
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের হামলার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ‘আত্মরক্ষার অধিকার’ রয়েছে উল্লেখ করে এতে সমর্থন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি অ্যালিসন হুকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এ অবস্থান তুলে ধরেছেন।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক্স পোস্টে হুকার জানান— তিনি পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ‘পাকিস্তান ও তালেবানের সাম্প্রতিক সংঘাতে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর সমবেদনা’ জানিয়েছেন।
পোস্টে হুকার আরও লেখেন, ‘আমরা পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছি এবং তালেবানের হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষায় পাকিস্তানের অধিকারের প্রতি আমাদের সমর্থন জানাচ্ছি।’
এ ছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র রয়টার্সকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হিসেবে বিশেষভাবে তালিকাভুক্ত (Specially Designated Global Terrorist) গোষ্ঠী তালেবানের হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অধিকারকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে।’
পারমাণবিক অস্ত্রধারী পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা আফগানিস্তানের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তবে ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের পর ক্ষমতায় ফেরা আফগান তালেবান দীর্ঘদিনের গেরিলা যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়ায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ওপর তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) হামলার জেরে ২১ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের নানগারহার ও পকতিয়া প্রদেশে টিটিপির ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। এতে দুই প্রদেশে প্রায় ৮০ জন নিহত হন।
এর প্রতিশোধ হিসেবে ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ডুরান্ড লাইনের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানি সেনা চৌকিতে আফগান বাহিনীর অতর্কিত হামলায় ৫৫ জন সেনা নিহত ও কয়েকজন অপহৃত হন। এরপর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করে পাকিস্তান, শুরু হয় ‘অপারেশন গজব-লিল হক’।
এ অভিযানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৩৩১ জন আফগান তালেবান সদস্য নিহত এবং আরও পাঁচ শতাধিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এরই মধ্যে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত পাক-আফগান সংঘাতে মধ্যস্ততা করার আগ্রহের কথা জানিয়েছে। সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে জর্ডানও। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রকারান্তরে সমর্থন জানাল পাকিস্তানকে।

আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের হামলার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ‘আত্মরক্ষার অধিকার’ রয়েছে উল্লেখ করে এতে সমর্থন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি অ্যালিসন হুকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এ অবস্থান তুলে ধরেছেন।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক্স পোস্টে হুকার জানান— তিনি পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ‘পাকিস্তান ও তালেবানের সাম্প্রতিক সংঘাতে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর সমবেদনা’ জানিয়েছেন।
পোস্টে হুকার আরও লেখেন, ‘আমরা পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছি এবং তালেবানের হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষায় পাকিস্তানের অধিকারের প্রতি আমাদের সমর্থন জানাচ্ছি।’
এ ছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র রয়টার্সকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হিসেবে বিশেষভাবে তালিকাভুক্ত (Specially Designated Global Terrorist) গোষ্ঠী তালেবানের হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অধিকারকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে।’
পারমাণবিক অস্ত্রধারী পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা আফগানিস্তানের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তবে ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের পর ক্ষমতায় ফেরা আফগান তালেবান দীর্ঘদিনের গেরিলা যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়ায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ওপর তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) হামলার জেরে ২১ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের নানগারহার ও পকতিয়া প্রদেশে টিটিপির ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। এতে দুই প্রদেশে প্রায় ৮০ জন নিহত হন।
এর প্রতিশোধ হিসেবে ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ডুরান্ড লাইনের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানি সেনা চৌকিতে আফগান বাহিনীর অতর্কিত হামলায় ৫৫ জন সেনা নিহত ও কয়েকজন অপহৃত হন। এরপর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করে পাকিস্তান, শুরু হয় ‘অপারেশন গজব-লিল হক’।
এ অভিযানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৩৩১ জন আফগান তালেবান সদস্য নিহত এবং আরও পাঁচ শতাধিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এরই মধ্যে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত পাক-আফগান সংঘাতে মধ্যস্ততা করার আগ্রহের কথা জানিয়েছে। সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে জর্ডানও। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রকারান্তরে সমর্থন জানাল পাকিস্তানকে।

ভবানীপুরের এ আসনের ফলাফল গোটা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনেরই প্রতীকী চিত্র হয়ে রইল। মমতা যেমন হেরে গেলেন শুভেন্দুর কাছে, তেমনি গোটা রাজ্যেই গেরুয়া ঝড়ে পদ্মফুলের উত্থানে উড়ে গেছে জোড়া ফুলের লড়াই।
১১ ঘণ্টা আগে
ফুজাইরাহ আমিরাতের সবচেয়ে বড় বন্দর ও তেল সংরক্ষণ কেন্দ্র। যুদ্ধবিরতির আগে যখন ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত চলছিল, তখনো সেখানে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছিল।
১২ ঘণ্টা আগে
২০ রাউন্ডের ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯১৭ ভোট। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৮১২ ভোট। সে হিসাবে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটের ব্যবধানে মমতাকে পরাজিত করেছেন শুভেন্দু।
১২ ঘণ্টা আগে
টাইমস অব ইন্ডিয়া ও দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়, সোমবার (৪ মে) রাতে ঘোষিত ফরাফলে তামিল রাজ্যটিতে শেষ পর্যন্ত বিজয়ের দলই শেষ হাসি হেসেছে। ২৩৪টি আসনের মধ্যে টিভিকে জয় পেয়েছে ১০৬ আসনে। আরও একটি আসনে দলটি এগিয়ে রয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে