
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র দিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে ইউরোপীয় দেশগুলো। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে ট্রাম্পের কাছে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি তুলবেন বলে জানিয়েছেন।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ২৪ আগস্ট ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে কিয়েভ সফর করেন বার্নহ্যাম। সেখানে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি বলেন, ইউক্রেনের জন্য আরও প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর প্রয়োজন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের এ বিষয়ে আরও সক্রিয় হতে হবে। রাশিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় প্রয়োজনগুলোর একটি এখন উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
বার্নহ্যাম জানান, আগামী সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় তিনি ইউরোপের অন্য নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের কাছে ইউক্রেনের জন্য প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত থেকে সরবরাহ বাড়ানোর অনুরোধ জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি হবে তার প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর।
রাশিয়া গত কয়েক মাসে ইউক্রেনের শহর, জ্বালানি অবকাঠামো ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে। এসব হামলা ঠেকাতে ইউক্রেনের হাতে থাকা সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থাগুলোর একটি হলো মার্কিন তৈরি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
কিন্তু প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থার মূল সীমাবদ্ধতা হলো— এর ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত সীমিত এবং এগুলো দ্রুত পুনরায় সরবরাহ করা কঠিন। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় তাদের আরও প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর প্রয়োজন। জেলেনস্কি এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সরাসরি আরও ক্ষেপণাস্ত্র চেয়েছেন এবং ইউক্রেনের নিজস্ব উৎপাদনের অনুমতিও চেয়েছেন।
মঙ্গলবার জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেন সম্প্রতি প্যাট্রিয়টের জন্য কিছু ক্ষেপণাস্ত্র পেয়েছে। একই সঙ্গে নরওয়ে ও অন্যান্য অংশীদারের সহায়তায় আরও আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাওয়ার কথাও জানান তিনি। তবে তার বক্তব্য, এর সরবরাহ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম এবং আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র দরকার।
ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট দেওয়ার প্রশ্নে ইউরোপের চাপ বাড়লেও ওয়াশিংটনের অবস্থান পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। জুলাইয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর তৈরির লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে। তখন তিনি বলেছিলেন, ইউক্রেনকে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র তাৎক্ষণিকভাবেও দেওয়া যেতে পারে।
কিন্তু পরবর্তী সময়ে ট্রাম্পের অবস্থানে সংশয় দেখা দেয়। ৩১ জুলাই তিনি জানান, ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি এখনো দেওয়া হয়নি। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কারণ এটি সংবেদনশীল মার্কিন প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত।
তবে রয়টার্সের আগস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের সংশয় সত্ত্বেও ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর উৎপাদনের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সম্ভাব্য এই চুক্তির পাশাপাশি ইউক্রেন দীর্ঘমেয়াদে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র কেনা এবং উৎপাদন লাইনে অন্য ক্রেতাদের সঙ্গে অবস্থান অদলবদলের মতো বিকল্প নিয়েও আলোচনা করছে।
প্যাট্রিয়ট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমাতে ইউরোপও ইউক্রেনের নিজস্ব প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। কিয়েভ সফরের সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম ইউক্রেনকে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তিগত তথ্য দেওয়ার ঘোষণা দেন। ব্রিটেনের পক্ষ থেকে কিছু শ্রেণিবদ্ধ তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে ইউক্রেনকে নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এটি ইউক্রেনের যুদ্ধকৌশলে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত। এতদিন পশ্চিমা দেশগুলোর সরবরাহ করা অস্ত্রের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করলেও এখন কিয়েভ নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পকে দ্রুত সম্প্রসারণ করতে চাইছে। তবে প্যাট্রিয়টের মতো অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিজ দেশে উৎপাদন শুরু করতে সময় লাগবে। ফলে তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিদ্যমান মজুত থেকেই ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়ার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে ইউক্রেনকে।
ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসে কিয়েভে জড়ো হয়ে ব্রিটেন ও ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় নেতারা দেশটির প্রতি আরও সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের কথাও বলা হয়েছে।
তবে মস্কো ইউরোপের এই উদ্যোগকে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে। রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ পশ্চিমা নেতাদের সমালোচনা করে বলেছেন, তারা সংঘাত বন্ধের পরিবর্তে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নীতি অনুসরণ করছেন।
এদিকে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতিও কিয়েভের জন্য চাপের। ইউক্রেনের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সতর্ক করে বলেছেন, কৌশলগত দুর্বলতা, উদ্ভাবনের ঘাটতি এবং কাঠামোগত সমস্যার কারণে ইউক্রেন ধীরে ধীরে যুদ্ধে পিছিয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দিতে দেশটির হাতে মাত্র কয়েক মাসের মতো সময় রয়েছে বলে তার দাবি। তিনি সস্তা ইন্টারসেপ্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ড্রোন এবং নিজস্ব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন।
সব মিলিয়ে প্যাট্রিয়ট এখন ইউক্রেনের জন্য শুধু একটি অস্ত্র নয়, রাশিয়ার আকাশ হামলা মোকাবিলায় যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা। আর সেই সক্ষমতা ধরে রাখতে ইউরোপকে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত থেকে আরও ক্ষেপণাস্ত্র আদায় করতে হচ্ছে। সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপীয় নেতাদের সম্ভাব্য বৈঠক তাই ইউক্রেন যুদ্ধের পরবর্তী পর্যায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র দিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে ইউরোপীয় দেশগুলো। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে ট্রাম্পের কাছে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি তুলবেন বলে জানিয়েছেন।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ২৪ আগস্ট ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে কিয়েভ সফর করেন বার্নহ্যাম। সেখানে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি বলেন, ইউক্রেনের জন্য আরও প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর প্রয়োজন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের এ বিষয়ে আরও সক্রিয় হতে হবে। রাশিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় প্রয়োজনগুলোর একটি এখন উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
বার্নহ্যাম জানান, আগামী সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় তিনি ইউরোপের অন্য নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের কাছে ইউক্রেনের জন্য প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত থেকে সরবরাহ বাড়ানোর অনুরোধ জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি হবে তার প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর।
রাশিয়া গত কয়েক মাসে ইউক্রেনের শহর, জ্বালানি অবকাঠামো ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে। এসব হামলা ঠেকাতে ইউক্রেনের হাতে থাকা সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থাগুলোর একটি হলো মার্কিন তৈরি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
কিন্তু প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থার মূল সীমাবদ্ধতা হলো— এর ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত সীমিত এবং এগুলো দ্রুত পুনরায় সরবরাহ করা কঠিন। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় তাদের আরও প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর প্রয়োজন। জেলেনস্কি এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সরাসরি আরও ক্ষেপণাস্ত্র চেয়েছেন এবং ইউক্রেনের নিজস্ব উৎপাদনের অনুমতিও চেয়েছেন।
মঙ্গলবার জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেন সম্প্রতি প্যাট্রিয়টের জন্য কিছু ক্ষেপণাস্ত্র পেয়েছে। একই সঙ্গে নরওয়ে ও অন্যান্য অংশীদারের সহায়তায় আরও আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাওয়ার কথাও জানান তিনি। তবে তার বক্তব্য, এর সরবরাহ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম এবং আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র দরকার।
ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট দেওয়ার প্রশ্নে ইউরোপের চাপ বাড়লেও ওয়াশিংটনের অবস্থান পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। জুলাইয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর তৈরির লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে। তখন তিনি বলেছিলেন, ইউক্রেনকে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র তাৎক্ষণিকভাবেও দেওয়া যেতে পারে।
কিন্তু পরবর্তী সময়ে ট্রাম্পের অবস্থানে সংশয় দেখা দেয়। ৩১ জুলাই তিনি জানান, ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি এখনো দেওয়া হয়নি। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কারণ এটি সংবেদনশীল মার্কিন প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত।
তবে রয়টার্সের আগস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের সংশয় সত্ত্বেও ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর উৎপাদনের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সম্ভাব্য এই চুক্তির পাশাপাশি ইউক্রেন দীর্ঘমেয়াদে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র কেনা এবং উৎপাদন লাইনে অন্য ক্রেতাদের সঙ্গে অবস্থান অদলবদলের মতো বিকল্প নিয়েও আলোচনা করছে।
প্যাট্রিয়ট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমাতে ইউরোপও ইউক্রেনের নিজস্ব প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। কিয়েভ সফরের সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম ইউক্রেনকে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তিগত তথ্য দেওয়ার ঘোষণা দেন। ব্রিটেনের পক্ষ থেকে কিছু শ্রেণিবদ্ধ তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে ইউক্রেনকে নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এটি ইউক্রেনের যুদ্ধকৌশলে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত। এতদিন পশ্চিমা দেশগুলোর সরবরাহ করা অস্ত্রের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করলেও এখন কিয়েভ নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পকে দ্রুত সম্প্রসারণ করতে চাইছে। তবে প্যাট্রিয়টের মতো অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিজ দেশে উৎপাদন শুরু করতে সময় লাগবে। ফলে তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিদ্যমান মজুত থেকেই ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়ার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে ইউক্রেনকে।
ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসে কিয়েভে জড়ো হয়ে ব্রিটেন ও ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় নেতারা দেশটির প্রতি আরও সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের কথাও বলা হয়েছে।
তবে মস্কো ইউরোপের এই উদ্যোগকে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে। রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ পশ্চিমা নেতাদের সমালোচনা করে বলেছেন, তারা সংঘাত বন্ধের পরিবর্তে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নীতি অনুসরণ করছেন।
এদিকে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতিও কিয়েভের জন্য চাপের। ইউক্রেনের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সতর্ক করে বলেছেন, কৌশলগত দুর্বলতা, উদ্ভাবনের ঘাটতি এবং কাঠামোগত সমস্যার কারণে ইউক্রেন ধীরে ধীরে যুদ্ধে পিছিয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দিতে দেশটির হাতে মাত্র কয়েক মাসের মতো সময় রয়েছে বলে তার দাবি। তিনি সস্তা ইন্টারসেপ্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ড্রোন এবং নিজস্ব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন।
সব মিলিয়ে প্যাট্রিয়ট এখন ইউক্রেনের জন্য শুধু একটি অস্ত্র নয়, রাশিয়ার আকাশ হামলা মোকাবিলায় যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা। আর সেই সক্ষমতা ধরে রাখতে ইউরোপকে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত থেকে আরও ক্ষেপণাস্ত্র আদায় করতে হচ্ছে। সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপীয় নেতাদের সম্ভাব্য বৈঠক তাই ইউক্রেন যুদ্ধের পরবর্তী পর্যায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাতে জানিয়েছে, আগুন লাগার সময় নার্সারিতে মোট ১৬ জন নবজাতক ভর্তি ছিল। অগ্নিকাণ্ডের পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হলেও তাদের মধ্যে মাত্র একজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
কাতারের সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার কানাডা সরকার জানিয়েছে—যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা শুল্কের সমপরিমাণ বা ‘ডলার-ফর-ডলার’ নীতিতে পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে তারা। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা এক ডলার শুল্কের বিপরীতে সমানহারে শুল্ক বসাবে কানাডা। একই সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্
১১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ইরান থেকে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কেনা, সংগ্রহ, বিক্রি, পরিবহন বা বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য লেনদেনে জেনেশুনে জড়িত থাকার কারণে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
গ্রিসের অভিবাসনমন্ত্রী থানোস প্লেভরিস অভিবাসীদের আগমন ঠেকাতে কঠোর নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ ছাড়া অভিবাসীদের আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে রিটার্ন হাব স্থাপনের বিষয়েও জার্মানি ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে গ্রিস।
১২ ঘণ্টা আগে