
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে ইসরায়েলি সেটেলাররা (বসতিস্থাপনকারী) হামলা চালিয়ে দুটি মসজিদে আগুন দিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদসহ গ্রামের ভবনগুলোর দেয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগানও লিখেছেন তারা। আজ রোববার ভোরে এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার নাবলুসের দক্ষিণ-পশ্চিমে তাল গ্রামে সংঘর্ষে চার ফিলিস্তিনি ও দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর এসব হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত দুই সেনার একজন ছিলেন কাছাকাছি একটি ইসরায়েলি বসতির নিরাপত্তা সমন্বয়কারী।
শুক্রবার কিছু সশস্ত্র ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারী তাল গ্রামে প্রবেশ করলে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘর থেকে বেরিয়ে তাদের মুখোমুখি হন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক ফিলিস্তিনি একজন বসতিস্থাপনকারীর অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ফিলিস্তিনি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, বসতিস্থাপনকারীরাই সংঘর্ষের উসকানি দিয়েছিল। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, উভয় পক্ষ থেকেই গুলি ছোড়া হয়েছিল।

চলতি বছরে বসতিস্থাপনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ধারাবাহিকতায় এটিই সর্বশেষ হামলার ঘটনা। জাতিসংঘ ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের সংঘর্ষে এ বছর কয়েক ডজন ফিলিস্তিনি নিহত এবং শত শত মানুষ আহত হয়েছেন।
এদিকে অক্টোবরে নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ দমনের নামে বড় ধরনের নিরাপত্তা অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি পশ্চিম তীরে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন এবং সেনাদের ছুটি বাতিলেরও নির্দেশ দেন। তার সরকারের সদস্যদের মধ্যে, বিশেষ করে কট্টর ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। ১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ইসরায়েল এ অঞ্চল দখল করে।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের ভাষ্য, তালে দুই ইসরায়েলির মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় রোববার ভোরে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে ধারাবাহিক হামলা চালায় বসতিস্থাপনকারীরা।
নাবলুসের দক্ষিণ-পূর্বে কুসরা গ্রামের পরিষদপ্রধান আবদেল আজিম ওয়াদি টেলিফোনে রয়টার্সকে বলেন, রোববার ভোরে তার গ্রামের নতুন নির্মিত একটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “মসজিদটির নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে ছিল এবং নামাজিদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। ভেতরে সোফাও বসানো হয়েছিল। তারা মসজিদে আগুন দেয় এবং দেয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগান লিখে যায়।” দেয়ালে লেখা স্লোগানের মধ্যে ছিল “ইহুদি প্রতিশোধ” এবং তালের কাছে নিহত এক ইসরায়েলির নাম।
শুক্রবারের গোলাগুলির ঘটনাস্থল পশ্চিম তীরের যে অংশটি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক দায়িত্বে রয়েছে, সেই কর্তৃপক্ষের দাবি, এ ঘটনা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চলমান বৃহত্তর হামলারই অংশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলেছে, “ইসরায়েলি রাষ্ট্রের মদদপুষ্ট বসতিস্থাপনকারীদের সন্ত্রাস এখন অধিকৃত পশ্চিম তীরজুড়ে পরিকল্পিত গণসহিংসতায় রূপ নিচ্ছে।”
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, কুসরায় পাঠানো সেনারা ঘটনাস্থলে দেয়ালে লেখা স্লোগান এবং অগ্নিসংযোগের চিহ্ন পেয়েছে। সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রমাণ সংগ্রহে সেখানে পুলিশও পাঠানো হবে।
এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, “ধর্মীয় স্থাপনায় হামলাসহ এ ধরনের সব ঘটনা নিরাপত্তা বাহিনী কঠোরভাবে নিন্দা জানায়। এলাকায় নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে থাকব।”
এ ছাড়া পৃথক ঘটনায় তুলকারম শহরের দক্ষিণ-পূর্বে কৌর গ্রামের একটি মসজিদে আগুন দেওয়ার চেষ্টা এবং রামাল্লাহর কাছে কাফর মালিক শহরের একটি পাথর কাটার কারখানায় কর্মরত ফিলিস্তিনি শ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগও করেছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা।
কৌর গ্রামের পরিষদ সদস্য ফারিদ জিয়ৌসি বলেন, ভোরে তিনজন বসতিস্থাপনকারী মসজিদটিতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তবে নামাজিরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় মূল নামাজের অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়েনি।
তিনি বলেন, “আমাদের গ্রামে এটাই প্রথম এ ধরনের হামলা।” তিনি আরও জানান, হামলাকারীরা মসজিদের দেয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগানও লিখে যায়।
এদিকে সপ্তাহান্তে পশ্চিম তীরজুড়ে নিরাপত্তা অভিযান চালিয়ে শনিবার রাত থেকে প্রায় ৬০ জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিদের তথ্য সংরক্ষণকারী সংগঠন ‘প্যালেস্টিনিয়ান প্রিজনার্স ক্লাব’ এ তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্বের অধিকাংশ দেশ এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও অবৈধ বলে মনে করে। তবে ইসরায়েল এ অবস্থান প্রত্যাখ্যান করে।
ফিলিস্তিনিরা ভবিষ্যৎ স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড হিসেবে পশ্চিম তীরকে দাবি করে। অন্যদিকে ইসরায়েলের দাবি, বাইবেলভিত্তিক ও ঐতিহাসিক কারণে এ ভূখণ্ডের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রয়েছে। ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধী নেতানিয়াহুর সরকার দ্রুতগতিতে পশ্চিম তীরে নতুন নতুন বসতি সম্প্রসারণ করে যাচ্ছে।
এদিকে রোববার পোপ লিও পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি “ন্যায্য রাজনৈতিক সমাধান” খুঁজে বের করতে আলোচনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি সব ধর্মের পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা ও বিদ্যমান অবস্থান লঙ্ঘন করে এমন কর্মকাণ্ড পরিহারেরও আহ্বান জানান।

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে ইসরায়েলি সেটেলাররা (বসতিস্থাপনকারী) হামলা চালিয়ে দুটি মসজিদে আগুন দিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদসহ গ্রামের ভবনগুলোর দেয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগানও লিখেছেন তারা। আজ রোববার ভোরে এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার নাবলুসের দক্ষিণ-পশ্চিমে তাল গ্রামে সংঘর্ষে চার ফিলিস্তিনি ও দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর এসব হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত দুই সেনার একজন ছিলেন কাছাকাছি একটি ইসরায়েলি বসতির নিরাপত্তা সমন্বয়কারী।
শুক্রবার কিছু সশস্ত্র ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারী তাল গ্রামে প্রবেশ করলে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘর থেকে বেরিয়ে তাদের মুখোমুখি হন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক ফিলিস্তিনি একজন বসতিস্থাপনকারীর অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ফিলিস্তিনি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, বসতিস্থাপনকারীরাই সংঘর্ষের উসকানি দিয়েছিল। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, উভয় পক্ষ থেকেই গুলি ছোড়া হয়েছিল।

চলতি বছরে বসতিস্থাপনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ধারাবাহিকতায় এটিই সর্বশেষ হামলার ঘটনা। জাতিসংঘ ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের সংঘর্ষে এ বছর কয়েক ডজন ফিলিস্তিনি নিহত এবং শত শত মানুষ আহত হয়েছেন।
এদিকে অক্টোবরে নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ দমনের নামে বড় ধরনের নিরাপত্তা অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি পশ্চিম তীরে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন এবং সেনাদের ছুটি বাতিলেরও নির্দেশ দেন। তার সরকারের সদস্যদের মধ্যে, বিশেষ করে কট্টর ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। ১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ইসরায়েল এ অঞ্চল দখল করে।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের ভাষ্য, তালে দুই ইসরায়েলির মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় রোববার ভোরে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে ধারাবাহিক হামলা চালায় বসতিস্থাপনকারীরা।
নাবলুসের দক্ষিণ-পূর্বে কুসরা গ্রামের পরিষদপ্রধান আবদেল আজিম ওয়াদি টেলিফোনে রয়টার্সকে বলেন, রোববার ভোরে তার গ্রামের নতুন নির্মিত একটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “মসজিদটির নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে ছিল এবং নামাজিদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। ভেতরে সোফাও বসানো হয়েছিল। তারা মসজিদে আগুন দেয় এবং দেয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগান লিখে যায়।” দেয়ালে লেখা স্লোগানের মধ্যে ছিল “ইহুদি প্রতিশোধ” এবং তালের কাছে নিহত এক ইসরায়েলির নাম।
শুক্রবারের গোলাগুলির ঘটনাস্থল পশ্চিম তীরের যে অংশটি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক দায়িত্বে রয়েছে, সেই কর্তৃপক্ষের দাবি, এ ঘটনা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চলমান বৃহত্তর হামলারই অংশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলেছে, “ইসরায়েলি রাষ্ট্রের মদদপুষ্ট বসতিস্থাপনকারীদের সন্ত্রাস এখন অধিকৃত পশ্চিম তীরজুড়ে পরিকল্পিত গণসহিংসতায় রূপ নিচ্ছে।”
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, কুসরায় পাঠানো সেনারা ঘটনাস্থলে দেয়ালে লেখা স্লোগান এবং অগ্নিসংযোগের চিহ্ন পেয়েছে। সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রমাণ সংগ্রহে সেখানে পুলিশও পাঠানো হবে।
এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, “ধর্মীয় স্থাপনায় হামলাসহ এ ধরনের সব ঘটনা নিরাপত্তা বাহিনী কঠোরভাবে নিন্দা জানায়। এলাকায় নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে থাকব।”
এ ছাড়া পৃথক ঘটনায় তুলকারম শহরের দক্ষিণ-পূর্বে কৌর গ্রামের একটি মসজিদে আগুন দেওয়ার চেষ্টা এবং রামাল্লাহর কাছে কাফর মালিক শহরের একটি পাথর কাটার কারখানায় কর্মরত ফিলিস্তিনি শ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগও করেছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা।
কৌর গ্রামের পরিষদ সদস্য ফারিদ জিয়ৌসি বলেন, ভোরে তিনজন বসতিস্থাপনকারী মসজিদটিতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তবে নামাজিরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় মূল নামাজের অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়েনি।
তিনি বলেন, “আমাদের গ্রামে এটাই প্রথম এ ধরনের হামলা।” তিনি আরও জানান, হামলাকারীরা মসজিদের দেয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগানও লিখে যায়।
এদিকে সপ্তাহান্তে পশ্চিম তীরজুড়ে নিরাপত্তা অভিযান চালিয়ে শনিবার রাত থেকে প্রায় ৬০ জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিদের তথ্য সংরক্ষণকারী সংগঠন ‘প্যালেস্টিনিয়ান প্রিজনার্স ক্লাব’ এ তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্বের অধিকাংশ দেশ এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও অবৈধ বলে মনে করে। তবে ইসরায়েল এ অবস্থান প্রত্যাখ্যান করে।
ফিলিস্তিনিরা ভবিষ্যৎ স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড হিসেবে পশ্চিম তীরকে দাবি করে। অন্যদিকে ইসরায়েলের দাবি, বাইবেলভিত্তিক ও ঐতিহাসিক কারণে এ ভূখণ্ডের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রয়েছে। ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধী নেতানিয়াহুর সরকার দ্রুতগতিতে পশ্চিম তীরে নতুন নতুন বসতি সম্প্রসারণ করে যাচ্ছে।
এদিকে রোববার পোপ লিও পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি “ন্যায্য রাজনৈতিক সমাধান” খুঁজে বের করতে আলোচনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি সব ধর্মের পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা ও বিদ্যমান অবস্থান লঙ্ঘন করে এমন কর্মকাণ্ড পরিহারেরও আহ্বান জানান।

প্রতিরক্ষা শঙ্কার পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে এক ধরণের রাজনৈতিক সংশয়ও তৈরি হয়েছে। জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ক্রমাগত হামলায় ইরানকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করা সম্ভব হয়নি। উল্টো বিদেশি আগ্রাসনের মুখোমুখি হয়ে দেশটির সাধারণ জনগণ ও রাজনৈতিক শক্তিগুলো নিজেদের মধ্যে সব মতভেদ ভুলে আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্ব সিরিয়ার সঙ্গে রাজধানীকে সংযুক্তকারী ৪০০ কিলোমিটারেরও দীর্ঘ মহাসড়কটির আল-সুখনা ও পালমিরার মধ্যবর্তী স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটে। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাস দুটির একটিতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন এবং অপরটিতে ছিলেন বেসামরিক যাত্রীরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রায় দুই মাস ধরে চলা আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে। পরে তা ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা, কর্মসংস্থানের সংকট এবং সরকারের জবাবদিহি নিয়ে তরুণদের বিস্তৃত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশে রূপ নেয়। দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশের বয়স ৩৫ বছরের নিচে।
১ দিন আগে