাম্পের সম্ভাব্য ভেটো অতিক্রম করতে উভয় কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
তবে চলমান সংঘাতের মধ্যেই এই আলোচনাকে টেকসই শান্তির দিকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আগামী ২২ জুনের পর দুই পক্ষ আবারও পরবর্তী দফার আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসবে।
২১ ঘণ্টা আগে