
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। সম্প্রতি মাস্ক নিজে ঘোষণা করেছিলেন, ইরানের জনগণকে ফ্রিতে স্টারলিংক ইন্টারনেট প্রদান করা হবে। তবে ইরান সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে স্যাটেলাইট সংযোগে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে।
মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট থাকলেও চলমান ব্ল্যাকআউটের কারণে সেগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়নি। প্রথম পর্যায়ে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ৩০ শতাংশ ব্যাহত হলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ৮০ শতাংশেরও বেশি ট্র্যাফিক বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইট সংযোগের জন্য জিপিএস ব্যবহার করে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে জিপিএস সিগন্যালকে বাধাগ্রস্ত করার কারণে সংযোগে ‘প্যাচওয়ার্ক কুইল্ট’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।
ইন্টারনেট পর্যবেক্ষক আমির রাশিদি বলেছেন, গত ২০ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস পর্যবেক্ষণ করছি, কিন্তু এমন পরিস্থিতি আগে কখনো দেখিনি। প্রযুক্তিবিদরাও নিশ্চিত করেছেন, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ফোর্বসের প্রতিবেদক সাইমন মিগলিয়ানো আরও বলেন, ইন্টারনেট শাটডাউনের কারণে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে প্রায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার ক্ষতি হচ্ছে।
এভাবে ইরান প্রথম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বন্ধ করার পথে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। সম্প্রতি মাস্ক নিজে ঘোষণা করেছিলেন, ইরানের জনগণকে ফ্রিতে স্টারলিংক ইন্টারনেট প্রদান করা হবে। তবে ইরান সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে স্যাটেলাইট সংযোগে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে।
মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট থাকলেও চলমান ব্ল্যাকআউটের কারণে সেগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়নি। প্রথম পর্যায়ে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ৩০ শতাংশ ব্যাহত হলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ৮০ শতাংশেরও বেশি ট্র্যাফিক বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইট সংযোগের জন্য জিপিএস ব্যবহার করে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে জিপিএস সিগন্যালকে বাধাগ্রস্ত করার কারণে সংযোগে ‘প্যাচওয়ার্ক কুইল্ট’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।
ইন্টারনেট পর্যবেক্ষক আমির রাশিদি বলেছেন, গত ২০ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস পর্যবেক্ষণ করছি, কিন্তু এমন পরিস্থিতি আগে কখনো দেখিনি। প্রযুক্তিবিদরাও নিশ্চিত করেছেন, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ফোর্বসের প্রতিবেদক সাইমন মিগলিয়ানো আরও বলেন, ইন্টারনেট শাটডাউনের কারণে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে প্রায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার ক্ষতি হচ্ছে।
এভাবে ইরান প্রথম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বন্ধ করার পথে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

ট্রাম্প বলেন, পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। আমাদের সামরিক বাহিনীও বিষয়টি নজরে রাখছে। আমরা খুব কঠিন কয়েকটি বিকল্প বিবেচনায় রেখেছি। সময়মতো একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ইরান সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিহতের কোনো সংখ্যা প্রকাশ করেনি। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ফুটেজে তেহরানের বিভিন্ন মর্গে একের পর এক লাশের ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষ এসব নিহত ব্যক্তিকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিহিত করছে। তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, তারা স্বাধীন সূত্রে নিহতের এই
২০ ঘণ্টা আগে
এনডিটিভিকে দেওয়া বক্তব্যে কয়েকজন ইরানি নাগরিক জানান, মূল্যস্ফীতি সত্যিই বড় সমস্যা এবং তারা চান এটি নিয়ন্ত্রণে আসুক। তবে তারা খামেনির বিরোধী নন। তাদের মতে, যারা খামেনির বিরোধিতা করছে তারা মূলত সাবেক শাহ রেজা পাহলভির সমর্থক ও বিদেশি শক্তির সঙ্গে যুক্ত।
১ দিন আগে
মাদুরো স্টাইলে রুশ প্রেসিডেন্টকে তুলে নেওয়ার হুঙ্কার দিয়ে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেছেন, সুযোগ পেলে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে রাশিয়া থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে যুদ্ধাপরাধের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতেন।
২ দিন আগে