
ক্রীড় ডেস্ক

শিরোপার পাশাপাশি বিশ্বকাপের ব্যক্তিগত সব পুরস্কারেও স্প্যানিশদের জয়জয়কার। আসরের সেরা খেলোয়াড় থেকে সেরা নবাগতের তালিকায়ও স্পেনের ফুটবলারদেরই নাম। তবে একমাত্র ব্যতিক্রম কিলিয়ান এমবাপ্পে। সর্বোচ্চ গোল করে টানা দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বুট জিতে নেন তিনি।
২০২২ সালে কাতারের সেই মরুর বুকে যেখানে শেষ হয়েছিলো, ২০২৬ সালে এসে ঠিক যেন সেখান থেকেই শুরু হলো মেসি ও এমবাপ্পের ব্যক্তিগত দ্বৈরথ। তবে এবারও মেসি নন, গোলের সিংহাসনটা একচ্ছত্রভাবে নিজের করে নিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
টুর্নামেন্টে রেকর্ড ১০টি গোল করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট নিজের করে নিলেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। অন্যদিকে, লিওনেল মেসিকে এবারও সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে ৮ গোল নিয়ে সিলভার বুটেই।
গোলের এই তুমুল লড়াইয়ের পাশেই চলে টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলার হওয়ার যুদ্ধ। আর সেখানেই এমবাপ্পে-মেসিকে পেছনে ফেলে মঞ্চের মূল আলোটা কেড়ে নিলেন একজন মিডফিল্ডার। যিনি স্পেনের মাঝমাঠের সুতো টেনেছেন, সেই রদ্রি জিতে নিলেন বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার—গোল্ডেন বল।
চ্যাম্পিয়ন স্পেনের এই রাজকীয় পথচলা শুধু মাঝমাঠেই সীমাবদ্ধ ছিলো না, টুর্নামেন্টজুড়েই তাদের রক্ষণভাগ ছিলো এক দুর্ভেদ্য প্রাচীর। আর সেই প্রাচীরের শেষ প্রহরী গোলরক্ষক উনাই সিমন।
গোলপোস্টের নিচে তার পারফরম্যান্স ছিলো অতিমানবীয়। আট ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করে এবং টানা ৬৪৯ মিনিট জাল অক্ষত রেখে বিশ্বকাপের নতুন রেকর্ড গড়ে তিনি জিতে নিয়েছেন সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার—গোল্ডেন গ্লাভস।
সিনিয়রদের এমন কীর্তির দিনে রক্ষণের এই অতিমানবীয় দেয়াল তৈরিতে উনাই সিমনকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন মাত্র ১৯ বছর বয়সী বার্সেলোনা ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি। ফাইনালে মেসিদের রুখে দিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন এই বিস্ময়বালক।
পুরস্কারের এই মহোৎসবে এবার যোগ হয়েছিলো নতুন মাত্রা। ট্রফির পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন স্পেনের হাতে ফিফা তুলে দিয়েছে বিশেষ চ্যাম্পিয়নশিপ রিং এবং বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি ডলারের প্রাইজমানি। সব মিলিয়ে, দলগত শ্রেষ্ঠত্বের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পুরস্কারের মঞ্চেও এবার চললো স্প্যানিশদের জয়জয়কার।

শিরোপার পাশাপাশি বিশ্বকাপের ব্যক্তিগত সব পুরস্কারেও স্প্যানিশদের জয়জয়কার। আসরের সেরা খেলোয়াড় থেকে সেরা নবাগতের তালিকায়ও স্পেনের ফুটবলারদেরই নাম। তবে একমাত্র ব্যতিক্রম কিলিয়ান এমবাপ্পে। সর্বোচ্চ গোল করে টানা দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বুট জিতে নেন তিনি।
২০২২ সালে কাতারের সেই মরুর বুকে যেখানে শেষ হয়েছিলো, ২০২৬ সালে এসে ঠিক যেন সেখান থেকেই শুরু হলো মেসি ও এমবাপ্পের ব্যক্তিগত দ্বৈরথ। তবে এবারও মেসি নন, গোলের সিংহাসনটা একচ্ছত্রভাবে নিজের করে নিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
টুর্নামেন্টে রেকর্ড ১০টি গোল করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট নিজের করে নিলেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। অন্যদিকে, লিওনেল মেসিকে এবারও সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে ৮ গোল নিয়ে সিলভার বুটেই।
গোলের এই তুমুল লড়াইয়ের পাশেই চলে টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলার হওয়ার যুদ্ধ। আর সেখানেই এমবাপ্পে-মেসিকে পেছনে ফেলে মঞ্চের মূল আলোটা কেড়ে নিলেন একজন মিডফিল্ডার। যিনি স্পেনের মাঝমাঠের সুতো টেনেছেন, সেই রদ্রি জিতে নিলেন বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার—গোল্ডেন বল।
চ্যাম্পিয়ন স্পেনের এই রাজকীয় পথচলা শুধু মাঝমাঠেই সীমাবদ্ধ ছিলো না, টুর্নামেন্টজুড়েই তাদের রক্ষণভাগ ছিলো এক দুর্ভেদ্য প্রাচীর। আর সেই প্রাচীরের শেষ প্রহরী গোলরক্ষক উনাই সিমন।
গোলপোস্টের নিচে তার পারফরম্যান্স ছিলো অতিমানবীয়। আট ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করে এবং টানা ৬৪৯ মিনিট জাল অক্ষত রেখে বিশ্বকাপের নতুন রেকর্ড গড়ে তিনি জিতে নিয়েছেন সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার—গোল্ডেন গ্লাভস।
সিনিয়রদের এমন কীর্তির দিনে রক্ষণের এই অতিমানবীয় দেয়াল তৈরিতে উনাই সিমনকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন মাত্র ১৯ বছর বয়সী বার্সেলোনা ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি। ফাইনালে মেসিদের রুখে দিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন এই বিস্ময়বালক।
পুরস্কারের এই মহোৎসবে এবার যোগ হয়েছিলো নতুন মাত্রা। ট্রফির পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন স্পেনের হাতে ফিফা তুলে দিয়েছে বিশেষ চ্যাম্পিয়নশিপ রিং এবং বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি ডলারের প্রাইজমানি। সব মিলিয়ে, দলগত শ্রেষ্ঠত্বের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পুরস্কারের মঞ্চেও এবার চললো স্প্যানিশদের জয়জয়কার।

স্বীকার করে নিলেন, যোগ্য দল হিসেবে ভালো খেলেই বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। আর্জেন্টিনার ভবিষ্যৎ নিয়েও স্কালোনি জানালেন অনিশ্চয়তার কথা। বললেন, আবার এমন একটি দল আবার গঠন করা কঠিন কাজ। নিজের মেয়াদ পূর্ণ করার কথা জানালেও দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে বলেই জানালেন তিনি।
২০ ঘণ্টা আগে
এর আগে ২০০৮ সালে ইউরো জয়ের দুই বছর পর ২০১০ সালেও তারা বিশ্বকাপ জিতে একই কীর্তি গড়েছিল।
১ দিন আগে
বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল পেয়েছেন স্প্যানিশ অধিনায়ক রদ্রি। সেই সঙ্গে স্পেনে গেছে সেরা গোলরক্ষক আর সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়েরর আরও দুই ব্যক্তিগত পুরস্কার। সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পেয়েছেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।
১ দিন আগে
বিপরীতে ১৬ বছর পর শিরোপার আক্ষেপ ঘুচাল স্পেন। ২০১০ সালে জাভি-ইনিয়েস্তার স্পেন প্রথম শিরোপা এনে দিয়েছিল ম্যাটাডোরদের। ১৬ বছর পর দ্বিতীয় শিরোপা এনে দিলেন ইয়ামাল-রদ্রিরা। তারুণ্যের ডানায় ভর করে এলো এই শিরোপা। মজার বিষয় হলো— এই জয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন শতভাগ সাফল্য ধরে রাখল!
১ দিন আগে