
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা দুইবার শিরোপা জয়ের কীর্তি গড়তে পেরেছে মাত্র দুটি দল— ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে ইতালি এবং ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে ব্রাজিল। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ ৬৪ বছর। কোনো দলই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর পরের আসরে ট্রফি ধরে রাখতে পারেনি। এবার সেই ইতিহাস বদলে দেওয়ার সুযোগ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সামনে।
২০২২ সালে কাতারে তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে লিওনেল মেসির অধরা স্বপ্ন পূরণ হয়। এখন প্রশ্ন, ২০২৬ সালে উত্তর আমেরিকার মাটিতে আর্জেন্টিনা কি ব্রাজিলের ১৯৬২ সালের পর প্রথম দল হিসেবে শিরোপা ধরে রাখতে পারবে? নাকি তারাও ‘চ্যাম্পিয়নস কার্স’-এর শিকার হবে?
বিশ্বকাপে সাম্প্রতিক ইতিহাস অবশ্য ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের জন্য সুখকর নয়। ২০০২ সালে ফ্রান্স, ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন ইতালি, ২০১৪ সালের আগে স্পেন এবং ২০১৮ সালের আগে জার্মানি নিজেদের পরবর্তী বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। শুধু ২০০২ সালের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ২০০৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত যেতে পেরেছিল। এই পরিসংখ্যান আর্জেন্টিনার জন্য সতর্কবার্তাও বটে।
অন্যদিকে, ব্রাজিলের সামনে ভিন্ন ধরনের চাপ। বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দল তারা— পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু ২০০২ সালে সর্বশেষ শিরোপা জয়ের পর টানা ছয়টি বিশ্বকাপ কেটে গেছে ট্রফিশূন্য। ২০২৬ সালেও যদি তারা ব্যর্থ হয়, তাহলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের দীর্ঘতম শিরোপাখরা আরও বাড়বে, যা ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের জন্য নতুন এক লজ্জার রেকর্ড হিসেবেই দেখা হবে।
ব্রাজিল অবশ্য বিশ্বকাপের ইতিহাসে একমাত্র দল যারা প্রতিটি আসরে অংশ নিয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তবতার ফারাকও বেড়েছে। ২০০৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল, ২০১০ ও ২০২২ সালে শেষ আট, ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের ঐতিহাসিক হার এবং ২০১৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল— সব মিলিয়ে তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা আর আগের মতো গৌরবময় নয়।
অন্যদিকে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা গত কয়েক বছরে নিজেদেরকে সবচেয়ে ধারাবাহিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা এবং বিশ্বকাপ জয়ের পর তারা আবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে মাঠে নামছে। যদিও ইনজুরি ও বয়সী কিছু খেলোয়াড়কে ঘিরে উদ্বেগ রয়েছে, তবুও দলটির আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে।
তাই ২০২৬ বিশ্বকাপ শুধু আরেকটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়। এটি হতে পারে ইতিহাস পুনর্লিখনের মঞ্চ। আর্জেন্টিনা কি ভাঙবে ৬৪ বছরের অভিশাপ, নাকি সেই অভিশাপের খাড়ায় পড়ে মেসির বিদায় রাঙাতে ব্যর্থ হবে? ব্রাজিল কি দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর হেক্সার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে, নাকি আরও একবার ব্যর্থ হয়ে নিজেদের সোনালি অতীতের বিপরীতে নতুন এক বিব্রতকর অধ্যায় রচনা করবে? উত্তর মিলবে উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের সবুজ ঘাসে।

ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা দুইবার শিরোপা জয়ের কীর্তি গড়তে পেরেছে মাত্র দুটি দল— ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে ইতালি এবং ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে ব্রাজিল। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ ৬৪ বছর। কোনো দলই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর পরের আসরে ট্রফি ধরে রাখতে পারেনি। এবার সেই ইতিহাস বদলে দেওয়ার সুযোগ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সামনে।
২০২২ সালে কাতারে তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে লিওনেল মেসির অধরা স্বপ্ন পূরণ হয়। এখন প্রশ্ন, ২০২৬ সালে উত্তর আমেরিকার মাটিতে আর্জেন্টিনা কি ব্রাজিলের ১৯৬২ সালের পর প্রথম দল হিসেবে শিরোপা ধরে রাখতে পারবে? নাকি তারাও ‘চ্যাম্পিয়নস কার্স’-এর শিকার হবে?
বিশ্বকাপে সাম্প্রতিক ইতিহাস অবশ্য ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের জন্য সুখকর নয়। ২০০২ সালে ফ্রান্স, ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন ইতালি, ২০১৪ সালের আগে স্পেন এবং ২০১৮ সালের আগে জার্মানি নিজেদের পরবর্তী বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। শুধু ২০০২ সালের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ২০০৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত যেতে পেরেছিল। এই পরিসংখ্যান আর্জেন্টিনার জন্য সতর্কবার্তাও বটে।
অন্যদিকে, ব্রাজিলের সামনে ভিন্ন ধরনের চাপ। বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দল তারা— পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু ২০০২ সালে সর্বশেষ শিরোপা জয়ের পর টানা ছয়টি বিশ্বকাপ কেটে গেছে ট্রফিশূন্য। ২০২৬ সালেও যদি তারা ব্যর্থ হয়, তাহলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের দীর্ঘতম শিরোপাখরা আরও বাড়বে, যা ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের জন্য নতুন এক লজ্জার রেকর্ড হিসেবেই দেখা হবে।
ব্রাজিল অবশ্য বিশ্বকাপের ইতিহাসে একমাত্র দল যারা প্রতিটি আসরে অংশ নিয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তবতার ফারাকও বেড়েছে। ২০০৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল, ২০১০ ও ২০২২ সালে শেষ আট, ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের ঐতিহাসিক হার এবং ২০১৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল— সব মিলিয়ে তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা আর আগের মতো গৌরবময় নয়।
অন্যদিকে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা গত কয়েক বছরে নিজেদেরকে সবচেয়ে ধারাবাহিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা এবং বিশ্বকাপ জয়ের পর তারা আবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে মাঠে নামছে। যদিও ইনজুরি ও বয়সী কিছু খেলোয়াড়কে ঘিরে উদ্বেগ রয়েছে, তবুও দলটির আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে।
তাই ২০২৬ বিশ্বকাপ শুধু আরেকটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়। এটি হতে পারে ইতিহাস পুনর্লিখনের মঞ্চ। আর্জেন্টিনা কি ভাঙবে ৬৪ বছরের অভিশাপ, নাকি সেই অভিশাপের খাড়ায় পড়ে মেসির বিদায় রাঙাতে ব্যর্থ হবে? ব্রাজিল কি দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর হেক্সার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে, নাকি আরও একবার ব্যর্থ হয়ে নিজেদের সোনালি অতীতের বিপরীতে নতুন এক বিব্রতকর অধ্যায় রচনা করবে? উত্তর মিলবে উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের সবুজ ঘাসে।

ওই ম্যাচের পর্যালোচনায় নাহিদ আইসিসি খেলোয়াড় ও খেলোয়াড়-সহায়ক কর্মীদের আচরণবিধির ধারা ২.৫ লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে। ধারাটি আন্তর্জাতিক ম্যাচে কোনো ব্যাটার আউট হওয়ার পর এমন ভাষা, আচরণ বা অঙ্গভঙ্গি ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা ব্যাটারকে অপমান করে বা আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে
১৫ ঘণ্টা আগে
বিবৃতিতে হতাশা প্রকাশ করে এফএফআইআরআই বলেছে, ‘অথচ ইরানের অনেক ফুটবল সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত প্রক্রিয়ায় আস্থা রেখে ম্যাচগুলো দেখার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছিলেন।’
২ দিন আগে
দুই দশকেরও বেশি সময় পর মিরপুরে মোসাদ্দেক, নাহিদ, শান্ত ও তানজিদদের হাত ধরে রচিত হলো নতুন এক স্মরণীয় অধ্যায়। সিরিজের প্রথম ম্যাচেই এমন দাপুটে জয় আত্মবিশ্বাসে ভরিয়ে দেবে বাংলাদেশ শিবিরকে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার জন্য এটি ছিল ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং— তিন বিভাগেই হতাশার এক দিন।
২ দিন আগে
চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলেন মোসাদ্দেক হোসেন। তার ক্যারিয়ারসেরা অপরাজিত ৮৬ রানের ইনিংসে ভর করে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ২৮৪ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ।
২ দিন আগে