
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে সোনম ওয়াংচুকের চলমান অনশন কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কোনো প্রতিক্রিয়া না আসায় তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, বুধবার এক বিবৃতিতে অভিজিৎ দীপকে বলেন, “আজ সোনম ওয়াংচুকের অনশনের ২৫তম দিন। এখনো প্রধানমন্ত্রী তার নীরবতা ভাঙেননি। নরেন্দ্র মোদির রাজনীতি শুধু নির্বাচনি প্রচারণা চালানো ও নির্বাচন জেতার বিষয় নয়। মানুষের কাছে জবাবদিহি ও দায়বদ্ধ থাকাও এর অংশ।”
নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, “দেশবাসীকে বলুন, সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে এখনো কেন যোগাযোগ করেননি, যাতে সমস্যার সমাধান হয় এবং তার অনশন শেষ হয়? দেশবাসীকে বলুন, এক মাসের বেশি সময় ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের ওপর আপনার পুলিশ কেন এত নির্মম আচরণ করল? আর এত শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পরও ধর্মেন্দ্র প্রধান কেন আপনার কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ?”
এর আগে বুধবার সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, চলমান আন্দোলনের দাবিগুলো সরকার মেনে না নিলে দেশের তরুণরাই সরকারকে ‘খুব কঠিনভাবে জবাব দেবে’। তিনি ২০ জুলাইয়ের বিক্ষোভকে কেবল ‘ট্রেলার’ বলে উল্লেখ করেন।
বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাঙ্কা বলেন, এটি ‘স্বাধীনতার পর ভারতের সবচেয়ে বড় আন্দোলন’। সরকার দাবি না মানলে সামনে আরও বড় বিক্ষোভ হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, “আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছি, ২০ জুলাই যা হয়েছে, তা ছিল শুধু ট্রেলার। সরকার যদি দাবি না মেনে নেয়, তাহলে আরও লাখো মানুষ দিল্লিতে আসবে। এবার আমরা আর পিছু হটব না, চুপও থাকব না। সরকারের এখনই নিজেদের অবস্থান ঠিক করা উচিত। তা না হলে এ দেশের তরুণরাই তাদের খুব কঠিনভাবে জবাব দেবে।”
বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে উঠেছিলেন— এমন অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন রাঙ্কা। তার দাবি, ২০ জুলাইয়ের পদযাত্রা শান্তিপূর্ণই ছিল। তবে পুলিশ শক্তি প্রয়োগের পরই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠে।
তিনি বলেন, “এমন একটি ধারণা তৈরি করার চেষ্টা চলছে যে আমরা শান্তিপূর্ণ নই। কিন্তু আমরা শান্তিপূর্ণ। ২০ জুলাইয়ের মিছিলও শান্তিপূর্ণ ছিল। বিশৃঙ্খলা শুরু হয় তখনই, যখন পুলিশ নির্মমভাবে হামলা চালিয়ে শিক্ষার্থীদের মারধর করে। আমরা ৩১ দিন ধরে এখানে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছি, কারণ আমরা গান্ধী ও আম্বেদকরের আদর্শ অনুসরণ করি।”
রাঙ্কা জানান, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না করার নিশ্চয়তা না দেওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। বলেন, “আমরা খুব স্পষ্ট দাবি জানিয়েছি, অভিজিৎ দীপকেও এ বিষয়ে বলেছেন। কোনো আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে নতুন কোনো এফআইআর করা যাবে না। এই নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন শেষ হবে না।”
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের নেতৃত্ব আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হতেও প্রস্তুত। তার ভাষায়, “আমাদের নেতৃত্ব এফআইআরের ভয় পায় না। আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই আমরা ইউএপিএ ও এনএসএর অধীনে গ্রেপ্তার হওয়ার জন্য প্রস্তুত। আমাদের এই লড়াইয়ের জন্য জেল খুবই ছোট মূল্য।”
সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার আহ্বানও জানান রাঙ্কা। তিনি বলেন, “যে দলই হোক, এমনকি বিজেপির লোকজনও যদি আসতে চান, তাদেরও একসঙ্গে আসা উচিত। কারণ এটি একটি বড় আন্দোলন এবং আমাদের দাবিগুলো যৌক্তিক। আমরা সবাইকে স্বাগত জানাই।”

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে সোনম ওয়াংচুকের চলমান অনশন কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কোনো প্রতিক্রিয়া না আসায় তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, বুধবার এক বিবৃতিতে অভিজিৎ দীপকে বলেন, “আজ সোনম ওয়াংচুকের অনশনের ২৫তম দিন। এখনো প্রধানমন্ত্রী তার নীরবতা ভাঙেননি। নরেন্দ্র মোদির রাজনীতি শুধু নির্বাচনি প্রচারণা চালানো ও নির্বাচন জেতার বিষয় নয়। মানুষের কাছে জবাবদিহি ও দায়বদ্ধ থাকাও এর অংশ।”
নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, “দেশবাসীকে বলুন, সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে এখনো কেন যোগাযোগ করেননি, যাতে সমস্যার সমাধান হয় এবং তার অনশন শেষ হয়? দেশবাসীকে বলুন, এক মাসের বেশি সময় ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের ওপর আপনার পুলিশ কেন এত নির্মম আচরণ করল? আর এত শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পরও ধর্মেন্দ্র প্রধান কেন আপনার কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ?”
এর আগে বুধবার সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, চলমান আন্দোলনের দাবিগুলো সরকার মেনে না নিলে দেশের তরুণরাই সরকারকে ‘খুব কঠিনভাবে জবাব দেবে’। তিনি ২০ জুলাইয়ের বিক্ষোভকে কেবল ‘ট্রেলার’ বলে উল্লেখ করেন।
বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাঙ্কা বলেন, এটি ‘স্বাধীনতার পর ভারতের সবচেয়ে বড় আন্দোলন’। সরকার দাবি না মানলে সামনে আরও বড় বিক্ষোভ হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, “আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছি, ২০ জুলাই যা হয়েছে, তা ছিল শুধু ট্রেলার। সরকার যদি দাবি না মেনে নেয়, তাহলে আরও লাখো মানুষ দিল্লিতে আসবে। এবার আমরা আর পিছু হটব না, চুপও থাকব না। সরকারের এখনই নিজেদের অবস্থান ঠিক করা উচিত। তা না হলে এ দেশের তরুণরাই তাদের খুব কঠিনভাবে জবাব দেবে।”
বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে উঠেছিলেন— এমন অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন রাঙ্কা। তার দাবি, ২০ জুলাইয়ের পদযাত্রা শান্তিপূর্ণই ছিল। তবে পুলিশ শক্তি প্রয়োগের পরই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠে।
তিনি বলেন, “এমন একটি ধারণা তৈরি করার চেষ্টা চলছে যে আমরা শান্তিপূর্ণ নই। কিন্তু আমরা শান্তিপূর্ণ। ২০ জুলাইয়ের মিছিলও শান্তিপূর্ণ ছিল। বিশৃঙ্খলা শুরু হয় তখনই, যখন পুলিশ নির্মমভাবে হামলা চালিয়ে শিক্ষার্থীদের মারধর করে। আমরা ৩১ দিন ধরে এখানে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছি, কারণ আমরা গান্ধী ও আম্বেদকরের আদর্শ অনুসরণ করি।”
রাঙ্কা জানান, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না করার নিশ্চয়তা না দেওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। বলেন, “আমরা খুব স্পষ্ট দাবি জানিয়েছি, অভিজিৎ দীপকেও এ বিষয়ে বলেছেন। কোনো আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে নতুন কোনো এফআইআর করা যাবে না। এই নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন শেষ হবে না।”
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের নেতৃত্ব আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হতেও প্রস্তুত। তার ভাষায়, “আমাদের নেতৃত্ব এফআইআরের ভয় পায় না। আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই আমরা ইউএপিএ ও এনএসএর অধীনে গ্রেপ্তার হওয়ার জন্য প্রস্তুত। আমাদের এই লড়াইয়ের জন্য জেল খুবই ছোট মূল্য।”
সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার আহ্বানও জানান রাঙ্কা। তিনি বলেন, “যে দলই হোক, এমনকি বিজেপির লোকজনও যদি আসতে চান, তাদেরও একসঙ্গে আসা উচিত। কারণ এটি একটি বড় আন্দোলন এবং আমাদের দাবিগুলো যৌক্তিক। আমরা সবাইকে স্বাগত জানাই।”

চূড়ান্ত ফলে ৪৩ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে রাজ্য পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রথম হয়েছে এএফডি। বিপরীতে মের্ৎসের সিডিইউ পেয়েছে মাত্র ১৭ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। এ ভোটকে সিডিইউয়ের জন্যও বড় ধাক্কা মনে করা হচ্ছে।
২০ ঘণ্টা আগে
তরিকুল ইসলাম বলেন, অনিয়মিত বা নথিবিহীন বিদেশি অভিবাসীদের জন্য বর্তমানে ‘মাইগ্র্যান্ট রিপেট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২’ (বিআরএম২.০) নামে মালয়েশিয়ার সরকারের মাইগ্রেশন বিভাগের একটি বিশেষ কর্মসূচি চালু রয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অনিয়মিত বা নথিবিহীন বিদেশি নাগরিক বা কর্মীরা আইনসম্মতভা
২০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন এই কূটনৈতিক তৎপরতা সত্ত্বেও মস্কো এখনো যুদ্ধের মূল কারণ হিসেবে যে বিষয়গুলো তুলে ধরে আসছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। রাশিয়া ইউক্রেনের দখল করা ভূখণ্ড নিয়ে নিজেদের দাবি, ইউক্রেনের সামরিক ও কৌশলগত অবস্থান এবং দেশটির ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কঠোর অব
১ দিন আগে
পুলিশ জানিয়েছে, ভবনটি প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বছরের পুরোনো ছিল। এতে একটি বেজমেন্টের ওপর পাঁচটি তলা ছিল এবং সেটি পিজি আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ভবনের বেজমেন্টে সংস্কার ও খননকাজ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই কাজের সময় ভবনের একটি স্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পুরো কাঠামোটি ধসে পড়ে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের
১ দিন আগে