
ক্রীড়া প্রতিবেদক

মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। এক পর্যায়ে চারশ রানের মাইলফলক ছোঁয়াও কঠিন মনে হলেও শেষদিকে তাসকিন আহমেদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে এই সীমা অতিক্রম করে টাইগাররা।
এর আগে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথম সেশনে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস ধৈর্য ধরে ব্যাট চালালেও দলীয় ৩৩৮ রানে ভাঙে তাদের জুটি। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে ৩৩ রান করে আউট হন লিটন দাস।
এরপর দ্রুতই চাপ বাড়ে বাংলাদেশের ওপর। আব্বাসের তৃতীয় শিকার হন মেহেদী হাসান মিরাজ (১০)। তার বিদায়ে ৩৫৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
তাইজুল ইসলামও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ২৩ বলে ১৭ রান করে তিনি শাহিন শাহ আফ্রিদির বাউন্সারে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন। ৭ উইকেটে ৩৮০ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
বিরতির পর তৃতীয় বলেই সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিম। ৩৯তম জন্মদিনে ক্যারিয়ারের ২৯তম ফিফটি তুলে নেওয়ার পরই শাহিন আফ্রিদির দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হন তিনি। ১৭৯ বলে ৭১ রানের ইনিংসে ছিল ৮টি বাউন্ডারি।
এরপর দ্রুতই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। এবাদত হোসেন কোনো রান না করেই ফিরলে মোহাম্মদ আব্বাস পূর্ণ করেন নিজের পাঁচ উইকেট। ৩৮৪ রানে ৯ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
শেষদিকে দলীয় স্কোর ৪০০ পার করান তাসকিন আহমেদ। মোহাম্মদ আব্বাসকে ছক্কা মেরে তিনি এই মাইলফলক স্পর্শ করেন। ১৯ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৮৪ থেকে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। তবে পরে শাহিন আফ্রিদির বলে দ্বিতীয় স্লিপে সৌদ শাকিলের দারুণ ক্যাচে বিদায় নেন তাসকিন। ৪ রানে অপরাজিত থাকেন নাহিদ রানা।
পাকিস্তানের বোলার মোহাম্মদ আব্বাস নেন ৫ উইকেট এবং শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৩টি উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস: ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ ( নাজমুল ১০১, মুমিনুল ৯১, মুশফিক ৭১, লিটন ৩৩, তাসকিন ২৮, তাইজুল ১৭, সাদমান ১৩ ; আব্বাস ৫/৯২, আফ্রিদি ৩/১১৩, হাসান ১/৭৫, নোমান ১/৮০)।

মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। এক পর্যায়ে চারশ রানের মাইলফলক ছোঁয়াও কঠিন মনে হলেও শেষদিকে তাসকিন আহমেদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে এই সীমা অতিক্রম করে টাইগাররা।
এর আগে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথম সেশনে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস ধৈর্য ধরে ব্যাট চালালেও দলীয় ৩৩৮ রানে ভাঙে তাদের জুটি। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে ৩৩ রান করে আউট হন লিটন দাস।
এরপর দ্রুতই চাপ বাড়ে বাংলাদেশের ওপর। আব্বাসের তৃতীয় শিকার হন মেহেদী হাসান মিরাজ (১০)। তার বিদায়ে ৩৫৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
তাইজুল ইসলামও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ২৩ বলে ১৭ রান করে তিনি শাহিন শাহ আফ্রিদির বাউন্সারে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন। ৭ উইকেটে ৩৮০ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
বিরতির পর তৃতীয় বলেই সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিম। ৩৯তম জন্মদিনে ক্যারিয়ারের ২৯তম ফিফটি তুলে নেওয়ার পরই শাহিন আফ্রিদির দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হন তিনি। ১৭৯ বলে ৭১ রানের ইনিংসে ছিল ৮টি বাউন্ডারি।
এরপর দ্রুতই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। এবাদত হোসেন কোনো রান না করেই ফিরলে মোহাম্মদ আব্বাস পূর্ণ করেন নিজের পাঁচ উইকেট। ৩৮৪ রানে ৯ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
শেষদিকে দলীয় স্কোর ৪০০ পার করান তাসকিন আহমেদ। মোহাম্মদ আব্বাসকে ছক্কা মেরে তিনি এই মাইলফলক স্পর্শ করেন। ১৯ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৮৪ থেকে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। তবে পরে শাহিন আফ্রিদির বলে দ্বিতীয় স্লিপে সৌদ শাকিলের দারুণ ক্যাচে বিদায় নেন তাসকিন। ৪ রানে অপরাজিত থাকেন নাহিদ রানা।
পাকিস্তানের বোলার মোহাম্মদ আব্বাস নেন ৫ উইকেট এবং শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৩টি উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস: ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ ( নাজমুল ১০১, মুমিনুল ৯১, মুশফিক ৭১, লিটন ৩৩, তাসকিন ২৮, তাইজুল ১৭, সাদমান ১৩ ; আব্বাস ৫/৯২, আফ্রিদি ৩/১১৩, হাসান ১/৭৫, নোমান ১/৮০)।

এবার আর প্যারিসে নয়, ইংল্যান্ডের লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে ব্যালন ডি’অরের ৭০তম আসর। আগামী ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ মৌসুমের সেরা ফুটবলার, কোচ ও ক্লাবদের পুরস্কৃত করা হবে।
৭ দিন আগে
ফিফার নিষেধাজ্ঞার মূল কারণ ছিল সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের পাওনা অর্থ পরিশোধ না করা। নিষেধাজ্ঞা কাটাতে ক্লাবগুলোকে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়, কোচ বা এজেন্টের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে হয় এবং বকেয়া অর্থ পরিশোধ করতে হয়। এরপর অর্থ পরিশোধের প্রমাণপত্রসহ প্রয়োজনীয় নথি ফিফার কাছে জমা দেওয়া হয়। ফিফা এসব নথি যাচাই করে সন্তু
৮ দিন আগে
দারুণ খেলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্টশূন্য মাঠ ছাড়তে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি জোসে মরিনিয়োর দল। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে গোল হজম করে রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে তারা।
১০ দিন আগে
এই চুক্তিতে নির্ধারিত ট্রান্সফার ফি-র পাশাপাশি ভবিষ্যতে মার্তিনেলিকে অন্য কোনো ক্লাবে বিক্রি করা হলে তার প্রাপ্ত অর্থের একটি অংশ আর্সেনাল পাবে বলেও চুক্তি স্বাক্ষর শেষে নিশ্চিত করেছে সৌদি ক্লাবটি। এর আগে ২০১৭ সালে অক্সলেড-চেম্বারলিনকে লিভারপুলের কাছে বিক্রির সময় প্রাপ্ত অর্থই ছিল গানার্সদের ট্রান্সফ
১১ দিন আগে