
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার ওভাল অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন হামলায় ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনীসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলো বিধ্বস্ত হয়েছে এবং দেশটিতে কার্যকর শাসন পরিবর্তন ঘটেছে। তবে যুদ্ধের এই দ্রুত সমাপ্তিতে খোদ মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ‘হতাশ’ হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একদিকে যখন রণক্ষেত্রে ধ্বংসলীলা আর শীর্ষ নেতাদের প্রাণহানির খবর আসছে, অন্যদিকে তখন পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানের কাছে ওয়াশিংটনের ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব পাঠানোর গুঞ্জন—সব মিলিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটে এক রহস্যময় ও জটিল সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমরা বিজয়ী হয়েছি। এ যুদ্ধে ইতোমধ্যে আমাদের জয় এসে গেছে। আমরা তাদের নৌবাহিনীকে ধ্বংস করেছি…. বিমানবাহিনী, অস্ত্রাগার, এবং বিভিন্ন সেনা-স্থাপনায় হামলা করেছি…নিউ ইয়র্ক টাইমস, এবিসি, সিবিসি-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম প্রচুর ভুয়া সংবাদ ছড়াচ্ছে; কিন্তু সত্য হলো— আমরা জয় পেয়েছি এবং এত দ্রুত বিজয় আসায় পিট (হেগসেথ) খানিকটা হতাশ হয়েছে।”
নিজ বক্তব্যে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানে কার্যকরভাবে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে এবং বর্তমানে যারা ইরানের নেতৃত্বে আছেন, তারা আগের নেতাদের থেকে ‘অনেকটা ভিন্ন’। ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার সংলাপের মধ্যে আছেন বলেও উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি, সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইরানের বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ধ্বংস কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ইতেমধ্যে ইরানে নিহত হয়েছেন ২ হাজারের বেশি মানুষ।
এদিকে সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।
তবে গতকাল মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইরানকে ১৫টি পয়েন্ট সম্বলিত একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের মাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রস্তাবটি তেহরানে পৌঁছানো হয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার ওভাল অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন হামলায় ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনীসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলো বিধ্বস্ত হয়েছে এবং দেশটিতে কার্যকর শাসন পরিবর্তন ঘটেছে। তবে যুদ্ধের এই দ্রুত সমাপ্তিতে খোদ মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ‘হতাশ’ হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একদিকে যখন রণক্ষেত্রে ধ্বংসলীলা আর শীর্ষ নেতাদের প্রাণহানির খবর আসছে, অন্যদিকে তখন পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানের কাছে ওয়াশিংটনের ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব পাঠানোর গুঞ্জন—সব মিলিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটে এক রহস্যময় ও জটিল সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমরা বিজয়ী হয়েছি। এ যুদ্ধে ইতোমধ্যে আমাদের জয় এসে গেছে। আমরা তাদের নৌবাহিনীকে ধ্বংস করেছি…. বিমানবাহিনী, অস্ত্রাগার, এবং বিভিন্ন সেনা-স্থাপনায় হামলা করেছি…নিউ ইয়র্ক টাইমস, এবিসি, সিবিসি-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম প্রচুর ভুয়া সংবাদ ছড়াচ্ছে; কিন্তু সত্য হলো— আমরা জয় পেয়েছি এবং এত দ্রুত বিজয় আসায় পিট (হেগসেথ) খানিকটা হতাশ হয়েছে।”
নিজ বক্তব্যে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানে কার্যকরভাবে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে এবং বর্তমানে যারা ইরানের নেতৃত্বে আছেন, তারা আগের নেতাদের থেকে ‘অনেকটা ভিন্ন’। ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার সংলাপের মধ্যে আছেন বলেও উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি, সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইরানের বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ধ্বংস কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ইতেমধ্যে ইরানে নিহত হয়েছেন ২ হাজারের বেশি মানুষ।
এদিকে সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।
তবে গতকাল মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইরানকে ১৫টি পয়েন্ট সম্বলিত একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের মাধ্যমে ইতোমধ্যে প্রস্তাবটি তেহরানে পৌঁছানো হয়েছে।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের এক অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, ২৮ মার্চ যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯টি ক্লাস্টার ওয়ারহেডবাহী ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে জনবসতিতে আঘাত হেনেছে। এই পরিসংখ্যান ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি বড় দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
হিউস্টন থেকে ৯০ মাইল দূরের এই শোধনাগারটি প্রতিদিন প্রায় ৪ লাখ ৩৫ হাজার ব্যারেল জ্বালানি উৎপাদন করে, যা এই দুর্ঘটনার ফলে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
বিমানবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান চলাকালীন দুর্ঘটনাস্থল থেকে অন্তত ৭৭ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর শেয়ার করা সামরিক কমান্ডের বিবৃতিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের কোনো আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগে টুইটার) এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যে চোরাবালিতে আটকে গেছে, তা থেকে বাঁচতে মিথ্যা খবর ব্যবহার করা
২ দিন আগে