
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে চতুর্থ দফার সফল কূটনৈতিক আলোচনার পর একটি শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও লেবানন। গত বুধবার এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। তবে এই চুক্তি দীর্ঘস্থায়ী হওয়া সম্পূর্ণ নির্ভর করছে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সামরিক তৎপরতা বন্ধের ওপর।
আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকা এই দুই প্রতিবেশী দেশ সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে কিছু ‘পাইলট জোন’ বা পরীক্ষামূলক এলাকা তৈরিতে একমত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, এসব সুনির্দিষ্ট এলাকায় কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী বা অরাষ্ট্রীয় পক্ষ অবস্থান করতে পারবে না। এলাকাগুলোর সার্বিক ও একক নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব থাকবে কেবল লেবাননের রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর ওপর।
যৌথ বিবৃতিতে যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, হিজবুল্লাহকে তাদের সমস্ত আক্রমণাত্মক কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। এর পাশাপাশি, দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকা থেকে এই গোষ্ঠীর সদস্যদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটনের এই বৈঠকটি ছিল লেবানন ও ইসরায়েলি কূটনীতিকদের মধ্যে চতুর্থ দফার সরাসরি আলোচনা। এর আগে গত ২ মার্চ থেকে এই অঞ্চলে নতুন করে সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।
কূটনৈতিক এই অগ্রগতির দিনও সীমান্তে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও পাল্টা হামলার খবর পাওয়া গেছে। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলার দাবি করা হয়েছে, অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন।
তবে চলমান সংঘাতের মধ্যেই এই আলোচনাকে টেকসই শান্তির দিকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আগামী ২২ জুনের পর দুই পক্ষ আবারও পরবর্তী দফার আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসবে।
রাজনীতি/এসআর

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে চতুর্থ দফার সফল কূটনৈতিক আলোচনার পর একটি শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও লেবানন। গত বুধবার এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। তবে এই চুক্তি দীর্ঘস্থায়ী হওয়া সম্পূর্ণ নির্ভর করছে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সামরিক তৎপরতা বন্ধের ওপর।
আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকা এই দুই প্রতিবেশী দেশ সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে কিছু ‘পাইলট জোন’ বা পরীক্ষামূলক এলাকা তৈরিতে একমত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, এসব সুনির্দিষ্ট এলাকায় কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী বা অরাষ্ট্রীয় পক্ষ অবস্থান করতে পারবে না। এলাকাগুলোর সার্বিক ও একক নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব থাকবে কেবল লেবাননের রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর ওপর।
যৌথ বিবৃতিতে যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, হিজবুল্লাহকে তাদের সমস্ত আক্রমণাত্মক কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। এর পাশাপাশি, দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকা থেকে এই গোষ্ঠীর সদস্যদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটনের এই বৈঠকটি ছিল লেবানন ও ইসরায়েলি কূটনীতিকদের মধ্যে চতুর্থ দফার সরাসরি আলোচনা। এর আগে গত ২ মার্চ থেকে এই অঞ্চলে নতুন করে সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।
কূটনৈতিক এই অগ্রগতির দিনও সীমান্তে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও পাল্টা হামলার খবর পাওয়া গেছে। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলার দাবি করা হয়েছে, অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন।
তবে চলমান সংঘাতের মধ্যেই এই আলোচনাকে টেকসই শান্তির দিকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আগামী ২২ জুনের পর দুই পক্ষ আবারও পরবর্তী দফার আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসবে।
রাজনীতি/এসআর

এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করে, দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌ বহরের সদর দপ্তর, একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটি ও ‘পানায়া’ নামে একটি জাহাজে সফল হামলা চালিয়েছে। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তাদের ঘাঁটিতে আঘাত হানার বিষয়টি জোরালোভাবে অস্
১৪ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প এর জবাবে সরাসরি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি বলেছিলাম।’ ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অবশ্য কিছুটা নরম সুরে বলেন, ‘আমি ঠিক রাগান্বিত ছিলাম, তা বলব না। তবে লেবাননের সঙ্গে তার (নেতানিয়াহু) এই অনবরত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মনোভাব দেখে আমি কিছুটা ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত হয়েছিলাম।’
১৬ ঘণ্টা আগে
গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং কাজের এখতিয়ার নিয়ে তৈরি হওয়া এই তীব্র বিরোধের জেরে সিআইএ এখন দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন প্রতিবেদনে তথ্য দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এর মধ্যে চলমান ইরান যুদ্ধ সংক্রান্ত অত্যন্ত সংবেদনশীল গোয়েন্দা মূল্যায়নও রয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে