
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার পর থেকেই বৈশ্বিক তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেছে ইরান। এতে সারা বিশ্বের তেলের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্য বিশ্বনেতারা বারবার আহ্বান জানালেও কাজ হয়নি। ইরানের সাফ কথা, যুক্তরাষ্ট্রসহ তাদের মিত্র তথা ইরানের শত্রুদের জন্য এই প্রণালি বন্ধই থাকবে।
এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য আলটিমেটাম দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে না দিলে ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প নতুন এ আলটিমেটাম দিয়েছেন। গ্রিনিচ মিন টাইম অনুযায়ী শনিবার (২১ মার্চ) রাত ১১টা ৪৪ মিনিটে পোস্টটি করেন ট্রাম্প। ফলে তার আলটিমেটাম অনুযায়ী ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে গ্রিনিচ মিন টাইমে সোমবার (২৩ মার্চ) রাত ১১টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত সময় পাবে।
ট্রাম্প লিখেছেন, ঠিক এ মুহূর্ত থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো ধরনের হুমকি বা শর্ত ছাড়াই ইরানকে এ জলপথ পুরোপুরি খুলে দিতে হবে। ইরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়ে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেবে। আর শুরু করা হবে সবচেয়ে বড়টি দিয়ে।
ট্রাম্পের এ হুঁশিয়ারিকে অবশ্য আমলে নিচ্ছে না ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী ট্রাম্পকে জবাব দিয়ে বলেছে, তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করা হলে তারাও বসে থাকবে না। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত সব জ্বালানি অবকাঠামোতে পালটা হামলা করা হবে।
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত পানি শোধনাগার (ডিস্যালাইনেশন প্ল্যান্ট) এবং তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোতেও হামলা চালাবে ইরান।
ইরানের ফারস নিউজ এজেন্সি এক খবরে বলেছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রয়াত প্রধান আলি লারিজানি আগেই সতর্ক করেছিলেন, ইরানের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে হামলা হলে আধা ঘণ্টার মধ্যে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে বিদ্যুৎহীন করে দেওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার পর থেকেই বৈশ্বিক তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেছে ইরান। এতে সারা বিশ্বের তেলের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্য বিশ্বনেতারা বারবার আহ্বান জানালেও কাজ হয়নি। ইরানের সাফ কথা, যুক্তরাষ্ট্রসহ তাদের মিত্র তথা ইরানের শত্রুদের জন্য এই প্রণালি বন্ধই থাকবে।
এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য আলটিমেটাম দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে না দিলে ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প নতুন এ আলটিমেটাম দিয়েছেন। গ্রিনিচ মিন টাইম অনুযায়ী শনিবার (২১ মার্চ) রাত ১১টা ৪৪ মিনিটে পোস্টটি করেন ট্রাম্প। ফলে তার আলটিমেটাম অনুযায়ী ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে গ্রিনিচ মিন টাইমে সোমবার (২৩ মার্চ) রাত ১১টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত সময় পাবে।
ট্রাম্প লিখেছেন, ঠিক এ মুহূর্ত থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো ধরনের হুমকি বা শর্ত ছাড়াই ইরানকে এ জলপথ পুরোপুরি খুলে দিতে হবে। ইরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়ে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেবে। আর শুরু করা হবে সবচেয়ে বড়টি দিয়ে।
ট্রাম্পের এ হুঁশিয়ারিকে অবশ্য আমলে নিচ্ছে না ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী ট্রাম্পকে জবাব দিয়ে বলেছে, তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করা হলে তারাও বসে থাকবে না। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত সব জ্বালানি অবকাঠামোতে পালটা হামলা করা হবে।
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত পানি শোধনাগার (ডিস্যালাইনেশন প্ল্যান্ট) এবং তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোতেও হামলা চালাবে ইরান।
ইরানের ফারস নিউজ এজেন্সি এক খবরে বলেছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রয়াত প্রধান আলি লারিজানি আগেই সতর্ক করেছিলেন, ইরানের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে হামলা হলে আধা ঘণ্টার মধ্যে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে বিদ্যুৎহীন করে দেওয়া হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের পদক্ষেপ ইরান যে নীতির কথা বলে, তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। একই সঙ্গে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, এ ধরনের আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর এর গুরুতর প্রভাব পড়বে।
১২ ঘণ্টা আগে
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনা ও আরাদে অবস্থিত প্রধান পরমাণু স্থাপনার কাছাকাছি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়। এতে কয়েকটি আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে। কয়েকশ’ নিহত অথবা আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ভয়াবহ এই হামলার পর আক্রান্ত এলাকায় জরুর
১৩ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরা ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, ইরানের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে সরাসরি আবাসিক এলাকায় আঘাত হানে। এই হামলার পর পুরো দেশজুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করাসহ হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে