
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কাতারের রাজধানী দোহায় একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সদস্য এবং বাকি একজন কাতারের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই হামলায় তাদের শীর্ষ নেতারা অক্ষত আছেন। ইসরায়েলের দাবি, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার পরিকল্পনাকারীদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।
গতকাল ৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে কাতারের আবাসিক এলাকায় বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। হামাসের বিবৃতিতে এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাঠানো খসড়া যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা নিয়ে কাতারের আবাসিক এলাকার যে ভবনে বৈঠকে বসেছিলেন গোষ্ঠীটির নেতারা, সেই ভবনটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে কাতারের রাজধানী দোহার উত্তর কাতারা এলাকায় অভিযান চালায় ইসরায়েলের বিমান বাহিনী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ৮ টি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন তারা।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর আইডিএফের বরাত দিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হামাসের শীর্ষ নেতা ও মুখপাত্র খলিল আল হায়া এবং হামাস পশ্চিম তীর শাখার নেতা জাহের জাবারিনকে হত্যার উদ্দেশে এ হামলা পরিচালনা করা হয়েছিল। কাতারের একটি নির্দিষ্ট আবাসিক ভবনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর ১৫টি যুদ্ধ বিমান এতে অংশ নিয়েছে এবং হামলার ব্যাপ্তি ছিল মাত্র ১০ মিনিট।
এক বিবৃতিতে এ হামলাকে ‘ঘৃণ্য অপরাধ’, ‘নির্লজ্জ আগ্রাসন’ এবং ‘আন্তর্জাতিক আইনের অশালীন লঙ্ঘন’ উল্লেখ করে হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমরা নিশ্চিত করে বলছি যে শত্রুরা আমাদের দলের শীর্ষ নেতৃত্বে থাকা ভাইদের এবং আমাদের আলোচনাকারী দলের সদস্যদের হত্যায় ব্যর্থ হয়েছে।”
“আমাদের আলোচনাকারী প্রতিনিধিরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাঠানো সাম্প্রতি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে যখন আলোচনা করছিলেন, তখন চালানো হয়েছে এ হামলা। এ ঘটনার মাধ্যমে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলো যে নেতানিয়াহু এবং তার নেতৃত্বাধীন সরকার কোনো শান্তি চুক্তিতে তো আসতেই চায় না, উপরন্তু শান্তি স্থাপন সংক্রান্ত যে কোনো উদ্যোগকে তারা বাধা দিতে বদ্ধ পরিকর।”
অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানয়াহু এক বিবৃতিতে বলেছেন, “যারা গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার পরিকল্পনা করেছিল, তাদেরকে লক্ষ্য করে পরিচালিত এই হামলা সম্পূর্ণ ন্যায্য।”
কাতার এই হামলাকে কাপুরুষোচিত বলে নিন্দা জানিয়েছে কাতার।

কাতারের রাজধানী দোহায় একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সদস্য এবং বাকি একজন কাতারের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই হামলায় তাদের শীর্ষ নেতারা অক্ষত আছেন। ইসরায়েলের দাবি, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার পরিকল্পনাকারীদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।
গতকাল ৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে কাতারের আবাসিক এলাকায় বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। হামাসের বিবৃতিতে এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাঠানো খসড়া যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা নিয়ে কাতারের আবাসিক এলাকার যে ভবনে বৈঠকে বসেছিলেন গোষ্ঠীটির নেতারা, সেই ভবনটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে কাতারের রাজধানী দোহার উত্তর কাতারা এলাকায় অভিযান চালায় ইসরায়েলের বিমান বাহিনী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ৮ টি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন তারা।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর আইডিএফের বরাত দিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হামাসের শীর্ষ নেতা ও মুখপাত্র খলিল আল হায়া এবং হামাস পশ্চিম তীর শাখার নেতা জাহের জাবারিনকে হত্যার উদ্দেশে এ হামলা পরিচালনা করা হয়েছিল। কাতারের একটি নির্দিষ্ট আবাসিক ভবনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর ১৫টি যুদ্ধ বিমান এতে অংশ নিয়েছে এবং হামলার ব্যাপ্তি ছিল মাত্র ১০ মিনিট।
এক বিবৃতিতে এ হামলাকে ‘ঘৃণ্য অপরাধ’, ‘নির্লজ্জ আগ্রাসন’ এবং ‘আন্তর্জাতিক আইনের অশালীন লঙ্ঘন’ উল্লেখ করে হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমরা নিশ্চিত করে বলছি যে শত্রুরা আমাদের দলের শীর্ষ নেতৃত্বে থাকা ভাইদের এবং আমাদের আলোচনাকারী দলের সদস্যদের হত্যায় ব্যর্থ হয়েছে।”
“আমাদের আলোচনাকারী প্রতিনিধিরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাঠানো সাম্প্রতি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে যখন আলোচনা করছিলেন, তখন চালানো হয়েছে এ হামলা। এ ঘটনার মাধ্যমে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলো যে নেতানিয়াহু এবং তার নেতৃত্বাধীন সরকার কোনো শান্তি চুক্তিতে তো আসতেই চায় না, উপরন্তু শান্তি স্থাপন সংক্রান্ত যে কোনো উদ্যোগকে তারা বাধা দিতে বদ্ধ পরিকর।”
অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানয়াহু এক বিবৃতিতে বলেছেন, “যারা গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার পরিকল্পনা করেছিল, তাদেরকে লক্ষ্য করে পরিচালিত এই হামলা সম্পূর্ণ ন্যায্য।”
কাতার এই হামলাকে কাপুরুষোচিত বলে নিন্দা জানিয়েছে কাতার।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার জবাব দিতে পালটা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইরান। সেই ক্ষেপণাস্ত্রের ঝড় ঠেকাতে কাজ করছে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
৫ ঘণ্টা আগে
এছাড়া ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি জনগণকে দেশটির সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, এটি (সরকার) দখল করে নেওয়া এখন আপনাদেরই দায়িত্ব।
৫ ঘণ্টা আগে
ইসরাইলের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইরান। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের দিকে অগ্রসর হতে শনাক্ত করা হয়েছে, যার ফলে দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় সাইরেন বেজে উঠেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের হামলার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ‘আত্মরক্ষার অধিকার’ রয়েছে উল্লেখ করে এতে সমর্থন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
৬ ঘণ্টা আগে