
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চলমান উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর থেকে সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার বিষয়েও দুই পক্ষ একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। তবে এই চুক্তিতে এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদন মেলেনি এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও জানিয়েছে, চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত রূপ পায়নি।
শুক্রবার (২৯ মে) এ বিষয়ে অবগত চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, নতুন এই সমঝোতার আওতায় দুই দেশের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বৃদ্ধি পাবে। এই সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে নৌযান চলাচল করতে পারবে। আর দুই দেশের কূটনীতিক ও মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো অত্যন্ত জটিল ও স্পর্শকাতর ইস্যুগুলো সমাধানের জন্য আলোচনা চালিয়ে যাবেন।
যদি ওয়াশিংটন এবং তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব এই চুক্তিতে শেষ পর্যন্ত সবুজ সংকেত দেয়, তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে শান্তির পথে এটিই হবে সবচেয়ে বড় এবং ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসের শুরুতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েক দফা পালটাপালটি হামলার ঘটনা ঘটে।
এমন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির পরপরই এই সম্ভাব্য চুক্তির খবরটি সামনে এল। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো এই চুক্তিতে তার চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। ইরানের পক্ষ থেকেও প্রস্তাবিত এই চুক্তির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস প্রথম এই চুক্তির খবরটি প্রকাশ করে।
এদিকে ইরানের আধাসরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি দেশটির আলোচনা প্রক্রিয়ার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, চুক্তির খসড়া বা মূল অনুলিপি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। এর আগেও ট্রাম্প প্রশাসন বেশ কয়েকবার দাবি করেছিল যে যুদ্ধ শেষ করার মতো একটি চুক্তি একদম 'চূড়ান্ত পর্যায়ে' রয়েছে, তবে প্রতিবারই ইরান সেই দাবিকে 'বিতর্কিত' বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
চুক্তির শর্ত ও জ্বালানি বাজারে স্বস্তি
রয়টার্স জানিয়েছে, এই খসড়া চুক্তি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেকোনো দেশের জাহাজ কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই অবাধে চলাচল করতে পারবে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রকেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ অবরোধ পুরোপুরি তুলে নিতে হবে। একই সঙ্গে ইরান যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রি করতে পারে, সেজন্য তেহরানের ওপর থাকা কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞাও শিথিল করতে বাধ্য থাকবে ওয়াশিংটন।
সম্ভাব্য এই চুক্তির খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় বেশ খানিকটা কমে গেছে। বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি পুনরায় সচল হওয়ার আশ্বাসে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে।
এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছিল, তাদের সামরিক বাহিনী আকাশপথে ইরানের পাঁচটি আত্মঘাতী ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এ ছাড়া ইরানের বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসে একটি স্থল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রেও হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী, যেখান থেকে ষষ্ঠ ড্রোনটি উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।
এর পরপরই কুয়েতের সামরিক বাহিনী তাদের আকাশসীমায় একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করে। কুয়েতে আমেরিকার একটি বড় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে, ইরান কুয়েতের সেই মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করেই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছুড়েছিল। সব মিলিয়ে এই চরম সামরিক উত্তেজনার আবহের মধ্যেই দুই দেশ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চুক্তিতে সম্মত হয়েছে।
রাজনীতি/আইআর

চলমান উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর থেকে সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার বিষয়েও দুই পক্ষ একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। তবে এই চুক্তিতে এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদন মেলেনি এবং ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও জানিয়েছে, চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত রূপ পায়নি।
শুক্রবার (২৯ মে) এ বিষয়ে অবগত চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, নতুন এই সমঝোতার আওতায় দুই দেশের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বৃদ্ধি পাবে। এই সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে নৌযান চলাচল করতে পারবে। আর দুই দেশের কূটনীতিক ও মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো অত্যন্ত জটিল ও স্পর্শকাতর ইস্যুগুলো সমাধানের জন্য আলোচনা চালিয়ে যাবেন।
যদি ওয়াশিংটন এবং তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব এই চুক্তিতে শেষ পর্যন্ত সবুজ সংকেত দেয়, তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে শান্তির পথে এটিই হবে সবচেয়ে বড় এবং ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসের শুরুতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েক দফা পালটাপালটি হামলার ঘটনা ঘটে।
এমন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির পরপরই এই সম্ভাব্য চুক্তির খবরটি সামনে এল। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো এই চুক্তিতে তার চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। ইরানের পক্ষ থেকেও প্রস্তাবিত এই চুক্তির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস প্রথম এই চুক্তির খবরটি প্রকাশ করে।
এদিকে ইরানের আধাসরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি দেশটির আলোচনা প্রক্রিয়ার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, চুক্তির খসড়া বা মূল অনুলিপি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। এর আগেও ট্রাম্প প্রশাসন বেশ কয়েকবার দাবি করেছিল যে যুদ্ধ শেষ করার মতো একটি চুক্তি একদম 'চূড়ান্ত পর্যায়ে' রয়েছে, তবে প্রতিবারই ইরান সেই দাবিকে 'বিতর্কিত' বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
চুক্তির শর্ত ও জ্বালানি বাজারে স্বস্তি
রয়টার্স জানিয়েছে, এই খসড়া চুক্তি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেকোনো দেশের জাহাজ কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই অবাধে চলাচল করতে পারবে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রকেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ অবরোধ পুরোপুরি তুলে নিতে হবে। একই সঙ্গে ইরান যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রি করতে পারে, সেজন্য তেহরানের ওপর থাকা কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞাও শিথিল করতে বাধ্য থাকবে ওয়াশিংটন।
সম্ভাব্য এই চুক্তির খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় বেশ খানিকটা কমে গেছে। বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি পুনরায় সচল হওয়ার আশ্বাসে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে।
এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছিল, তাদের সামরিক বাহিনী আকাশপথে ইরানের পাঁচটি আত্মঘাতী ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এ ছাড়া ইরানের বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসে একটি স্থল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রেও হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী, যেখান থেকে ষষ্ঠ ড্রোনটি উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।
এর পরপরই কুয়েতের সামরিক বাহিনী তাদের আকাশসীমায় একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করে। কুয়েতে আমেরিকার একটি বড় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে, ইরান কুয়েতের সেই মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করেই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছুড়েছিল। সব মিলিয়ে এই চরম সামরিক উত্তেজনার আবহের মধ্যেই দুই দেশ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চুক্তিতে সম্মত হয়েছে।
রাজনীতি/আইআর

এক বিবৃতিতে সংঘর্ষে জড়িত ফার্কের একাংশ সংঘর্ষ ও প্রাণহানির তথ্য জানায়। পরে কলম্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দেশটির সেনাবাহিনীও ওই এলাকায় সংঘর্ষের কথা স্বীকার করেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে সরকারিভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
৮ ঘণ্টা আগে
দূতাবাস সূত্র জানায়, আহতদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. মোমিন মিয়া ও নরসিংদীর জয়েনা আক্তার। আহত দুই শিশুর পরিচয় এখনো জানা যায়নি। বিস্ফোরণে জয়েনা তার পা হারিয়েছেন। দূতাবাস জানিয়েছে, দুই শিশু আহত তিনজনের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
৯ ঘণ্টা আগে
এই চুক্তিতে কেবল আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রয়েছে, নাকি ড্রোনের মতো হামলার সরঞ্জামও অন্তর্ভুক্ত আছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বিবিসিকে সূত্রগুলো জানিয়েছে, দুপক্ষই একটি চুক্তি সই করেছে, যেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের পাশাপাশি স্থল সামরিক সরঞ্জাম এবং তালেবান সরকারের সামরিক বাহিনীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ
১০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বর্তমান সম্পর্কটা চরম গোলমেলে ও বিভ্রান্তিকর। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে— দুই দেশ কি আসলেই শান্তির কাছাকাছি রয়েছে, নাকি ফের একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে?
২০ ঘণ্টা আগে