
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের অ্যামেচার কমব্যাট স্পোর্টসের ইতিহাসে এক রোমাঞ্চকর মাইলফলক স্পর্শ করলো অত্যন্ত জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট ‘জুলকান বিটডাউন’ (Zulcan Beatdown)। গতকাল শুক্রবার ঢাকার জুলকান ইনডোর অ্যারেনায় দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় এবং তুমুল উন্মাদনার মধ্য দিয়ে এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয়েছে।
এ দিন দুপুর আড়াইটায় শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টে বক্সিং, মিক্সড মার্শাল আর্টস (MMA) এবং কিকবক্সিংয়ের কেইজে (খাঁচায়) নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিতে প্রথমবারের মতো রিংয়ে নামেন একঝাঁক প্রতিভাবান তরুণ ও তরুণী ক্রীড়াবিদ। ১৮টি হাই-ভোল্টেজ লড়াই ও দর্শকদের উন্মাদনায় এই আয়োজন ছিল জমজমাট।
দেশীয় কমব্যাট স্পোর্টস প্রতিভাবানদের সঠিক ও আন্তর্জাতিক মানের প্ল্যাটফর্ম প্রদানের লক্ষ্যে এই বিশেষ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টে বিভিন্ন ওজন শ্রেণিতে পুরুষ ও নারী প্রতিযোগীদের মধ্যে মোট ১৮টি রোমাঞ্চকর লড়াই অনুষ্ঠিত হয়।
খেলোয়াড়দের আক্রমণাত্মক লড়াই, নিখুঁত রণকৌশল এবং অদম্য সাহসিকতার সাক্ষী হন হাজারো দর্শক। খাঁচার ভেতরের এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেশের মার্শাল আর্টসের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল চিত্র তুলে ধরেছে। কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন হাব ‘জুলকান ইনডোর অ্যারেনা’য় এটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ইভেন্টটি বাংলাদেশে কমব্যাট স্পোর্টস সংস্কৃতির দ্রুত বিকাশকে আরও একবার প্রমাণ করল।
ক্রীড়াপ্রেমী, দর্শক এবং প্রশিক্ষকরা খেলোয়াড়দের অসাধারণ স্ট্যামিনা এবং খাঁচার ভেতরের পেশাদার আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে জুলকান ইনডোর অ্যারেনা আগামী দিনের বিশ্বমানের মার্শাল আর্টস চ্যাম্পিয়ন তৈরির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ভবিষ্যৎ চ্যাম্পিয়ন তৈরিতে অ্যামেচার ফাইটের গুরুত্ব হবে অপরিসীম।
এই আয়োজনটি নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দেশের ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এ প্রসঙ্গে বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির হেড অব অপারেশন্স মাসুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘ভবিষ্যতে প্রফেশনাল ফাইটার পেতে হলে আমাদের অ্যামেচার ফাইটকে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রায় সব কমব্যাট জিমকে সঙ্গে নিয়ে অ্যামেচার ফাইটকে এনকারেজ (উৎসাহিত) করার জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।’ আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই প্ল্যাটফর্ম থেকে উঠে আসা লড়াকু যোদ্ধারাই একদিন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরবেন।

বাংলাদেশের অ্যামেচার কমব্যাট স্পোর্টসের ইতিহাসে এক রোমাঞ্চকর মাইলফলক স্পর্শ করলো অত্যন্ত জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট ‘জুলকান বিটডাউন’ (Zulcan Beatdown)। গতকাল শুক্রবার ঢাকার জুলকান ইনডোর অ্যারেনায় দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় এবং তুমুল উন্মাদনার মধ্য দিয়ে এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয়েছে।
এ দিন দুপুর আড়াইটায় শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টে বক্সিং, মিক্সড মার্শাল আর্টস (MMA) এবং কিকবক্সিংয়ের কেইজে (খাঁচায়) নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিতে প্রথমবারের মতো রিংয়ে নামেন একঝাঁক প্রতিভাবান তরুণ ও তরুণী ক্রীড়াবিদ। ১৮টি হাই-ভোল্টেজ লড়াই ও দর্শকদের উন্মাদনায় এই আয়োজন ছিল জমজমাট।
দেশীয় কমব্যাট স্পোর্টস প্রতিভাবানদের সঠিক ও আন্তর্জাতিক মানের প্ল্যাটফর্ম প্রদানের লক্ষ্যে এই বিশেষ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টে বিভিন্ন ওজন শ্রেণিতে পুরুষ ও নারী প্রতিযোগীদের মধ্যে মোট ১৮টি রোমাঞ্চকর লড়াই অনুষ্ঠিত হয়।
খেলোয়াড়দের আক্রমণাত্মক লড়াই, নিখুঁত রণকৌশল এবং অদম্য সাহসিকতার সাক্ষী হন হাজারো দর্শক। খাঁচার ভেতরের এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেশের মার্শাল আর্টসের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল চিত্র তুলে ধরেছে। কমব্যাট স্পোর্টসের নতুন হাব ‘জুলকান ইনডোর অ্যারেনা’য় এটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ইভেন্টটি বাংলাদেশে কমব্যাট স্পোর্টস সংস্কৃতির দ্রুত বিকাশকে আরও একবার প্রমাণ করল।
ক্রীড়াপ্রেমী, দর্শক এবং প্রশিক্ষকরা খেলোয়াড়দের অসাধারণ স্ট্যামিনা এবং খাঁচার ভেতরের পেশাদার আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে জুলকান ইনডোর অ্যারেনা আগামী দিনের বিশ্বমানের মার্শাল আর্টস চ্যাম্পিয়ন তৈরির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ভবিষ্যৎ চ্যাম্পিয়ন তৈরিতে অ্যামেচার ফাইটের গুরুত্ব হবে অপরিসীম।
এই আয়োজনটি নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দেশের ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এ প্রসঙ্গে বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির হেড অব অপারেশন্স মাসুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘ভবিষ্যতে প্রফেশনাল ফাইটার পেতে হলে আমাদের অ্যামেচার ফাইটকে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রায় সব কমব্যাট জিমকে সঙ্গে নিয়ে অ্যামেচার ফাইটকে এনকারেজ (উৎসাহিত) করার জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।’ আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই প্ল্যাটফর্ম থেকে উঠে আসা লড়াকু যোদ্ধারাই একদিন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরবেন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের মাঝপথেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার। ফলে সিরিজের বাকি দুটি টেস্টে আর দেখা যাবে না সমকালীন বিশ্বসেরা চার ব্যাটার ‘ফ্যাব-ফোরে’র অংশ কিউই এই ব্যাটারকে।
১ দিন আগে
এ জয়ে তিন বিশ্বকাপ মিলিয়ে টানা তিন ম্যাচে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষকে হারানোর রেকর্ডও অক্ষুণ্ন রাখল দক্ষিণ কোরিয়া। এর আগে ২০১৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জার্মানি আর ২০২২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পর্তুগালের মুখোমুখি হয়েছিল এশিয়ার এই পরাশক্তি। দুটি ম্যাচেই জয় পেয়েছিল তারা।
২ দিন আগে
হ্যাঁ, বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই তিন লাল কার্ডের একক অনন্য নজির গড়েছে এই ম্যাচ। উদ্বোধনী ম্যাচ কেবল নয়, এর আগে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে তিন লাল কার্ডের ঘটনাই রয়েছে মাত্র চারটি— ১৯৫৪ সালে হাঙ্গেরি-ব্রাজিল, ১৯৯৮ সালে ডেনমার্ক-দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়া-ক্রোয়েশিয়া ও ইতালি-যুক্তরাষ্ট্র ম্য
২ দিন আগে
ম্যাচ শেষের ঠিক আগের ওভারেই নাথান এলিসের একটি বল মিরাজের হেলমেটে আঘাত করেছিল। ওই সময় প্রটোকল অনুযায়ী কনকাশন টেস্টে উৎরে যান তিনি। যে কারণে মাঠ ছাড়তে হয়নি তাকে। কিন্তু ম্যাচ শেষ হতেই আর কোনো ঝুঁকি নেয়নি বাংলাদেশ। সতর্কতার অংশ হিসেবে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নেওয়া হয়েছে হাসপাতালে।
২ দিন আগে