
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রতি একান্ত সমর্থন জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উন স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, “এই সংঘাতে তেহরান একা নয়।”
গত শুক্রবার থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সক্রিয় প্রতিরোধে রয়েছে ইরান। দীর্ঘদিন ধরেই এককভাবে লড়াই করে এলেও এবার মিত্রের দেখা পেয়েছে তেহরান। উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উনের ঘোষণায় সেই বার্তাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
নিজ দেশের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে কিম বলেন, “আমরা আমাদের মিত্রদের কঠিন সময়ে একা ফেলি না। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমাদের সমর্থন সর্বাত্মক। উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ যুদ্ধপ্রস্তুতিতে রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী নীতির ইতিহাস আমাদের জানা। ইরানকে চাপের মধ্যে ফেলে যারা অঞ্চলজুড়ে অস্থিরতা তৈরি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা রুখে দাঁড়াব।”
ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলে উল্লেখ করেছে পিয়ংইয়ং। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিসিএনএ জানিয়েছে, এই হামলা শুধু ইরান নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে নতুন এক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইসরায়েলের এমন পদক্ষেপ ইরানের সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন। মধ্যপ্রাচ্যে এটি ক্যানসারের মতো এক অবাঞ্ছিত শক্তি, যার পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সমর্থন।”
কিম জং-উন বিশেষভাবে ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় চালানো বিমান হামলার কঠোর সমালোচনা করেন। তার মতে, “এই হামলা গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।”
ভাষণে কিম জং-উন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিরও কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “ওয়াশিংটনের পদক্ষেপ শুধু সহিংসতা উসকে দেয়, কূটনৈতিক সমাধানের পথ রুদ্ধ করে।”

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রতি একান্ত সমর্থন জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উন স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, “এই সংঘাতে তেহরান একা নয়।”
গত শুক্রবার থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সক্রিয় প্রতিরোধে রয়েছে ইরান। দীর্ঘদিন ধরেই এককভাবে লড়াই করে এলেও এবার মিত্রের দেখা পেয়েছে তেহরান। উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং-উনের ঘোষণায় সেই বার্তাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
নিজ দেশের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে কিম বলেন, “আমরা আমাদের মিত্রদের কঠিন সময়ে একা ফেলি না। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমাদের সমর্থন সর্বাত্মক। উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ যুদ্ধপ্রস্তুতিতে রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী নীতির ইতিহাস আমাদের জানা। ইরানকে চাপের মধ্যে ফেলে যারা অঞ্চলজুড়ে অস্থিরতা তৈরি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা রুখে দাঁড়াব।”
ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলে উল্লেখ করেছে পিয়ংইয়ং। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিসিএনএ জানিয়েছে, এই হামলা শুধু ইরান নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে নতুন এক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইসরায়েলের এমন পদক্ষেপ ইরানের সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন। মধ্যপ্রাচ্যে এটি ক্যানসারের মতো এক অবাঞ্ছিত শক্তি, যার পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সমর্থন।”
কিম জং-উন বিশেষভাবে ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় চালানো বিমান হামলার কঠোর সমালোচনা করেন। তার মতে, “এই হামলা গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।”
ভাষণে কিম জং-উন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিরও কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “ওয়াশিংটনের পদক্ষেপ শুধু সহিংসতা উসকে দেয়, কূটনৈতিক সমাধানের পথ রুদ্ধ করে।”

ক্যাথলিক খিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ চতুর্দশ লিও বলেছেন, ‘যারা যুদ্ধে জড়ায়, সৃষ্টিকর্তা তাদের প্রার্থনায় সাড়া দেন না।’ রোববার (২৯ মার্চ) ‘পাম সানডে’ দিনের উপাসনা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ঘিরে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে। বিশ্ববাজারে ফের বেড়েছে তেলের দাম, পাশাপাশি এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে দেখা দিয়েছে উল্লেখযোগ্য দরপতন।
৭ ঘণ্টা আগে
চার সপ্তাহের নীরবতা ভেঙে ইরানের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, লোহিত সাগরে নৌযান লক্ষ্য করে হুথি হামলা চালালে বিশ্ব বাণিজ্য নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে দেশটির কার্যকর কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই। ফলে ‘খুব সহজেই’ দখল করা সম্ভব।
৮ ঘণ্টা আগে