
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর নিকটবর্তী ইভানোভো অঞ্চলে সামরিক বাহিনীর একটি কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলটসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) এএন-২২ সামরিক পরিবহন সিরিজের বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বলে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি মেরামত হওয়া বিমানটি পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে ছিল। সামরিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের অল্প সময় পরই বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইভানোভো জেলার একটি নির্জন স্থানে আছড়ে পড়ে, তবে দুর্ঘটনাস্থল জনবসতিহীন হওয়ায় বেসামরিক হতাহতের আশঙ্কা নেই।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটি এএন-২২ সামরিক পরিবহন সিরিজের একটি বিমান, যা রুশ বাহিনীতে মূলত মালবাহী অপারেশনে ব্যবহৃত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিমানটির ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় মেরামতের পর পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে পাঠানো হয়েছিল। ওই টেস্ট ফ্লাইটে পাইলটসহ সাতজন ক্রু ছিলেন।
সামরিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের অল্প সময় পরই বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইভানোভো জেলার একটি নির্জন স্থানে আছড়ে পড়ে। মস্কো থেকে এলাকাটির দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। দুর্ঘটনাস্থল জনবসতিহীন হওয়ায় ক্রুদের বাইরে অন্য কারও হতাহতের আশঙ্কা নেই বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ঠিক কী কারণে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে তা নির্ধারণে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তারা ঘটনাস্থলে প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেছে।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর নিকটবর্তী ইভানোভো অঞ্চলে সামরিক বাহিনীর একটি কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলটসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) এএন-২২ সামরিক পরিবহন সিরিজের বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বলে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি মেরামত হওয়া বিমানটি পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে ছিল। সামরিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের অল্প সময় পরই বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইভানোভো জেলার একটি নির্জন স্থানে আছড়ে পড়ে, তবে দুর্ঘটনাস্থল জনবসতিহীন হওয়ায় বেসামরিক হতাহতের আশঙ্কা নেই।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটি এএন-২২ সামরিক পরিবহন সিরিজের একটি বিমান, যা রুশ বাহিনীতে মূলত মালবাহী অপারেশনে ব্যবহৃত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিমানটির ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় মেরামতের পর পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে পাঠানো হয়েছিল। ওই টেস্ট ফ্লাইটে পাইলটসহ সাতজন ক্রু ছিলেন।
সামরিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের অল্প সময় পরই বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইভানোভো জেলার একটি নির্জন স্থানে আছড়ে পড়ে। মস্কো থেকে এলাকাটির দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। দুর্ঘটনাস্থল জনবসতিহীন হওয়ায় ক্রুদের বাইরে অন্য কারও হতাহতের আশঙ্কা নেই বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ঠিক কী কারণে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে তা নির্ধারণে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তারা ঘটনাস্থলে প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেছে।

এদিকে যুদ্ধের প্রভাবে ইরাকের তেল উৎপাদন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে; দেশটির রুমাইলা ও ওয়েস্ট কুর্না-২ এর মতো বৃহৎ তেলক্ষেত্রগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। সংঘাতের উত্তাপ ছড়িয়েছে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতেও; দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেট ড্রোন হামলার শিকার হওয়ার খবর পাওয়া
৫ ঘণ্টা আগে
সংঘাত চলাকালে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসেও হামলা হয়েছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, দুটি ড্রোন ব্যবহার করে দূতাবাসটিতে হামলা চালানো হয়। এতে সীমিত আকারে আগুন লাগে। কিছু বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
অ্যাডমিরাল কুপার দাবি করেছেন, মার্কিন হামলায় ইরানের একটি সাবমেরিনসহ অন্তত ১৭টি রণতরি ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার পাশাপাশি শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, লঞ্চার ও ড্রোন গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, ২০০
৬ ঘণ্টা আগে
২৮ তারিখ থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত চার দিনে ইরানজুড়ে শত শত রাউন্ড বোমা ফেলেছে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। ইরানের সামরিক ঘাঁটি, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং আবাসিক এলাকায় আঘাত হেনেছে এসব বোমা।
৭ ঘণ্টা আগে