
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের কাছে সবচেয়ে স্বাভাবিক প্রশ্ন ছিল—লিওনেল মেসিকে কীভাবে থামানো হবে? উত্তরে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, মেসিকে আটকানোর দায়িত্ব কোনো একক খেলোয়াড়ের নয়; এটি পুরো দলের কাজ।
আজ রাতে নিউ জার্সিতে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। একদিকে টানা দ্বিতীয় শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে ২০১০ সালের পর আবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছে স্পেন।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, “মেসিকে একজন খেলোয়াড় দিয়ে থামানো সম্ভব নয়। তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে পুরো দলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার তথ্য অনুযায়ী, স্পেনের মূল পরিকল্পনা দলগত রক্ষণকে কেন্দ্র করে। কোচিং স্টাফ মনে করছে, মেসিকে যত কম জায়গা দেওয়া যায়, ততই কার্যকর হবে তাদের কৌশল। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের কাছে বল পৌঁছানোর আগেই পাসের পথ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করবে স্প্যানিশরা।
মার্কা আরও জানিয়েছে, দে লা ফুয়েন্তের কোচিং স্টাফ আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক ম্যাচগুলো বিশদভাবে বিশ্লেষণ করেছে। তাদের লক্ষ্য, স্কালোনির দলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা যেন খোলা জায়গায় ওয়ান-টু-ওয়ান পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে। বিশেষ করে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখাকে ম্যাচের অন্যতম চাবিকাঠি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের দাবি, স্পেনের সম্ভাব্য চাপ মোকাবিলায় কৌশলগত কিছু পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছেন লিওনেল স্কালোনি। মেসির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমিয়ে আক্রমণে আরও বিকল্প তৈরি করাই আর্জেন্টিনা কোচের প্রধান ভাবনা।

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের কাছে সবচেয়ে স্বাভাবিক প্রশ্ন ছিল—লিওনেল মেসিকে কীভাবে থামানো হবে? উত্তরে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, মেসিকে আটকানোর দায়িত্ব কোনো একক খেলোয়াড়ের নয়; এটি পুরো দলের কাজ।
আজ রাতে নিউ জার্সিতে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। একদিকে টানা দ্বিতীয় শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে ২০১০ সালের পর আবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছে স্পেন।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, “মেসিকে একজন খেলোয়াড় দিয়ে থামানো সম্ভব নয়। তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে পুরো দলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার তথ্য অনুযায়ী, স্পেনের মূল পরিকল্পনা দলগত রক্ষণকে কেন্দ্র করে। কোচিং স্টাফ মনে করছে, মেসিকে যত কম জায়গা দেওয়া যায়, ততই কার্যকর হবে তাদের কৌশল। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের কাছে বল পৌঁছানোর আগেই পাসের পথ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করবে স্প্যানিশরা।
মার্কা আরও জানিয়েছে, দে লা ফুয়েন্তের কোচিং স্টাফ আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক ম্যাচগুলো বিশদভাবে বিশ্লেষণ করেছে। তাদের লক্ষ্য, স্কালোনির দলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা যেন খোলা জায়গায় ওয়ান-টু-ওয়ান পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে। বিশেষ করে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখাকে ম্যাচের অন্যতম চাবিকাঠি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের দাবি, স্পেনের সম্ভাব্য চাপ মোকাবিলায় কৌশলগত কিছু পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছেন লিওনেল স্কালোনি। মেসির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমিয়ে আক্রমণে আরও বিকল্প তৈরি করাই আর্জেন্টিনা কোচের প্রধান ভাবনা।

এই ফাইনাল তাই দুই ফুটবল দল এবং দুই ফুটবল কোচের দ্বৈরথের বাইরেও একটি সময়ের গল্প। সে গল্পের শেষ অঙ্কে যার হাতেই শিরোপা উঠুক, এই ফাইনালটি হয়ে থাকবে যেন ফুটবলের ব্যাটন হস্তান্তরের গল্প। চ্যাম্পিয়ন ট্রফি যার হাতেই উঠুক, জয়টা শেষ পর্যন্ত ফুটবলেরই হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান অপ্টা তাদের সুপার কম্পিউটারের পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। সেই বিশ্লেষণে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে স্পেনকে সামান্য এগিয়ে রাখা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
কারণ আধুনিক বিশ্বফুটবল এখন এক চরম ট্যাকটিক্যাল বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এখানে মূল লড়াইটা জেতা বনাম হারার নয়, সব দলই মাঠে নামে জয়ের তীব্র ক্ষুধা নিয়ে। আসল লড়াইটা হলো ‘জেতার পথের দর্শন’ বা রণকৌশলের ভিন্নতার। দলগুলো কীভাবে নিজেদের চেনা ঐতিহ্যকে ধরে রেখেও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে জয়ের সমীকরণ মেলাচ্ছে, ম
১৫ ঘণ্টা আগে
এই বাড়তি আয়ের সুফল ফিফার ২১১টি সদস্যদেশের ফুটবল উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও অর্থ বণ্টনের চূড়ান্ত কাঠামো এখনও নির্ধারিত হয়নি, ফিফা আগেই জানিয়েছিল বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয়ের বড় অংশ বৈশ্বিক ফুটবল উন্নয়নে পুনর্বিনিয়োগ করা হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে