
ক্রীড়া ডেস্ক

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের এক সোনালি অধ্যায়ের অবসান। ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। টেস্টে ৯ হাজার ৫১৫ রান আর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১৯ হাজার ৩৪৬ রান করে থামল তার ক্যারিয়ার।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের মাঝপথেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার। ফলে সিরিজের বাকি দুটি টেস্টে আর দেখা যাবে না সমকালীন বিশ্বসেরা চার ব্যাটার ‘ফ্যাব-ফোরে’র অংশ কিউই এই ব্যাটারকে।
শুক্রবার (১২ জুন) নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ খবর জানানো হয়। ব্ল্যাকক্যাপস ফেসবুক পেজে কেন উইলিয়ামসনের অবসরের ভিডিওবার্তাও প্রকাশ করা হয়েছে।

২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া উইলিয়ামসন নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের অন্যতম সফল ব্যাটার ও অধিনায়ক হিসেবে ক্যারিয়ার শেষ করলেন। লর্ডসে সিরিজের প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসে ০ ও ১৮ রান করার পরই অবসরের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
২০২৪ সালের জুন থেকে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের কেন্দ্রীয় চুক্তির বাইরে ছিলেন উইলিয়ামসন। ক্যারিয়ারের শেষ ভাগে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বেছে বেছে আন্তর্জাতিক সিরিজ খেলছিলেন তিনি।
অবসরের ঘোষণায় উইলিয়ামসন বলেন, ‘আমি বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই ভাবছিলাম। তবে গত কয়েক দিনে আমার কাছে পরিষ্কার হয়েছে, এখনই সরে দাঁড়ানোর সঠিক সময়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রতি আমার সবসময়ই প্রবল আগ্রহ ও তাড়না ছিল। নিউজিল্যান্ডের হয়ে প্রতিটি ম্যাচে আমি নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এর চেয়ে কম কিছু নিয়ে খেলে যাওয়া আমার কাছে ঠিক মনে হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশাবাদী মন নিয়েই বিদায় নিচ্ছি। এই দলের মধ্যে অনেক প্রতিভা আছে এবং বিশেষ কিছু অর্জনের প্রবল ইচ্ছাও রয়েছে। নিউজিল্যান্ড দল আমার কাছে সবসময় বিশেষ থাকবে। এত দীর্ঘ সময় এই দলের অংশ হতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।’
উইলিয়ামসন টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় নিচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে। ১১০টি টেস্টে ৫৪.০৬ গড়ে তার সংগ্রহ ৯ হাজার ৫১৫ রান।
ওয়ানডেতে ১৭৫ ম্যাচে ৭ হাজার ২৫৬ রান করে নিউজিল্যান্ডের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। এ ছাড়া ৯৩টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে করেছেন ২ হাজার ৫৭৫ রান, যা দেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
তবে ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের চেয়েও বড় হয়ে থাকবে তার নেতৃত্ব। ২০২১ সালে ভারতের বিপক্ষে উদ্বোধনী বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে শিরোপা জেতানোর কৃতিত্ব তার ক্যারিয়ারের শীর্ষ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়।
উইলিয়ামসনের নেতৃত্বে নিউজিল্যান্ড ৪০টি টেস্টের মধ্যে ২২টিতে জয় পেয়েছে। এ ছাড়া ৯১টি ওয়ানডেতে ৪৬টি ও ৭৫টি টি-টোয়েন্টিতে ৩৯টি জয় এসেছে তার অধিনায়কত্বে।
উইলিয়ামসনের নেতৃত্বেই নিউজিল্যান্ড ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল, ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল, ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল, ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল।
বিশ্ব ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা, ভদ্রতা ও নেতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন উইলিয়ামসন।
উইলিয়ামসনের অবসরে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধান কোচ রব ওয়াল্টার। তিনি বলেন, ‘যারা কেনের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে, তারা জানে সে কতটা বিশেষ একজন ক্রিকেটার ও মানুষ। তার পরিসংখ্যান ও ব্যাটিং দক্ষতা নিজের পক্ষেই কথা বলে। কিন্তু এই দলের জন্য এবং বিশ্ব ক্রিকেটের জন্য সে যা রেখে যাচ্ছে, সেটাই তার প্রকৃত উত্তরাধিকার।’
ওয়াল্টারের মতে, উইলিয়ামসনের প্রভাব শুধু মাঠের পারফরম্যান্সে সীমাবদ্ধ নয়। নিউজিল্যান্ড দলের সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও পেশাদার মানদণ্ড গঠনে তার অবদান দীর্ঘদিন ধরে অনুভূত হবে। তিনি বলেন, ‘কেন সবসময় দলকে নিজের আগে রেখেছে। তাকে হারাতে আমাদের খারাপ লাগছে, তবে আমরা খুশি যে সে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্তুষ্ট। সে একজন অসাধারণ ক্রিকেটার, দুর্দান্ত সতীর্থ, অনুকরণীয় নেতা এবং আমাদের খেলার এক অসামান্য দূত।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ালেও ব্যাট হাতে উইলিয়ামসনকে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দেখা যেতে পারে। তবে নিউজিল্যান্ডের সাদা-কালো জার্সিতে তার অধ্যায়ের সমাপ্তির মধ্য দিয়ে বিশ্ব ক্রিকেট হারাল তার সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটার ও অধিনায়ককে।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের এক সোনালি অধ্যায়ের অবসান। ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। টেস্টে ৯ হাজার ৫১৫ রান আর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১৯ হাজার ৩৪৬ রান করে থামল তার ক্যারিয়ার।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের মাঝপথেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার। ফলে সিরিজের বাকি দুটি টেস্টে আর দেখা যাবে না সমকালীন বিশ্বসেরা চার ব্যাটার ‘ফ্যাব-ফোরে’র অংশ কিউই এই ব্যাটারকে।
শুক্রবার (১২ জুন) নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ খবর জানানো হয়। ব্ল্যাকক্যাপস ফেসবুক পেজে কেন উইলিয়ামসনের অবসরের ভিডিওবার্তাও প্রকাশ করা হয়েছে।

২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া উইলিয়ামসন নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের অন্যতম সফল ব্যাটার ও অধিনায়ক হিসেবে ক্যারিয়ার শেষ করলেন। লর্ডসে সিরিজের প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসে ০ ও ১৮ রান করার পরই অবসরের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
২০২৪ সালের জুন থেকে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের কেন্দ্রীয় চুক্তির বাইরে ছিলেন উইলিয়ামসন। ক্যারিয়ারের শেষ ভাগে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বেছে বেছে আন্তর্জাতিক সিরিজ খেলছিলেন তিনি।
অবসরের ঘোষণায় উইলিয়ামসন বলেন, ‘আমি বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই ভাবছিলাম। তবে গত কয়েক দিনে আমার কাছে পরিষ্কার হয়েছে, এখনই সরে দাঁড়ানোর সঠিক সময়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রতি আমার সবসময়ই প্রবল আগ্রহ ও তাড়না ছিল। নিউজিল্যান্ডের হয়ে প্রতিটি ম্যাচে আমি নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এর চেয়ে কম কিছু নিয়ে খেলে যাওয়া আমার কাছে ঠিক মনে হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশাবাদী মন নিয়েই বিদায় নিচ্ছি। এই দলের মধ্যে অনেক প্রতিভা আছে এবং বিশেষ কিছু অর্জনের প্রবল ইচ্ছাও রয়েছে। নিউজিল্যান্ড দল আমার কাছে সবসময় বিশেষ থাকবে। এত দীর্ঘ সময় এই দলের অংশ হতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।’
উইলিয়ামসন টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় নিচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে। ১১০টি টেস্টে ৫৪.০৬ গড়ে তার সংগ্রহ ৯ হাজার ৫১৫ রান।
ওয়ানডেতে ১৭৫ ম্যাচে ৭ হাজার ২৫৬ রান করে নিউজিল্যান্ডের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। এ ছাড়া ৯৩টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে করেছেন ২ হাজার ৫৭৫ রান, যা দেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
তবে ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের চেয়েও বড় হয়ে থাকবে তার নেতৃত্ব। ২০২১ সালে ভারতের বিপক্ষে উদ্বোধনী বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে শিরোপা জেতানোর কৃতিত্ব তার ক্যারিয়ারের শীর্ষ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়।
উইলিয়ামসনের নেতৃত্বে নিউজিল্যান্ড ৪০টি টেস্টের মধ্যে ২২টিতে জয় পেয়েছে। এ ছাড়া ৯১টি ওয়ানডেতে ৪৬টি ও ৭৫টি টি-টোয়েন্টিতে ৩৯টি জয় এসেছে তার অধিনায়কত্বে।
উইলিয়ামসনের নেতৃত্বেই নিউজিল্যান্ড ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল, ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল, ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল, ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল।
বিশ্ব ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা, ভদ্রতা ও নেতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন উইলিয়ামসন।
উইলিয়ামসনের অবসরে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধান কোচ রব ওয়াল্টার। তিনি বলেন, ‘যারা কেনের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে, তারা জানে সে কতটা বিশেষ একজন ক্রিকেটার ও মানুষ। তার পরিসংখ্যান ও ব্যাটিং দক্ষতা নিজের পক্ষেই কথা বলে। কিন্তু এই দলের জন্য এবং বিশ্ব ক্রিকেটের জন্য সে যা রেখে যাচ্ছে, সেটাই তার প্রকৃত উত্তরাধিকার।’
ওয়াল্টারের মতে, উইলিয়ামসনের প্রভাব শুধু মাঠের পারফরম্যান্সে সীমাবদ্ধ নয়। নিউজিল্যান্ড দলের সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও পেশাদার মানদণ্ড গঠনে তার অবদান দীর্ঘদিন ধরে অনুভূত হবে। তিনি বলেন, ‘কেন সবসময় দলকে নিজের আগে রেখেছে। তাকে হারাতে আমাদের খারাপ লাগছে, তবে আমরা খুশি যে সে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্তুষ্ট। সে একজন অসাধারণ ক্রিকেটার, দুর্দান্ত সতীর্থ, অনুকরণীয় নেতা এবং আমাদের খেলার এক অসামান্য দূত।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ালেও ব্যাট হাতে উইলিয়ামসনকে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দেখা যেতে পারে। তবে নিউজিল্যান্ডের সাদা-কালো জার্সিতে তার অধ্যায়ের সমাপ্তির মধ্য দিয়ে বিশ্ব ক্রিকেট হারাল তার সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটার ও অধিনায়ককে।

প্রথম দিকে ফিফা দাবি করেছিল, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলে আরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। তবে সমালোচকদের আশঙ্কা ছিল, এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবল সম্পদের ওপর বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরি হবে। সেই বিতর্কই শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনাটি ভেস্তে দেয়।
৭ দিন আগে
প্রথম ফ্লাইটে ১০ জন কোচিং স্টাফদের সঙ্গে উড়াল দিয়েছেন কয়েকজন ক্রিকেটারও। তানজিদ তামিম ও অমিত হাসান একসঙ্গে এলেও আলাদাভাবে বিমানবন্দরে পৌঁছান তাইজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহিম, খালেদ আহমেদ ও সাদমান ইসলাম। প্রিয় তারকাদের কাছ থেকে দেখতে ভিড় করেন অনেক সমর্থক। তবে এদিন ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি কেউই।
৭ দিন আগে
উয়েফা জানিয়েছে, সদস্যদেশগুলো চলতি সপ্তাহেই ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অবস্থান জানাবে। এর ফলে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পরিকল্পনা এখন বড় বাধার মুখে পড়েছে।
৭ দিন আগে
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের পর মাঠে সংঘর্ষে জড়িত কয়েকজন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও আলাদা অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।
৯ দিন আগে