
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নেইমারকে ছাড়াই আজ শুরু হচ্ছে ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত হেক্সা মিশন। চোটের কারণে দলের সবচেয়ে বড় তারকাকে ছাড়াই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ফলে রেকর্ড ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের স্বপ্নপূরণের অভিযানে শুরুতেই বাড়তি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সেলেসাওরা।
২৪ বছরের বিশ্বকাপ খরা ঘোচানোর লক্ষ্য নিয়ে উত্তর আমেরিকার মঞ্চে নামছে ব্রাজিল। কোটি সমর্থকের প্রত্যাশা, হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার চাপ এবং শিরোপা জয়ের স্বপ্ন— সবকিছুর ভার এখন কোচ কার্লো আনচেলত্তির কাঁধে। অভিজ্ঞ এই ইতালিয়ান কোচের হাত ধরেই আবার বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে ফিরতে চায় ব্রাজিল।
বাংলাদেশ সময় রোববার (১৪ জুন) ভোর ৪টায় মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নেইমার না থাকলেও শক্তিশালী দল নিয়েই মাঠে নামছে সেলেসাওরা, আর সৃজনশীল মিডফিল্ডে পাকেতার ওপরই থাকতে পারে বড় দায়িত্ব।
২০০২ সালের পর আর বিশ্বকাপের স্বাদ না পাওয়া দলটি এবার হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে মাঠে নামছে। ব্রাজিলের জন্য এবারের বিশ্বকাপ শুধু আরেকটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং হারিয়ে যাওয়া শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধারের লড়াই। সেই মিশনের নেতৃত্বে আছেন কিংবদন্তি ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। কোনো জাতীয় দলের হয়ে এটিই তার প্রথম বিশ্বকাপ।
দলের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের মতে, ব্রাজিলের কোচ হওয়ার চাপ দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ার চেয়েও বেশি। তিনি বলেন, “সম্ভবত তার অবস্থানে থাকা মানে দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ার চেয়েও বেশি চাপ সামলানো।”
ব্রাজিল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বরাবরই দুর্দান্ত। ১৯৩৪ সালের পর থেকে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টানা ২০টি আসরে অপরাজিত রয়েছে সেলেসাওরা। এর মধ্যে ১৭টিতেই জয় পেয়েছে তারা।
তবে অতীতের গৌরব এখন আর ব্রাজিলকে স্বস্তি দেয় না। ২০০২ সালের পর আর বিশ্বকাপ জেতেনি দলটি। এই সময়ে মাত্র একবার সেমিফাইনালে উঠতে পেরেছে। বিশেষ করে ২০১৪ সালে নিজেদের মাঠে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের হার এখনও ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে বেদনাদায়ক স্মৃতিগুলোর একটি।
এবার সেই হতাশা পেছনে ফেলে নতুন ইতিহাস গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তিনি বলেন, “আমরা এখানে ইতিহাস বদলাতে এসেছি। ব্রাজিলকে আবার সেই জায়গায় ফিরিয়ে নিতে চাই, যেখানে তাদের থাকার কথা— বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে। আমরা অন্য বড় দলগুলোর সমপর্যায়ে আছি।”
তবে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ছে ব্রাজিল। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়া মরক্কো এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দল। আশরাফ হাকিমি, হাকিম জিয়েশদের নিয়ে গড়া দলটি শক্ত রক্ষণ ও দ্রুত পাল্টা আক্রমণের জন্য পরিচিত।
২০২৩ সালে দুই দলের সর্বশেষ দেখায় প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলকে হারিয়েছিল মরক্কো। বর্তমানে ফিফা র্যাঙ্কিংয়েও দুই দলের অবস্থান কাছাকাছি— ব্রাজিল ষষ্ঠ, মরক্কো সপ্তম।
তাই প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে নারাজ আনচেলত্তি। তিনি বলেন, “আধুনিক ফুটবলে কোনো ছোট দল নেই। মরক্কো খুবই শক্তিশালী এবং তারা কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে সক্ষম।”
চোট সমস্যা কিছুটা চিন্তা বাড়ালেও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া ও রদ্রিগোর মতো তারকাদের নিয়ে আক্রমণভাগে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ব্রাজিল। তবে ম্যাচে মরক্কোর জমাট রক্ষণ ভাঙার পাশাপাশি তাদের দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকও সামলাতে হবে আনচেলত্তির শিষ্যদের।
দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময়ের অপেক্ষা, কোটি সমর্থকের প্রত্যাশা এবং ইতিহাসের ভার— সব মিলিয়ে ব্রাজিলের হেক্সা মিশনের সবচেয়ে বড় চাপ এখন কার্লো আনচেলত্তির কাঁধে। সেই চাপ সামলে বিশ্বকাপ যাত্রার শুরুটা জয় দিয়ে করতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।
নেইমারের শূন্যতা, আনচেলত্তির ভরসা পাকেতা
ম্যাচের আগে দল নির্বাচন নিয়ে কিছুটা ধাঁধায় রয়েছেন আনচেলত্তি। চোটের কারণে নেইমার এখনও মাঠে ফিরতে না পারায় মরক্কোর বিপক্ষে তাকে পাচ্ছে না ব্রাজিল। যদিও স্কোয়াড ঘোষণার পর থেকেই বিষয়টি অনেকটা নিশ্চিত ছিল, ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন আনচেলত্তি।
নেইমারের অনুপস্থিতিতে কে সুযোগ পাবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না বললেও ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যমের খবর, অনুশীলনে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে প্রথম একাদশে জায়গা প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছেন লুকাস পাকেতা। তবে তিনি সরাসরি নেইমারের বিকল্প হিসেবে নয়, বরং মিডফিল্ডের আক্রমণাত্মক ভূমিকায় কাসেমিরো ও ব্রুনো গিমারেসের সামনে খেলতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ব্রাজিল ৪-২-৩-১ অথবা ৪-২-২-২ ছকে মাঠে নামতে পারে।
আক্রমণভাগে বাঁ প্রান্তে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ডান দিকে রাফিনিয়া এবং স্ট্রাইকার হিসেবে মাথেউস কুনিয়াকে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী ভিনিসিয়ুস ও কুনিয়া নিজেদের অবস্থান বদল করেও খেলতে পারেন।
রক্ষণভাগেও একটি পরিবর্তন আনতে হচ্ছে আনচেলত্তিকে। ইনজুরির কারণে ওয়েসলি ছিটকে যাওয়ায় ডান প্রান্তে খেলবেন অভিজ্ঞ দানিলো। বাঁ দিকে থাকবেন অ্যালেক্স সান্দ্রো, আর সেন্টার-ব্যাক জুটিতে দেখা যাবে মার্কিনিওস ও গ্যাব্রিয়েল মাগালেসকে।
তবে ব্রাজিলের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হতে পারে বাঁ প্রান্তের রক্ষণ সামলানো। কারণ মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা রাইট-ব্যাক। আক্রমণে উঠে এসে প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ তৈরি করতে তিনি সিদ্ধহস্ত। ফলে হাকিমির দৌড় ও ওভারল্যাপ ঠেকাতে ভিনিসিয়ুসকেও রক্ষণে বাড়তি দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে এই লড়াই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ:
আলিসন, দানিলো, মার্কিনিওস, গ্যাব্রিয়েল মাগালেস, অ্যালেক্স সান্দ্রো; কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারেস; লুকাস পাকেতা; রাফিনিয়া, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও মাথেউস কুনিয়া।
রাজনীতি/আরআইআর

নেইমারকে ছাড়াই আজ শুরু হচ্ছে ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত হেক্সা মিশন। চোটের কারণে দলের সবচেয়ে বড় তারকাকে ছাড়াই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ফলে রেকর্ড ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের স্বপ্নপূরণের অভিযানে শুরুতেই বাড়তি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সেলেসাওরা।
২৪ বছরের বিশ্বকাপ খরা ঘোচানোর লক্ষ্য নিয়ে উত্তর আমেরিকার মঞ্চে নামছে ব্রাজিল। কোটি সমর্থকের প্রত্যাশা, হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার চাপ এবং শিরোপা জয়ের স্বপ্ন— সবকিছুর ভার এখন কোচ কার্লো আনচেলত্তির কাঁধে। অভিজ্ঞ এই ইতালিয়ান কোচের হাত ধরেই আবার বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে ফিরতে চায় ব্রাজিল।
বাংলাদেশ সময় রোববার (১৪ জুন) ভোর ৪টায় মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নেইমার না থাকলেও শক্তিশালী দল নিয়েই মাঠে নামছে সেলেসাওরা, আর সৃজনশীল মিডফিল্ডে পাকেতার ওপরই থাকতে পারে বড় দায়িত্ব।
২০০২ সালের পর আর বিশ্বকাপের স্বাদ না পাওয়া দলটি এবার হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে মাঠে নামছে। ব্রাজিলের জন্য এবারের বিশ্বকাপ শুধু আরেকটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং হারিয়ে যাওয়া শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধারের লড়াই। সেই মিশনের নেতৃত্বে আছেন কিংবদন্তি ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। কোনো জাতীয় দলের হয়ে এটিই তার প্রথম বিশ্বকাপ।
দলের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের মতে, ব্রাজিলের কোচ হওয়ার চাপ দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ার চেয়েও বেশি। তিনি বলেন, “সম্ভবত তার অবস্থানে থাকা মানে দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ার চেয়েও বেশি চাপ সামলানো।”
ব্রাজিল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বরাবরই দুর্দান্ত। ১৯৩৪ সালের পর থেকে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টানা ২০টি আসরে অপরাজিত রয়েছে সেলেসাওরা। এর মধ্যে ১৭টিতেই জয় পেয়েছে তারা।
তবে অতীতের গৌরব এখন আর ব্রাজিলকে স্বস্তি দেয় না। ২০০২ সালের পর আর বিশ্বকাপ জেতেনি দলটি। এই সময়ে মাত্র একবার সেমিফাইনালে উঠতে পেরেছে। বিশেষ করে ২০১৪ সালে নিজেদের মাঠে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের হার এখনও ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে বেদনাদায়ক স্মৃতিগুলোর একটি।
এবার সেই হতাশা পেছনে ফেলে নতুন ইতিহাস গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তিনি বলেন, “আমরা এখানে ইতিহাস বদলাতে এসেছি। ব্রাজিলকে আবার সেই জায়গায় ফিরিয়ে নিতে চাই, যেখানে তাদের থাকার কথা— বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে। আমরা অন্য বড় দলগুলোর সমপর্যায়ে আছি।”
তবে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ছে ব্রাজিল। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়া মরক্কো এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দল। আশরাফ হাকিমি, হাকিম জিয়েশদের নিয়ে গড়া দলটি শক্ত রক্ষণ ও দ্রুত পাল্টা আক্রমণের জন্য পরিচিত।
২০২৩ সালে দুই দলের সর্বশেষ দেখায় প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলকে হারিয়েছিল মরক্কো। বর্তমানে ফিফা র্যাঙ্কিংয়েও দুই দলের অবস্থান কাছাকাছি— ব্রাজিল ষষ্ঠ, মরক্কো সপ্তম।
তাই প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে নারাজ আনচেলত্তি। তিনি বলেন, “আধুনিক ফুটবলে কোনো ছোট দল নেই। মরক্কো খুবই শক্তিশালী এবং তারা কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে সক্ষম।”
চোট সমস্যা কিছুটা চিন্তা বাড়ালেও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া ও রদ্রিগোর মতো তারকাদের নিয়ে আক্রমণভাগে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ব্রাজিল। তবে ম্যাচে মরক্কোর জমাট রক্ষণ ভাঙার পাশাপাশি তাদের দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকও সামলাতে হবে আনচেলত্তির শিষ্যদের।
দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময়ের অপেক্ষা, কোটি সমর্থকের প্রত্যাশা এবং ইতিহাসের ভার— সব মিলিয়ে ব্রাজিলের হেক্সা মিশনের সবচেয়ে বড় চাপ এখন কার্লো আনচেলত্তির কাঁধে। সেই চাপ সামলে বিশ্বকাপ যাত্রার শুরুটা জয় দিয়ে করতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।
নেইমারের শূন্যতা, আনচেলত্তির ভরসা পাকেতা
ম্যাচের আগে দল নির্বাচন নিয়ে কিছুটা ধাঁধায় রয়েছেন আনচেলত্তি। চোটের কারণে নেইমার এখনও মাঠে ফিরতে না পারায় মরক্কোর বিপক্ষে তাকে পাচ্ছে না ব্রাজিল। যদিও স্কোয়াড ঘোষণার পর থেকেই বিষয়টি অনেকটা নিশ্চিত ছিল, ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন আনচেলত্তি।
নেইমারের অনুপস্থিতিতে কে সুযোগ পাবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না বললেও ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যমের খবর, অনুশীলনে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে প্রথম একাদশে জায়গা প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছেন লুকাস পাকেতা। তবে তিনি সরাসরি নেইমারের বিকল্প হিসেবে নয়, বরং মিডফিল্ডের আক্রমণাত্মক ভূমিকায় কাসেমিরো ও ব্রুনো গিমারেসের সামনে খেলতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ব্রাজিল ৪-২-৩-১ অথবা ৪-২-২-২ ছকে মাঠে নামতে পারে।
আক্রমণভাগে বাঁ প্রান্তে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ডান দিকে রাফিনিয়া এবং স্ট্রাইকার হিসেবে মাথেউস কুনিয়াকে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী ভিনিসিয়ুস ও কুনিয়া নিজেদের অবস্থান বদল করেও খেলতে পারেন।
রক্ষণভাগেও একটি পরিবর্তন আনতে হচ্ছে আনচেলত্তিকে। ইনজুরির কারণে ওয়েসলি ছিটকে যাওয়ায় ডান প্রান্তে খেলবেন অভিজ্ঞ দানিলো। বাঁ দিকে থাকবেন অ্যালেক্স সান্দ্রো, আর সেন্টার-ব্যাক জুটিতে দেখা যাবে মার্কিনিওস ও গ্যাব্রিয়েল মাগালেসকে।
তবে ব্রাজিলের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হতে পারে বাঁ প্রান্তের রক্ষণ সামলানো। কারণ মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা রাইট-ব্যাক। আক্রমণে উঠে এসে প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ তৈরি করতে তিনি সিদ্ধহস্ত। ফলে হাকিমির দৌড় ও ওভারল্যাপ ঠেকাতে ভিনিসিয়ুসকেও রক্ষণে বাড়তি দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে এই লড়াই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ:
আলিসন, দানিলো, মার্কিনিওস, গ্যাব্রিয়েল মাগালেস, অ্যালেক্স সান্দ্রো; কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারেস; লুকাস পাকেতা; রাফিনিয়া, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও মাথেউস কুনিয়া।
রাজনীতি/আরআইআর

এ জয়ে তিন বিশ্বকাপ মিলিয়ে টানা তিন ম্যাচে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষকে হারানোর রেকর্ডও অক্ষুণ্ন রাখল দক্ষিণ কোরিয়া। এর আগে ২০১৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জার্মানি আর ২০২২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পর্তুগালের মুখোমুখি হয়েছিল এশিয়ার এই পরাশক্তি। দুটি ম্যাচেই জয় পেয়েছিল তারা।
২ দিন আগে
হ্যাঁ, বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই তিন লাল কার্ডের একক অনন্য নজির গড়েছে এই ম্যাচ। উদ্বোধনী ম্যাচ কেবল নয়, এর আগে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে তিন লাল কার্ডের ঘটনাই রয়েছে মাত্র চারটি— ১৯৫৪ সালে হাঙ্গেরি-ব্রাজিল, ১৯৯৮ সালে ডেনমার্ক-দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়া-ক্রোয়েশিয়া ও ইতালি-যুক্তরাষ্ট্র ম্য
২ দিন আগে
ম্যাচ শেষের ঠিক আগের ওভারেই নাথান এলিসের একটি বল মিরাজের হেলমেটে আঘাত করেছিল। ওই সময় প্রটোকল অনুযায়ী কনকাশন টেস্টে উৎরে যান তিনি। যে কারণে মাঠ ছাড়তে হয়নি তাকে। কিন্তু ম্যাচ শেষ হতেই আর কোনো ঝুঁকি নেয়নি বাংলাদেশ। সতর্কতার অংশ হিসেবে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নেওয়া হয়েছে হাসপাতালে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে যুক্ত হলো নতুন এক মাইলফলক। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জয়ের কীর্তি গড়েছে টাইগাররা। বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন (ডিএলএস) পদ্ধতিতে নির্ধারিত ১৯২ রানের লক্ষ্য ৫ উইকেট ও হাতে থাকা অবস্থায় পেরিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ফলে এক ম্যাচ বাকি থ
২ দিন আগে