
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েলের প্রধান পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র ডিমোনার কাছে নজিরবিহীন শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, তাদের এই প্রতিশোধমূলক হামলায় দিমোনা ও আরাদ শহরে কয়েকশ’ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। যদিও ইসরায়েলি পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করা হয়নি, তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই পরিস্থিতিকে ‘কঠিন সন্ধ্যা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে সরাসরি লোকালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় ওই এলাকায় বর্তমানে জরুরি অবস্থা বিরাজ করছে।
ইরানের নাতানজ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি বাহিনী।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনা ও আরাদে অবস্থিত প্রধান পরমাণু স্থাপনার কাছাকাছি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়। এতে কয়েকটি আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে। কয়েকশ’ নিহত অথবা আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ভয়াবহ এই হামলার পর আক্রান্ত এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আরাদে ৮৮ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। অন্যদিকে, দিমোনায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুসহ ৩৯ জন আহত হয়েছে। আহত ওই শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কারও নিহতের খবর নিশ্চিত করা হয়নি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই হামলাকে ‘কঠিন সন্ধ্যা’ হিসেবে বর্ণনা করে পুনরায় ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) এক মুখপাত্র জানান, হামলার সময় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল। তবে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা যায়নি।
ইসরায়েলের ফায়ার সার্ভিস জানায়, “দিমোনা ও আরাদে এলাকায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ঠিকঠাক কাজ করেনি। ফলে শত শত কেজি ওজনের ওয়ারহেডযুক্ত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হেনেছে।”
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, দিমোনায় অবস্থিত শিমন পেরেস নেগেভ পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রে কোনও ক্ষতির ইঙ্গিত তারা পায়নি। সেই এলাকায় অস্বাভাবিক বিকিরণ মাত্রাও শনাক্ত হয়নি। সংস্থাটি জানায়, তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের সহায়তায় গোপনে নির্মিত গবেষণা কেন্দ্র চালু হওয়ার পর থেকেই দিমোনা ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচিত। ধারণা করা হয়, ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে ইসরায়েল পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে।
তবে পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে তাদের ‘কৌশলগত অস্পষ্টতার’ নীতির কারণে তাদের অস্ত্রভাণ্ডার সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যায়নি। তেহরানের সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক আবাস আসলানি জানান, ইরান ‘চোখের বদলে চোখ’ কৌশল অনুসরণ করছে, যার লক্ষ্য প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
তিনি বলেন, “তেহরান কথার সঙ্গে কাজের ব্যবধান কমাতে চায়।” তার মতে, ইরানের লক্ষ্য কেবল যুদ্ধবিরতি চাপিয়ে দেওয়া নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কাঠামো প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

ইসরায়েলের প্রধান পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র ডিমোনার কাছে নজিরবিহীন শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, তাদের এই প্রতিশোধমূলক হামলায় দিমোনা ও আরাদ শহরে কয়েকশ’ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। যদিও ইসরায়েলি পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করা হয়নি, তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই পরিস্থিতিকে ‘কঠিন সন্ধ্যা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে সরাসরি লোকালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় ওই এলাকায় বর্তমানে জরুরি অবস্থা বিরাজ করছে।
ইরানের নাতানজ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি বাহিনী।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনা ও আরাদে অবস্থিত প্রধান পরমাণু স্থাপনার কাছাকাছি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়। এতে কয়েকটি আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে। কয়েকশ’ নিহত অথবা আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ভয়াবহ এই হামলার পর আক্রান্ত এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আরাদে ৮৮ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। অন্যদিকে, দিমোনায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুসহ ৩৯ জন আহত হয়েছে। আহত ওই শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কারও নিহতের খবর নিশ্চিত করা হয়নি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই হামলাকে ‘কঠিন সন্ধ্যা’ হিসেবে বর্ণনা করে পুনরায় ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) এক মুখপাত্র জানান, হামলার সময় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল। তবে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা যায়নি।
ইসরায়েলের ফায়ার সার্ভিস জানায়, “দিমোনা ও আরাদে এলাকায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ঠিকঠাক কাজ করেনি। ফলে শত শত কেজি ওজনের ওয়ারহেডযুক্ত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হেনেছে।”
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, দিমোনায় অবস্থিত শিমন পেরেস নেগেভ পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রে কোনও ক্ষতির ইঙ্গিত তারা পায়নি। সেই এলাকায় অস্বাভাবিক বিকিরণ মাত্রাও শনাক্ত হয়নি। সংস্থাটি জানায়, তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের সহায়তায় গোপনে নির্মিত গবেষণা কেন্দ্র চালু হওয়ার পর থেকেই দিমোনা ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচিত। ধারণা করা হয়, ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে ইসরায়েল পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে।
তবে পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে তাদের ‘কৌশলগত অস্পষ্টতার’ নীতির কারণে তাদের অস্ত্রভাণ্ডার সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যায়নি। তেহরানের সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক আবাস আসলানি জানান, ইরান ‘চোখের বদলে চোখ’ কৌশল অনুসরণ করছে, যার লক্ষ্য প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
তিনি বলেন, “তেহরান কথার সঙ্গে কাজের ব্যবধান কমাতে চায়।” তার মতে, ইরানের লক্ষ্য কেবল যুদ্ধবিরতি চাপিয়ে দেওয়া নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা কাঠামো প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইয়েমেন সরকারের চারটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালির কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জেও হুতিরা হামলা চালাচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৭ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
২১ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
২১ ঘণ্টা আগে