
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা। এ ম্যাচটি এমনিতেই ইতিহাস জন্ম দিয়েছিল উদ্বোধনী ম্যাচে একই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনায়। ম্যাচে ৯ মিনিটের গোলও গত ২০ বছরে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে দ্রুততম গোল। স্বাগতিক মেক্সিকো জিতল ২-০ গোলের ব্যবধানে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত এ ম্যাচটি সম্ভবত হয়ে থাকবে লাল কার্ডের ম্যাচ!
হ্যাঁ, বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই তিন লাল কার্ডের একক অনন্য নজির গড়েছে এই ম্যাচ। উদ্বোধনী ম্যাচ কেবল নয়, এর আগে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে তিন লাল কার্ডের ঘটনাই রয়েছে মাত্র চারটি— ১৯৫৪ সালে হাঙ্গেরি-ব্রাজিল, ১৯৯৮ সালে ডেনমার্ক-দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়া-ক্রোয়েশিয়া ও ইতালি-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ।
আর এক ম্যাচে রেকর্ড চার লাল কার্ড রয়েছে দুটি ম্যাচে— ১৯৩৮ সালে ব্রাজিল-চেকোস্লোভাকিয়া আর ২০০৬ সালে পর্তুগাল-নেদারল্যান্ডস ম্যাচে। মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচটি তাই বিশ্বকাপে তিন লাল কার্ডের পঞ্চম উদাহরণ, আর উদ্বোধনী ম্যাচে তিন লাল কার্ডের প্রথম।

শুরুতেই যা বলা হলো, এই দুই দল মুখোমুখি হয়েই গড়েছিল ইতিহাস। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেও মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দলই। ঠিক বছর পর উদ্বোধনী ম্যাচেই আবার মুখোমুখি তারা। বিশ্বকাপের মঞ্চে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি দুই দলের এমন পুনরাবৃত্তি আর কখনো হয়নি।
১৬ বছর আগের দেখায় মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। এবার ফলটা বদলে গেছে। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফিফা র্যাংকিংয়ে ৬৮ নম্বরে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বলা চলে হেসেখেলেই জয় পেয়েছে র্যাংকিংয়ে ১৫ নম্বরে থাকা মেক্সিকো।
ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধুনিক ‘হাই প্রেসিং’ কৌশলের পসরা সাজিয়ে বসেছিল মেক্সিকো। প্রতিপক্ষকে শুরু থেকেই চেপে ধরেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার ডি বক্সে গোলের হুমকি নিয়ে মেক্সিকোর ফুটবলাররা ঢুকে পড়ছিলেন অহরহ। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে এ কৌশলের জবাব ছিল না বললেই চলে। তারাও মাঝে মাঝে আক্রমণ চালিয়েছে, কিন্তু তা মেক্সিকোকে আটকে দেওয়ার মতো যথেষ্ট ছিল না।
আক্রমণাত্মক ফুটবলের ফল পেতেও দেরি হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস নিজেদের ডি-বক্সের সামনে সতীর্থ ডিফেন্ডার স্পেফেলো সিথোলের দিকে পাস দিতে গিয়েছিলেন। তাতেই বিপদ। মেক্সিকোর মার্সেলো লিরা ট্যাকল করে কেড়ে নেন সেই বল, বাড়িয়ে দেন হুলিয়ান কুইনোনাসের কাছে। ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দিতে কুইনোনাস একদমই ভুল করেননি। ম্যাচের তখন মাত্র ৯ মিনিট।
প্রথমার্ধে মেক্সিকো আরও কয়েকটি আক্রমণ শানালেও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি। খুব বেশি লড়াই করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকাও। দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরুর পর ৫০ মিনিটের মাথায় স্পেপেলো সিথোলের লাল কার্ড প্রোটিয়াদের ম্যাচে ফেরার পথ বন্ধ করে দেয়।

৩২ বছর পর বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে লাল কার্ডের এই অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়ার ক্ষত না শুকাতেই দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে স্কোরলাইন বদলে দেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে নামা রাউল হিমেনেস। ৬৭ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে আসা ক্রসে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন তিনি। চতুর্থবার বিশ্বকাপে খেলতে নেমে এটি ছিল তার প্রথম গোল। তবে জাতীয় দলের হয়ে ১২৫ ম্যাচে তার গোল এখন ৪৬টি, যা দিয়ে তিনি জারেদ বোর্গেত্তির সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। চিচারিতোর ৫২ গোলের রেকর্ড এখন আর খুব বেশি দূরে নয়।
এই গোলের পরই দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়রা মেজাজ হারাতে থাকেন। ৮৩ মিনিটে মেক্সিকোর আলভারাদোর মুখে আঘাত করে থেম্বা জাওয়ামে সরাসরি লাল কার্ড দেখলে দলটি ৯ জনের দলে পরিণত হয়। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ হারায় পুরোপুরি। তবে মেক্সিকোও আর গোল বের করতে পারেনি।
এ অবস্থাতেই ম্যাচ শেষই হয়ে যাচ্ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে আবার নাটকীয়তা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ইনজুটি টাইমের তৃতীয়, অর্থাৎ ম্যাচের ৯৩ মিনিটে মেক্সিকোর সিজার মোন্তেসকেও রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখান। তাতেই ম্যাচটি ভিন্ন মাত্রা পায়। রেফারি সাম্পাইওর এমন কড়া সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তিন লাল কার্ডের প্রথম নজির হয়ে থাকল ম্যাচটি।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা। এ ম্যাচটি এমনিতেই ইতিহাস জন্ম দিয়েছিল উদ্বোধনী ম্যাচে একই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনায়। ম্যাচে ৯ মিনিটের গোলও গত ২০ বছরে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে দ্রুততম গোল। স্বাগতিক মেক্সিকো জিতল ২-০ গোলের ব্যবধানে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত এ ম্যাচটি সম্ভবত হয়ে থাকবে লাল কার্ডের ম্যাচ!
হ্যাঁ, বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই তিন লাল কার্ডের একক অনন্য নজির গড়েছে এই ম্যাচ। উদ্বোধনী ম্যাচ কেবল নয়, এর আগে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে তিন লাল কার্ডের ঘটনাই রয়েছে মাত্র চারটি— ১৯৫৪ সালে হাঙ্গেরি-ব্রাজিল, ১৯৯৮ সালে ডেনমার্ক-দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়া-ক্রোয়েশিয়া ও ইতালি-যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচ।
আর এক ম্যাচে রেকর্ড চার লাল কার্ড রয়েছে দুটি ম্যাচে— ১৯৩৮ সালে ব্রাজিল-চেকোস্লোভাকিয়া আর ২০০৬ সালে পর্তুগাল-নেদারল্যান্ডস ম্যাচে। মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচটি তাই বিশ্বকাপে তিন লাল কার্ডের পঞ্চম উদাহরণ, আর উদ্বোধনী ম্যাচে তিন লাল কার্ডের প্রথম।

শুরুতেই যা বলা হলো, এই দুই দল মুখোমুখি হয়েই গড়েছিল ইতিহাস। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেও মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দলই। ঠিক বছর পর উদ্বোধনী ম্যাচেই আবার মুখোমুখি তারা। বিশ্বকাপের মঞ্চে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি দুই দলের এমন পুনরাবৃত্তি আর কখনো হয়নি।
১৬ বছর আগের দেখায় মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। এবার ফলটা বদলে গেছে। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফিফা র্যাংকিংয়ে ৬৮ নম্বরে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বলা চলে হেসেখেলেই জয় পেয়েছে র্যাংকিংয়ে ১৫ নম্বরে থাকা মেক্সিকো।
ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধুনিক ‘হাই প্রেসিং’ কৌশলের পসরা সাজিয়ে বসেছিল মেক্সিকো। প্রতিপক্ষকে শুরু থেকেই চেপে ধরেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার ডি বক্সে গোলের হুমকি নিয়ে মেক্সিকোর ফুটবলাররা ঢুকে পড়ছিলেন অহরহ। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে এ কৌশলের জবাব ছিল না বললেই চলে। তারাও মাঝে মাঝে আক্রমণ চালিয়েছে, কিন্তু তা মেক্সিকোকে আটকে দেওয়ার মতো যথেষ্ট ছিল না।
আক্রমণাত্মক ফুটবলের ফল পেতেও দেরি হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস নিজেদের ডি-বক্সের সামনে সতীর্থ ডিফেন্ডার স্পেফেলো সিথোলের দিকে পাস দিতে গিয়েছিলেন। তাতেই বিপদ। মেক্সিকোর মার্সেলো লিরা ট্যাকল করে কেড়ে নেন সেই বল, বাড়িয়ে দেন হুলিয়ান কুইনোনাসের কাছে। ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দিতে কুইনোনাস একদমই ভুল করেননি। ম্যাচের তখন মাত্র ৯ মিনিট।
প্রথমার্ধে মেক্সিকো আরও কয়েকটি আক্রমণ শানালেও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি। খুব বেশি লড়াই করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকাও। দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরুর পর ৫০ মিনিটের মাথায় স্পেপেলো সিথোলের লাল কার্ড প্রোটিয়াদের ম্যাচে ফেরার পথ বন্ধ করে দেয়।

৩২ বছর পর বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে লাল কার্ডের এই অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়ার ক্ষত না শুকাতেই দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে স্কোরলাইন বদলে দেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে নামা রাউল হিমেনেস। ৬৭ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে আসা ক্রসে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন তিনি। চতুর্থবার বিশ্বকাপে খেলতে নেমে এটি ছিল তার প্রথম গোল। তবে জাতীয় দলের হয়ে ১২৫ ম্যাচে তার গোল এখন ৪৬টি, যা দিয়ে তিনি জারেদ বোর্গেত্তির সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। চিচারিতোর ৫২ গোলের রেকর্ড এখন আর খুব বেশি দূরে নয়।
এই গোলের পরই দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়রা মেজাজ হারাতে থাকেন। ৮৩ মিনিটে মেক্সিকোর আলভারাদোর মুখে আঘাত করে থেম্বা জাওয়ামে সরাসরি লাল কার্ড দেখলে দলটি ৯ জনের দলে পরিণত হয়। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ হারায় পুরোপুরি। তবে মেক্সিকোও আর গোল বের করতে পারেনি।
এ অবস্থাতেই ম্যাচ শেষই হয়ে যাচ্ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে আবার নাটকীয়তা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ইনজুটি টাইমের তৃতীয়, অর্থাৎ ম্যাচের ৯৩ মিনিটে মেক্সিকোর সিজার মোন্তেসকেও রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখান। তাতেই ম্যাচটি ভিন্ন মাত্রা পায়। রেফারি সাম্পাইওর এমন কড়া সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তিন লাল কার্ডের প্রথম নজির হয়ে থাকল ম্যাচটি।

২০২২ সালে কাতারে তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে লিওনেল মেসির অধরা স্বপ্ন পূরণ হয়। এখন প্রশ্ন, ২০২৬ সালে উত্তর আমেরিকার মাটিতে আর্জেন্টিনা কি ব্রাজিলের ১৯৬২ সালের পর প্রথম দল হিসেবে শিরোপা ধরে রাখতে পারবে? নাকি তারাও ‘চ্যাম্পিয়নস কার্স’-এর শিকার হবে?
১ দিন আগে
আগামী অক্টোবরে প্রথমবারের মতো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। শুরুতে সফরসূচিতে তিনটি ওয়ানডের পাশাপাশি তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজও ছিল। তবে আন্তর্জাতিক সূচি পুনর্বিন্যাসের কারণে টি-টোয়েন্টি সিরিজটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে মাঠে নেমেছিল অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ম্যাচের কথা মাথায় রেখেই সম্ভবত টসে জিতে এবারে ব্যাটিং বেছে নেন ক্যাপ্টেন জশ ইংলিস। কিন্তু তাতে ভাগ্য বদল হয়নি। বরং প্রথম ম্যাচের চেয়েও খারাপ অবস্থায় পড়ে গেছে অজিরা। ২ ওভারের মাধ্যমে বোর্ডে কোনো রান তুলতে না তুলতেই তাদের তিন তিনজন ব্যাটার ফিরে গেছ
১ দিন আগে
ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। এ ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়েছেন অজি ক্যাপ্টেন জশ ইংলিস। বাংলাদেশ একাদশে এনেছে একটি পরিবর্তন। ওপেনার সাইফ হাসানের বদলে দলে এসেছেন সৌম্য সরকার।
১ দিন আগে