
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারত-পাকিস্তানের রাজনৈতিক বৈরিতার প্রভাব এবার হকিতেও পড়লো। চলতি মাসের ২৯ আগস্ট ভারতের রাজগিরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হকি এশিয়া কাপ। তবে এতে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে অংশ নিচ্ছে না পাকিস্তান।
বুধবার (৬ আগস্ট) হকি ইন্ডিয়ার এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে পাকিস্তানের নাম প্রত্যাহারের বিষয়টি।
এশিয়ান হকি ফেডারেশনকেও আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে পাকিস্তান হকি ফেডারেশন (পিএইচএফ)। ভারতের মাটিতে নিজেদের নিরাপত্তা ঘাটতির কথা উল্লেখ করেই টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে পাকিস্তান।
ভারতীয় হকির একজন কর্মকর্তা দ্য হিন্দুকে বলেন, ‘পাকিস্তান হকি ফেডারেশন এশিয়ান হকি ফেডারেশনকে লিখিতভাবে জানিয়েছে, নিরাপত্তার কারণেই তারা টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে না। এরপর আমরা বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।’
রাজনৈতিক বৈরিতায় দুই দেশের সম্পর্ক খেলার মাঠ পর্যন্ত গড়িয়েছে বহু আগেই। ক্রিকেটে এই সমস্যা লেগে আছে অনেক আগে থেকেই। এবারের এশিয়া কাপ আয়োজন করতে হচ্ছে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে।
যদিও ভারত সরকার জুলাইয়ের শুরুতে স্পষ্ট করেছিল—পাকিস্তানের অংশগ্রহণে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। পাকিস্তান এরপরও অনীহা দেখায় অংশগ্রহণে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ভিসার আবেদনও করে। কিন্তু এবার জানা গেল তারা অংশ নিচ্ছে না এশিয়া কাপে।
২০১৬ সালে পাঠানকোট ও উরি হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কে উত্তেজনা ছড়ায়। তখনও একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয় পাকিস্তান।
পিএইচএফ সভাপতি তারিক বুগতি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের মাটিতে আমাদের খেলোয়াড়রা নিরাপদ বোধ করছে না। খেলোয়াড়দের মাঝেও সফরের অনীহা রয়েছে। অথচ এই এশিয়া কাপ থেকেই সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট মেলে।’
তবে বছর দুয়েক আগে ২০২৩ সালে ভারতের মাটিতে খেলেছিল পাকিস্তান এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে।

ভারত-পাকিস্তানের রাজনৈতিক বৈরিতার প্রভাব এবার হকিতেও পড়লো। চলতি মাসের ২৯ আগস্ট ভারতের রাজগিরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হকি এশিয়া কাপ। তবে এতে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে অংশ নিচ্ছে না পাকিস্তান।
বুধবার (৬ আগস্ট) হকি ইন্ডিয়ার এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে পাকিস্তানের নাম প্রত্যাহারের বিষয়টি।
এশিয়ান হকি ফেডারেশনকেও আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে পাকিস্তান হকি ফেডারেশন (পিএইচএফ)। ভারতের মাটিতে নিজেদের নিরাপত্তা ঘাটতির কথা উল্লেখ করেই টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে পাকিস্তান।
ভারতীয় হকির একজন কর্মকর্তা দ্য হিন্দুকে বলেন, ‘পাকিস্তান হকি ফেডারেশন এশিয়ান হকি ফেডারেশনকে লিখিতভাবে জানিয়েছে, নিরাপত্তার কারণেই তারা টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে না। এরপর আমরা বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।’
রাজনৈতিক বৈরিতায় দুই দেশের সম্পর্ক খেলার মাঠ পর্যন্ত গড়িয়েছে বহু আগেই। ক্রিকেটে এই সমস্যা লেগে আছে অনেক আগে থেকেই। এবারের এশিয়া কাপ আয়োজন করতে হচ্ছে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে।
যদিও ভারত সরকার জুলাইয়ের শুরুতে স্পষ্ট করেছিল—পাকিস্তানের অংশগ্রহণে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। পাকিস্তান এরপরও অনীহা দেখায় অংশগ্রহণে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ভিসার আবেদনও করে। কিন্তু এবার জানা গেল তারা অংশ নিচ্ছে না এশিয়া কাপে।
২০১৬ সালে পাঠানকোট ও উরি হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কে উত্তেজনা ছড়ায়। তখনও একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয় পাকিস্তান।
পিএইচএফ সভাপতি তারিক বুগতি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের মাটিতে আমাদের খেলোয়াড়রা নিরাপদ বোধ করছে না। খেলোয়াড়দের মাঝেও সফরের অনীহা রয়েছে। অথচ এই এশিয়া কাপ থেকেই সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট মেলে।’
তবে বছর দুয়েক আগে ২০২৩ সালে ভারতের মাটিতে খেলেছিল পাকিস্তান এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টের জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে ওই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
৫ দিন আগে
আজ রোববার ভুটানের থিম্পুতে আয়োজিত সাফ কংগ্রেসে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি জয়ী হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ২০০৯ সাল থেকে টানা ১৭ বছর সংস্থাটির শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখলেন তিনি।
৭ দিন আগে
প্রথম দিকে ফিফা দাবি করেছিল, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলে আরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। তবে সমালোচকদের আশঙ্কা ছিল, এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবল সম্পদের ওপর বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরি হবে। সেই বিতর্কই শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনাটি ভেস্তে দেয়।
৭ দিন আগে
প্রথম ফ্লাইটে ১০ জন কোচিং স্টাফদের সঙ্গে উড়াল দিয়েছেন কয়েকজন ক্রিকেটারও। তানজিদ তামিম ও অমিত হাসান একসঙ্গে এলেও আলাদাভাবে বিমানবন্দরে পৌঁছান তাইজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহিম, খালেদ আহমেদ ও সাদমান ইসলাম। প্রিয় তারকাদের কাছ থেকে দেখতে ভিড় করেন অনেক সমর্থক। তবে এদিন ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি কেউই।
৭ দিন আগে