
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বৈশ্বিক সংঘাত ও দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার জন্য কানাডাকে আমন্ত্রণ পাঠিয়েও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বক্তব্যের পর বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ট্রাম্প।
দাভোসে দেওয়া বক্তব্যে মার্ক কার্নি প্রভাবশালী দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন, তারা অর্থনৈতিক সম্পর্ককে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে এবং শুল্ককে প্রভাব বিস্তারের উপকরণ বানাচ্ছে।
কার্নির এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়াতেই কানাডার আমন্ত্রণ বাতিল করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাছাড়া সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছেন কার্নি। এ চুক্তিও ট্রাম্পকে চটিয়ে দিয়ে থাকতে পারে।
ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, এই চিঠির মাধ্যমে জানানো হচ্ছে— বোর্ড অব পিসে কানাডার যোগদান বিষয়ে আপনাকে পাঠানো আমন্ত্রণ ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বোর্ড অব পিস হতে যাচ্ছে বিশ্বের নেতাদের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বোর্ড। এর আগে এত নেতা কখনো একত্রিত হননি।
এ বিষয়ে রয়টার্স হোয়াইট হাউজ ও কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পায়নি।
এর আগে কার্নির কার্যালয় জানিয়েছিল, কানাডার প্রধানমন্ত্রী শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং তা গ্রহণের বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন।
দাভোসে দেওয়া বক্তব্যে কার্নি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থার অবসান মেনে নেওয়ার জন্য দেশগুলোর প্রস্তুত থাকা উচিত। তার বক্তব্যের পর সম্মেলনে উপস্থিত অনেক প্রতিনিধি দাঁড়িয়ে করতালি দেন, যা দাভোসের মতো মঞ্চে তুলনামূলক বিরল ঘটনা।
কার্নি বলেন, ‘মাঝারি শক্তির দেশগুলো’ কীভাবে একত্র হয়ে মার্কিন আধিপত্যের শিকার হওয়া এড়াতে পারে, কানাডা তা দেখাতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি চীনের সঙ্গে কানাডার একটি বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে, যা উত্তর আমেরিকায় বেইজিংয়ের প্রভাব বাড়াতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
এদিকে দাভোসেই ট্রাম্প মন্তব্য করেন, কানাডা ‘যুক্তরাষ্ট্রের কারণেই টিকে আছে’। যুক্তরাষ্ট্রের আগের উদারতার জন্য কানাডার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন। কার্নির উদ্দেশে তিনি বলেন, মনে রেখো মার্ক, পরে বক্তৃতা-বিবৃতি দেওয়ার সময়।
কানাডার আমন্ত্রণ প্রত্যাহারের কয়েক ঘণ্টা আগেই ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও স্থায়ী করার লক্ষ্যেই এই পরিষদ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
ট্রাম্প আগেই জানিয়েছিলেন, বোর্ড অব পিসের স্থায়ী সদস্য হতে চাইলে দেশগুলোকে ১০০ কোটি ডলার দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডে ট্রাম্প বলেন, “পর্ষদটি পুরোপুরি গঠিত হয়ে গেলে আমরা প্রায় সবকিছুই করতে পারবো, যা আমরা চাই। আমরা এটি জাতিসংঘের সঙ্গে মিলে করবো।”
ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বোর্ড অব পিস গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের মুখপাত্র রোলান্ডো গোমেজ জানান, এই পরিষদের সঙ্গে জাতিসংঘের সম্পৃক্ততা গাজা শান্তি পরিকল্পনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
ইতোমধ্যে আর্জেন্টিনা, বাহরাইন, মরক্কো, পাকিস্তান ও তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ বোর্ড অব পিসে যোগ দিয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও ইতালির মতো যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলো আপাতত এতে যুক্ত না হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

বৈশ্বিক সংঘাত ও দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার জন্য কানাডাকে আমন্ত্রণ পাঠিয়েও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বক্তব্যের পর বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ট্রাম্প।
দাভোসে দেওয়া বক্তব্যে মার্ক কার্নি প্রভাবশালী দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন, তারা অর্থনৈতিক সম্পর্ককে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে এবং শুল্ককে প্রভাব বিস্তারের উপকরণ বানাচ্ছে।
কার্নির এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়াতেই কানাডার আমন্ত্রণ বাতিল করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাছাড়া সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করেছেন কার্নি। এ চুক্তিও ট্রাম্পকে চটিয়ে দিয়ে থাকতে পারে।
ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, এই চিঠির মাধ্যমে জানানো হচ্ছে— বোর্ড অব পিসে কানাডার যোগদান বিষয়ে আপনাকে পাঠানো আমন্ত্রণ ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বোর্ড অব পিস হতে যাচ্ছে বিশ্বের নেতাদের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বোর্ড। এর আগে এত নেতা কখনো একত্রিত হননি।
এ বিষয়ে রয়টার্স হোয়াইট হাউজ ও কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পায়নি।
এর আগে কার্নির কার্যালয় জানিয়েছিল, কানাডার প্রধানমন্ত্রী শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং তা গ্রহণের বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন।
দাভোসে দেওয়া বক্তব্যে কার্নি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থার অবসান মেনে নেওয়ার জন্য দেশগুলোর প্রস্তুত থাকা উচিত। তার বক্তব্যের পর সম্মেলনে উপস্থিত অনেক প্রতিনিধি দাঁড়িয়ে করতালি দেন, যা দাভোসের মতো মঞ্চে তুলনামূলক বিরল ঘটনা।
কার্নি বলেন, ‘মাঝারি শক্তির দেশগুলো’ কীভাবে একত্র হয়ে মার্কিন আধিপত্যের শিকার হওয়া এড়াতে পারে, কানাডা তা দেখাতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি চীনের সঙ্গে কানাডার একটি বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে, যা উত্তর আমেরিকায় বেইজিংয়ের প্রভাব বাড়াতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
এদিকে দাভোসেই ট্রাম্প মন্তব্য করেন, কানাডা ‘যুক্তরাষ্ট্রের কারণেই টিকে আছে’। যুক্তরাষ্ট্রের আগের উদারতার জন্য কানাডার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন। কার্নির উদ্দেশে তিনি বলেন, মনে রেখো মার্ক, পরে বক্তৃতা-বিবৃতি দেওয়ার সময়।
কানাডার আমন্ত্রণ প্রত্যাহারের কয়েক ঘণ্টা আগেই ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও স্থায়ী করার লক্ষ্যেই এই পরিষদ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
ট্রাম্প আগেই জানিয়েছিলেন, বোর্ড অব পিসের স্থায়ী সদস্য হতে চাইলে দেশগুলোকে ১০০ কোটি ডলার দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডে ট্রাম্প বলেন, “পর্ষদটি পুরোপুরি গঠিত হয়ে গেলে আমরা প্রায় সবকিছুই করতে পারবো, যা আমরা চাই। আমরা এটি জাতিসংঘের সঙ্গে মিলে করবো।”
ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বোর্ড অব পিস গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের মুখপাত্র রোলান্ডো গোমেজ জানান, এই পরিষদের সঙ্গে জাতিসংঘের সম্পৃক্ততা গাজা শান্তি পরিকল্পনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
ইতোমধ্যে আর্জেন্টিনা, বাহরাইন, মরক্কো, পাকিস্তান ও তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ বোর্ড অব পিসে যোগ দিয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও ইতালির মতো যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলো আপাতত এতে যুক্ত না হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

আগামী নির্বাচনে এই জামায়াতকেই যুক্তরাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়। বন্ধু হিসেবে তাদের পাশেও পেতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশে শরিয়া আইন চালু করবে না। আর যদি যুক্তরাষ্ট্রের কথা না শুনে সেটি করেও, তাহলে শুল্ক আরোপসহ বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
১ দিন আগে
এ সময় ট্রাম্প জানিয়েছেন, কারা কারা থাকছে তার এই শান্তি উদ্যোগে। আরও জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ঘিরে এই বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হলেও ভবিষ্যতে তা আরও ব্যাপক আকারে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
১ দিন আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, বুধবার নিহত তিন ফটো সাংবাদিক একটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। তাঁরা ‘মিসরীয় কমিটি ফর গাজা রিলিফের’ হয়ে কাজ করতেন, যা গাজায় মিসরের ত্রাণ কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করে।
২ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, নেটো প্রধানের সঙ্গে "খুবই ফলপ্রসূ বৈঠক" হয়েছে, যার ফলে গ্রিনল্যান্ড ও আর্কটিক অঞ্চল নিয়ে একটি সম্ভাব্য চুক্তির 'কাঠামো' তৈরি হয়েছে।
২ দিন আগে