
ক্রীড়া ডেস্ক

কাতারে সাফল্যের পর যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন আর্জেন্টিনার ভক্ত-অনুরাগীরা। প্রতীক্ষায় ছিলেন, কবে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের অভিযানে আসবে চূড়ান্ত ২৬ জনের তালিকা। শেষ পর্যন্ত সে অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। আর্জেন্টিনার ২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন লিওনেল স্কালোনি।
অনুমিতভাবেই আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় তারকা লিওনেল মেসিকে অধিনায়ক করেই ঘোষণা করা হয়েছে এই স্কোয়াড। কাতার বিশ্বকাপের স্কোয়াড থেকে ১৭ জনই স্থান পেয়েছেন এবারের বিশ্বকাপে। সঙ্গে স্থান পেয়েছেন আলোচনায় থাকা বেশ কয়েকজন তরুণ। সে হিসাবে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে চমক বলতে গেলে তেমন কিছুই নেই।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) আর্জেন্টিনার এই বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। গত বিশ্বকাপের পরই মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ দেখে ফেলেছিলেন অনেকে। কিন্তু গত চার বছরেই মেসি ধরে রেখেছেন নিজের ফর্ম। ফলে তার নেতৃত্বেই আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে যাবে, তা নিয়ে সন্দেহ ছিল না কারও। ৩৮ বছর বয়সী ইন্টার মায়ামির এই ফরোয়ার্ড তাই দেশের হয়ে এবার ষষ্ঠ বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্ব করবেন।
২০২২ সালে কাতারে বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যদের মধ্যে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ; রক্ষণভাগের সেনানী ক্রিস্টিয়ানো রোমেরো ও নিকোলাস ওতামেন্দি; মধ্যমাঠের তারকা রদ্রিগো ডি পল, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, এনজো ফার্নান্দেজ; এবং আক্রমণভাগের আলভারেজ ও লাউতারো মার্টিনেজসহ ১৭ জন ফুটবলার রয়েছেন এবারের স্কোয়াডেও।
পাশাপাশি জায়গা পেয়েছেন কয়েকজন তরুণ ফুটবলার। তাদের মধ্যে রয়েছেন ভ্যালেন্তিন বার্কো, নিকোলাস পাজ, জিউলিয়ানো সিমিওনে, হোসে মানুয়েল লোপেজ ও থিয়াগো আলমাদা। সাম্প্রতিক সময়ে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের জার্সিতে তাদের দেখা গেলেও বিশ্বকাপের মঞ্চে এবারই প্রথম এসব তরুণরা।
এদিকে ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকলেও ম্যাচ পাননি মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসো। কাতারের গত বিশ্বকাপও তিনি মিস করেছেন ইনজুরির কারণে। এবার তিনি জায়গা পেয়েছেন স্কোয়াডে। একাদশে স্থান পেলে বিশ্বকাপে অভিষেক হবে মধ্যমাঠের এ শৈল্পিক ফুটবলারের।
এবারের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে চমক না থাকলেও গুঞ্জন ছিল আনহেল ডি মারিয়াকে নিয়ে। গত বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম প্রাণভোমরা ডি মারিয়া ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান। গুঞ্জন ছিল, অবসর ভেঙে বিশ্বকাপে ফিরবেন তিনি। সেটি শেষ পর্যন্ত আর হয়নি।
বিশ্বকাপে ‘জে’ গ্রুপে স্থান হয়েছে আর্জেন্টিনার। এই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। ১৭ জুন আলজেরিয়া ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে আলবিসেলেস্তের বিশ্বকাপ অভিযান।
গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, জেরোনিমো রুলি ও হুয়ান মুসো।
ডিফেন্ডার: লিওনার্দো বালের্দি, গঞ্জালো মন্তিয়েল, নিকোলাস তালিয়াফিকো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, ফাকুন্দো মেদিনা ও নাহুয়েল মলিনা।
মিডফিল্ডার: লেয়ান্দ্রো পারেদেস, রদ্রিগো ডি পল, ভ্যালেন্তিন বার্কো, জিওভানি লো সেলসো, এক্সেকুয়েল পালাসিওস, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও এনজো ফার্নান্দেজ।
ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, নিকোলাস গঞ্জালেস, থিয়াগো আলমাদা, জিউলিয়ানো সিমিওনে, নিকোলাস পাজ, হোসে মানুয়েল লোপেজ ও লাউতারো মার্টিনেজ।

কাতারে সাফল্যের পর যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন আর্জেন্টিনার ভক্ত-অনুরাগীরা। প্রতীক্ষায় ছিলেন, কবে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের অভিযানে আসবে চূড়ান্ত ২৬ জনের তালিকা। শেষ পর্যন্ত সে অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। আর্জেন্টিনার ২০২৬ বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন লিওনেল স্কালোনি।
অনুমিতভাবেই আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় তারকা লিওনেল মেসিকে অধিনায়ক করেই ঘোষণা করা হয়েছে এই স্কোয়াড। কাতার বিশ্বকাপের স্কোয়াড থেকে ১৭ জনই স্থান পেয়েছেন এবারের বিশ্বকাপে। সঙ্গে স্থান পেয়েছেন আলোচনায় থাকা বেশ কয়েকজন তরুণ। সে হিসাবে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে চমক বলতে গেলে তেমন কিছুই নেই।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) আর্জেন্টিনার এই বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। গত বিশ্বকাপের পরই মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ দেখে ফেলেছিলেন অনেকে। কিন্তু গত চার বছরেই মেসি ধরে রেখেছেন নিজের ফর্ম। ফলে তার নেতৃত্বেই আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে যাবে, তা নিয়ে সন্দেহ ছিল না কারও। ৩৮ বছর বয়সী ইন্টার মায়ামির এই ফরোয়ার্ড তাই দেশের হয়ে এবার ষষ্ঠ বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্ব করবেন।
২০২২ সালে কাতারে বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যদের মধ্যে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ; রক্ষণভাগের সেনানী ক্রিস্টিয়ানো রোমেরো ও নিকোলাস ওতামেন্দি; মধ্যমাঠের তারকা রদ্রিগো ডি পল, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, এনজো ফার্নান্দেজ; এবং আক্রমণভাগের আলভারেজ ও লাউতারো মার্টিনেজসহ ১৭ জন ফুটবলার রয়েছেন এবারের স্কোয়াডেও।
পাশাপাশি জায়গা পেয়েছেন কয়েকজন তরুণ ফুটবলার। তাদের মধ্যে রয়েছেন ভ্যালেন্তিন বার্কো, নিকোলাস পাজ, জিউলিয়ানো সিমিওনে, হোসে মানুয়েল লোপেজ ও থিয়াগো আলমাদা। সাম্প্রতিক সময়ে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের জার্সিতে তাদের দেখা গেলেও বিশ্বকাপের মঞ্চে এবারই প্রথম এসব তরুণরা।
এদিকে ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকলেও ম্যাচ পাননি মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসো। কাতারের গত বিশ্বকাপও তিনি মিস করেছেন ইনজুরির কারণে। এবার তিনি জায়গা পেয়েছেন স্কোয়াডে। একাদশে স্থান পেলে বিশ্বকাপে অভিষেক হবে মধ্যমাঠের এ শৈল্পিক ফুটবলারের।
এবারের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে চমক না থাকলেও গুঞ্জন ছিল আনহেল ডি মারিয়াকে নিয়ে। গত বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম প্রাণভোমরা ডি মারিয়া ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান। গুঞ্জন ছিল, অবসর ভেঙে বিশ্বকাপে ফিরবেন তিনি। সেটি শেষ পর্যন্ত আর হয়নি।
বিশ্বকাপে ‘জে’ গ্রুপে স্থান হয়েছে আর্জেন্টিনার। এই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। ১৭ জুন আলজেরিয়া ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে আলবিসেলেস্তের বিশ্বকাপ অভিযান।
গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, জেরোনিমো রুলি ও হুয়ান মুসো।
ডিফেন্ডার: লিওনার্দো বালের্দি, গঞ্জালো মন্তিয়েল, নিকোলাস তালিয়াফিকো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, ফাকুন্দো মেদিনা ও নাহুয়েল মলিনা।
মিডফিল্ডার: লেয়ান্দ্রো পারেদেস, রদ্রিগো ডি পল, ভ্যালেন্তিন বার্কো, জিওভানি লো সেলসো, এক্সেকুয়েল পালাসিওস, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও এনজো ফার্নান্দেজ।
ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, নিকোলাস গঞ্জালেস, থিয়াগো আলমাদা, জিউলিয়ানো সিমিওনে, নিকোলাস পাজ, হোসে মানুয়েল লোপেজ ও লাউতারো মার্টিনেজ।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই অনন্য সাফল্য আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় অনুপ্রাণিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
৯ দিন আগে
ঘরের মাঠে সফরকারীদের স্রেফ উড়িয়ে দিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে দাপুটে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ নিল টাইগাররা। চট্টগ্রামের প্রথম টেস্টে জয়ের পর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামেও দাপট ধরে রেখে ব্যাক-টু-ব্যাক হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবিয়েছে পাকিস্তানকে।
১০ দিন আগে
চতুর্থ মৌসুমে এসে শেষ পর্যন্ত পারলেন আর্তেতা, পারল আর্সেনাল। দীর্ঘ ২২ মৌসুম পর অবশেষে কাটল শিরোপা খরা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নতুন চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল। এটি তাদের ১৪তম লিগ শিরোপা।
১০ দিন আগে
শেষ দুই ওভার রিজওয়ান আর সাজিদ আলী নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিলে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন এখনো ১২১ রান। পাকিস্তানকে ব্যাক-টু-ব্যাক সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন আর ৩ উইকেট।
১০ দিন আগে