
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে যুক্তকারী গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি পথ জোজিলা পাসে তুষারধসের ঘটনায় ৭ জন মারা গেছেন। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে আরও ৫ জনকে। ঘটনার পর থেকে বরফ সরিয়ে সড়ক পরিষ্কার করার কাজ করছে উদ্ধারকারী দল। বর্তমানে ওই রুটে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) শ্রীনগর-লেহ হাইওয়ে এনএইচ-১ এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
তুষারধস জোজিলা পাসের লাদাখ অংশে আঘাত হানে, এতে কয়েকটি যাত্রীবাহী গাড়ি বরফের নিচে চাপা পড়ে যায়। খবর এনডিটিভির।
ঘটনার পর মহাসড়কটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বরফ সরানো এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে প্রশাসন বড় পরিসরে উদ্ধার ও পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করেছে।
লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কারগিলের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সব সরকারি সংস্থা, দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী এবং বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও)-কে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে এবং আহতদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে বিআরও ও পুলিশ সদস্যরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে এখনো কেউ আটকে আছে কি না তা খুঁজে দেখছেন।
৪৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ শ্রীনগর-লেহ মহাসড়কটি এই অঞ্চলের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। ১১ হাজার ৫৭৫ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত জোজিলা পাস অতিক্রম করা এই সড়কটি একদিকে যেমন দৃষ্টিনন্দন, অন্যদিকে তেমনই বিপজ্জনক। ভারি তুষারপাত ও কঠিন ভূপ্রকৃতির কারণে শীতকালে প্রায়ই এই সড়কের ওই অংশ বন্ধ থাকে। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে জোজিলা পাসের নিচ দিয়ে একটি বড় টানেল নির্মাণ করা হচ্ছে। কাজ শেষ হলে এটি লাদাখের সঙ্গে সারা বছরের জন্য নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করবে।

জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে যুক্তকারী গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি পথ জোজিলা পাসে তুষারধসের ঘটনায় ৭ জন মারা গেছেন। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে আরও ৫ জনকে। ঘটনার পর থেকে বরফ সরিয়ে সড়ক পরিষ্কার করার কাজ করছে উদ্ধারকারী দল। বর্তমানে ওই রুটে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) শ্রীনগর-লেহ হাইওয়ে এনএইচ-১ এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
তুষারধস জোজিলা পাসের লাদাখ অংশে আঘাত হানে, এতে কয়েকটি যাত্রীবাহী গাড়ি বরফের নিচে চাপা পড়ে যায়। খবর এনডিটিভির।
ঘটনার পর মহাসড়কটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বরফ সরানো এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে প্রশাসন বড় পরিসরে উদ্ধার ও পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করেছে।
লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কারগিলের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সব সরকারি সংস্থা, দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী এবং বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও)-কে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে এবং আহতদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে বিআরও ও পুলিশ সদস্যরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে এখনো কেউ আটকে আছে কি না তা খুঁজে দেখছেন।
৪৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ শ্রীনগর-লেহ মহাসড়কটি এই অঞ্চলের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। ১১ হাজার ৫৭৫ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত জোজিলা পাস অতিক্রম করা এই সড়কটি একদিকে যেমন দৃষ্টিনন্দন, অন্যদিকে তেমনই বিপজ্জনক। ভারি তুষারপাত ও কঠিন ভূপ্রকৃতির কারণে শীতকালে প্রায়ই এই সড়কের ওই অংশ বন্ধ থাকে। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে জোজিলা পাসের নিচ দিয়ে একটি বড় টানেল নির্মাণ করা হচ্ছে। কাজ শেষ হলে এটি লাদাখের সঙ্গে সারা বছরের জন্য নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে