
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বড় জয় দিয়ে বিপিএলের এবার আসর শুরু করলো রংপুর রাইডার্স। সিলেটে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে তারা হারিয়েছে ৭ উইকেট আর ৫ ওভার হাতে রেখে।
রংপুরের বোলাররাই আসল কাজ করে দিয়েছিলেন। জয়ের লক্ষ্য ছিল মাত্র ১০৩ রানের। ৭৩ বলে ৯১ রানের ওপেনিং জুটিতে জয় সহজ করে ফেলেন ডেভিড মালান আর লিটন দাস। হাফসেঞ্চুরির দোরগোড়ায় এসে ফেরেন লিটন। ৩১ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় করেন ৪৭ রান।
এরপর তাওহিদ হৃদয়ও আউট হন ১ রান করে। দুটি উইকেটই শিকার করেন চট্টগ্রামের পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ।
তবে দেখেশুনে খেলে ৪৫ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মালান। দল জয় থেকে মাত্র ২ রান দূরে থাকতে মাহমুদুল হাসান জয়ের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ইংলিশ। ৪৮ বলে ৫১ রানের ইনিংসে ৫টি চার আর ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি।
ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন খুশদিল শাহ। মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত থাকেন ১ রানে।
এর আগে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ধসে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ব্যাটিং লাইনআপ। ফাহিম আশরাফের ৫ শিকারে চট্টগ্রাম ১৭.৫ ওভারে অলআউট হয় মাত্র রানে ১০২ রানে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) টস জিতে চট্টগ্রামকে ব্যাটিংয়ে পাঠান রংপুরের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। ব্যাটিংয়ে নামা চট্টগ্রামকে শুরু থেকে চেপে ধরে রংপুরের বোলাররা।
৩ রানেই হারায় প্রথম উইকেট। বিদেশি অ্যাডাম রশিংটন ১ রান করে নাহিদ রানার বলে আউট হন। এরপর কিছুটা এগোয় রংপুর। কিন্তু ৩ বলের ব্যধানে আউট হন নাইম শেখ ও মাহমুদুল হাসান জয়। কোটি টাকার নাইম ২০ বলে ৩৯ করে ভালোই এগোচ্ছিলেন মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হওয়ার আগে। জয়কে ফেরান আলিস। ৪৬ রানে হারায় চট্টগ্রাম ৩ উইকেট।
এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বন্দর নগরীর দলটি। মাহিফজুল আলম (১), মাসুদ গুরবাজ (৯) শেখ মাহেদি হাসান (১) করে আউট হন। সবাইকে ফেরান পাকিস্তানের ফাহিম আশরাফ। ৭১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে একশো রান পার হওয়া নিয়ে শঙ্কায় পড়ে চট্টগ্রাম।
নোয়াখালীর বিপক্ষে ৮০ রান করা মির্জা বাইগ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান করে বিদায় নেন মোস্তাফিজের বলে। নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নিয়ে সুফিয়ান মুকিম ফেরান তানভীর ইসলামকে (৬)। ৮৮ রানে ৮ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রামের শেষ দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন ফাহিম আশরাফ। আবু হায়দার রনি ১৩ ও শরিফুল ইসলাম ৬ রান করে আউট হলে মাত্র ১০২ রানে থামে চট্টগ্রামের ইনিংস।
ফাহিমের ৫ উইকেট ছাড়াও। ২ উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। সমান একটি করে উইকেট নাহিদ রানা, আলিস আল ইসলাম ও সুফিয়ান মুকিম।

বড় জয় দিয়ে বিপিএলের এবার আসর শুরু করলো রংপুর রাইডার্স। সিলেটে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে তারা হারিয়েছে ৭ উইকেট আর ৫ ওভার হাতে রেখে।
রংপুরের বোলাররাই আসল কাজ করে দিয়েছিলেন। জয়ের লক্ষ্য ছিল মাত্র ১০৩ রানের। ৭৩ বলে ৯১ রানের ওপেনিং জুটিতে জয় সহজ করে ফেলেন ডেভিড মালান আর লিটন দাস। হাফসেঞ্চুরির দোরগোড়ায় এসে ফেরেন লিটন। ৩১ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় করেন ৪৭ রান।
এরপর তাওহিদ হৃদয়ও আউট হন ১ রান করে। দুটি উইকেটই শিকার করেন চট্টগ্রামের পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ।
তবে দেখেশুনে খেলে ৪৫ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মালান। দল জয় থেকে মাত্র ২ রান দূরে থাকতে মাহমুদুল হাসান জয়ের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ইংলিশ। ৪৮ বলে ৫১ রানের ইনিংসে ৫টি চার আর ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি।
ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন খুশদিল শাহ। মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত থাকেন ১ রানে।
এর আগে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ধসে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ব্যাটিং লাইনআপ। ফাহিম আশরাফের ৫ শিকারে চট্টগ্রাম ১৭.৫ ওভারে অলআউট হয় মাত্র রানে ১০২ রানে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) টস জিতে চট্টগ্রামকে ব্যাটিংয়ে পাঠান রংপুরের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। ব্যাটিংয়ে নামা চট্টগ্রামকে শুরু থেকে চেপে ধরে রংপুরের বোলাররা।
৩ রানেই হারায় প্রথম উইকেট। বিদেশি অ্যাডাম রশিংটন ১ রান করে নাহিদ রানার বলে আউট হন। এরপর কিছুটা এগোয় রংপুর। কিন্তু ৩ বলের ব্যধানে আউট হন নাইম শেখ ও মাহমুদুল হাসান জয়। কোটি টাকার নাইম ২০ বলে ৩৯ করে ভালোই এগোচ্ছিলেন মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হওয়ার আগে। জয়কে ফেরান আলিস। ৪৬ রানে হারায় চট্টগ্রাম ৩ উইকেট।
এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বন্দর নগরীর দলটি। মাহিফজুল আলম (১), মাসুদ গুরবাজ (৯) শেখ মাহেদি হাসান (১) করে আউট হন। সবাইকে ফেরান পাকিস্তানের ফাহিম আশরাফ। ৭১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে একশো রান পার হওয়া নিয়ে শঙ্কায় পড়ে চট্টগ্রাম।
নোয়াখালীর বিপক্ষে ৮০ রান করা মির্জা বাইগ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান করে বিদায় নেন মোস্তাফিজের বলে। নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নিয়ে সুফিয়ান মুকিম ফেরান তানভীর ইসলামকে (৬)। ৮৮ রানে ৮ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রামের শেষ দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন ফাহিম আশরাফ। আবু হায়দার রনি ১৩ ও শরিফুল ইসলাম ৬ রান করে আউট হলে মাত্র ১০২ রানে থামে চট্টগ্রামের ইনিংস।
ফাহিমের ৫ উইকেট ছাড়াও। ২ উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। সমান একটি করে উইকেট নাহিদ রানা, আলিস আল ইসলাম ও সুফিয়ান মুকিম।

বিশ্বকাপের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের ঢাকায় এসে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী ৬ অক্টোবর ম্যাচটি আয়োজনের বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
৫ দিন আগে
ডারউইনে দাপুটে জয়ের পর ম্যাকাইয়ে এসে ব্যাটিংয়ে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল বাংলাদেশ। দুই ইনিংস মিলিয়েও অস্ট্রেলিয়ার করা ২১০ রান টপকাতে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্তর দল। গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় স্বাগতিকদের কাছে ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে ১-১ সমতায় দুই টেস্টের সিরিজ শেষ করেছে বাংলাদেশ।
৬ দিন আগে
রোববার (২৩ আগস্ট) ম্যাকাই টেস্টের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন চলাকালে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৫৫ রান। উইকেটে মুশফিকুর রহিম রয়েছেন ৪৭ বলে ১২ রান করে। মাত্রই নেমেছেন লিটন দাস। এখনো বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে ৯১ রানে। অর্থাৎ ইনিংস পরাজয় এড়াতেই বাংলাদেশের এখনো প্রয়োজন ৯১ রান।
৬ দিন আগে
স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের জুটিতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ১০১ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছে অজিরা, হাতে রয়েছে মাত্র ২ উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে একাই ছয় উইকেট নিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। এর আগে মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
৭ দিন আগে