
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক অভিযান চালালে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন মিত্রদেশগুলোর ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালানো হবে— এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার হুমকি দেওয়ার পর আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ইরানি কর্মকর্তা বলেন, তেহরানে মনে করছে যে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সম্ভাব্য এই হামলার সময় ও পরিধি এখনো স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখতে ইরান ইতোমধ্যে আঞ্চলিক মিত্রদের মাধ্যমে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে।
ওই কর্মকর্তা আরও জানান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশকে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে— যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ভূখণ্ডে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের পাল্টা আঘাতের লক্ষ্যবস্তু হবে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগও স্থগিত করা হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
এদিকে গতকাল সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তারা যদি তাদের ফাঁসিতে ঝোলায়, তবে আপনারা বড় কিছু দেখতে পাবেন।’
এ ছাড়া ট্রাম্প ইরানের জনগণকে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান দখলের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সহায়তা আসছে।’ তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর, কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। গত বছর ইরানের একটি পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার জবাবে তেহরান আল-উদেইদ ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান আলী লারিজানি কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এবং আব্বাস আরাঘচি তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলেছেন। এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। আরাঘচি আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, বর্তমানে ‘শান্তি বিরাজ করছে’ এবং ইরান যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ থেকে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির বর্তমান ধর্মীয় নেতৃত্বের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ এই অস্থিরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে।
দেশটিতে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বিক্ষোভে সেখানকার হতাহতের তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ বলছে, ইরানে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৪০৩ জন বিক্ষোভকারী ও ১৪৭ জন সরকারি কর্মী নিহত হওয়ার তথ্য সম্পর্কে তারা নিশ্চিত হতে পেরেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক অভিযান চালালে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন মিত্রদেশগুলোর ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালানো হবে— এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার হুমকি দেওয়ার পর আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ইরানি কর্মকর্তা বলেন, তেহরানে মনে করছে যে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সম্ভাব্য এই হামলার সময় ও পরিধি এখনো স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখতে ইরান ইতোমধ্যে আঞ্চলিক মিত্রদের মাধ্যমে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে।
ওই কর্মকর্তা আরও জানান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশকে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে— যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ভূখণ্ডে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের পাল্টা আঘাতের লক্ষ্যবস্তু হবে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগও স্থগিত করা হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
এদিকে গতকাল সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তারা যদি তাদের ফাঁসিতে ঝোলায়, তবে আপনারা বড় কিছু দেখতে পাবেন।’
এ ছাড়া ট্রাম্প ইরানের জনগণকে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান দখলের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সহায়তা আসছে।’ তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর, কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। গত বছর ইরানের একটি পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার জবাবে তেহরান আল-উদেইদ ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান আলী লারিজানি কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এবং আব্বাস আরাঘচি তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলেছেন। এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। আরাঘচি আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, বর্তমানে ‘শান্তি বিরাজ করছে’ এবং ইরান যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ থেকে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির বর্তমান ধর্মীয় নেতৃত্বের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ এই অস্থিরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে।
দেশটিতে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বিক্ষোভে সেখানকার হতাহতের তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ বলছে, ইরানে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৪০৩ জন বিক্ষোভকারী ও ১৪৭ জন সরকারি কর্মী নিহত হওয়ার তথ্য সম্পর্কে তারা নিশ্চিত হতে পেরেছে।

ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর হাতে জব্দ হওয়া পণ্যবাহী জাহাজ ‘তুসকা’ এবং এর আরোহীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন ও ‘অপরাধমূলক কাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে তেহরান।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, হুমকির মুখে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় যেতে রাজি নয়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— পরিস্থিতি ফের যুদ্ধের দিকে গড়ালে ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন কৌশল ও ‘কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
পেন্টাগনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭১ জন সেনাবাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া নৌবাহিনীর ৬৩ জন, বিমানবাহিনীর ৬২ জন এবং ১৯ জন মেরিন সেনা আহত হয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে আবারও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গতকাল সোমবার দুই দেশ একে অপরকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। এর ফলে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে প্রস্তাবিত দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে