
ক্রীড়া ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও দাপট ধরে রেখেছে টাইগাররা। তানজিদ তামিমের ক্যারিয়ারের প্রথম শতকের সঙ্গে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ৮৪ রানের পর মেহেদি হাসান মিরাজ আর হাসান মাহমুদের দৃঢ়তায় নিজেদের করে নিয়েছে তারা। তাতে দিন শেষে ৪ উইকেট হাতে রেখেই ১৫৩ রানের নিশ্চিত হয়েছে। তৃতীয় দিনে সেই লিডকে আরও বাড়িয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ডারউইনে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই তানজিদ আর মুমিনুল হক দেখেশুনে শুরু করেছিলেন। প্রথম দুই সেশনেই ছিল বাংলাদেশি ব্যাটারদের দাপ এরপর নতুন বল হাতে তুলে নিয়ে অজি বোলাররা ১১ রানের মধ্যে ৩ উইকেট তুলে নেন। পরে মিরাজ-হাসানের দৃঢ়তায় ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে টাইগাররা।
প্রথম সেশনে অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র সাফল্য ছিল মুমিনুলের উইকেট। ৪৯ রান করে মুমিনুল আউট হয়ে যান। এরপর অধিনায়ক শান্তকে নিয়ে বড় জুটি গড়েন তানজিদ। অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের পিটিয়ে ওপেনার তানজিদ নিজের দ্বিতীয় টেস্টেই শতক তুলে নেন শতক। ১০১ রান করে নাথান লায়নকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিচেল স্টার্ককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
এই শতকের মাধ্যমে ৬২ বছরের একটি রেকর্ডও স্পর্শ করেন তানজিদ। এর আগে ১৯৬৪ সালে পাকিস্তানের মোহাম্মদ হানিফ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজের প্রথম টেস্টেই শতক তুলে নিয়েছিলেন। এরপর আর কোনো ক্রিকেটার এমন নজির দেখাতে পারেননি। তানজিদ দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টেই শতকের দেখা পেলেন।
তানজিদ আউট হলেও অধিনায়ক শান্ত ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৮৪ রানের মূল্যবান ইনিংস। এরপর মুশফিকুর রহিমের ৩৬ রানও বাংলাদেশের স্কোরকে বড় করতে ভূমিকা রাখে। দুজনে মিলে জুটি গড়ে হতাশায় পোড়ান অজি বোলারদের।
তবে দ্বিতীয় নতুন বলে হঠাৎ ঘুরে দাঁড়ায় অস্ট্রেলিয়া। মাত্র ১১ রানের মধ্যে তিনটি উইকেট তুলে নেয় তারা। একে একে আউট হয়ে যান শান্ত, মুশফিক ও লিটন দাস। এর মধ্যে লিটন কোনো রান করতে পারেননি। পুরো দিনে এই সময়টুকুতেই কিছুটা দাপট দেখাতে পারে অস্ট্রেলিয়া।
দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন কাঁপছে, তখন ফের ঘুরে দাঁড়ান মিরাজ আর হাসান। দিনের শেষ প্রায় ২৫ ওভার একসঙ্গে ব্যাট করে ৪৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন তারা। দিন শেষে মিরাজ অপরাজিত আছেন ৩২ রানে। আর প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপকে ধসিয়ে দেওয়া হাসান অপরাজিত আছেম ১৩ রানে। ৭৬ বল খেলে ব্যাট হাতেও অজি বোলারদের হতাশায় ডুবিয়েছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২টি করে উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড। একটি করে উইকেট নিয়েছেন প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়ন।
দুই দিন শেষে ম্যাচে এখনো স্পষ্ট ফেভারিট বাংলাদেশ। হাতে ৪ উইকেট নিয়ে ১৫৩ রানের লিড ম্যাচে বাংলাদেশকে জয়ের স্বপ্নও দেখাচ্ছে। ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে জয়-পরাজয়ের সে সমীকরণ অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও দাপট ধরে রেখেছে টাইগাররা। তানজিদ তামিমের ক্যারিয়ারের প্রথম শতকের সঙ্গে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ৮৪ রানের পর মেহেদি হাসান মিরাজ আর হাসান মাহমুদের দৃঢ়তায় নিজেদের করে নিয়েছে তারা। তাতে দিন শেষে ৪ উইকেট হাতে রেখেই ১৫৩ রানের নিশ্চিত হয়েছে। তৃতীয় দিনে সেই লিডকে আরও বাড়িয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ডারউইনে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই তানজিদ আর মুমিনুল হক দেখেশুনে শুরু করেছিলেন। প্রথম দুই সেশনেই ছিল বাংলাদেশি ব্যাটারদের দাপ এরপর নতুন বল হাতে তুলে নিয়ে অজি বোলাররা ১১ রানের মধ্যে ৩ উইকেট তুলে নেন। পরে মিরাজ-হাসানের দৃঢ়তায় ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে টাইগাররা।
প্রথম সেশনে অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র সাফল্য ছিল মুমিনুলের উইকেট। ৪৯ রান করে মুমিনুল আউট হয়ে যান। এরপর অধিনায়ক শান্তকে নিয়ে বড় জুটি গড়েন তানজিদ। অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের পিটিয়ে ওপেনার তানজিদ নিজের দ্বিতীয় টেস্টেই শতক তুলে নেন শতক। ১০১ রান করে নাথান লায়নকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিচেল স্টার্ককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
এই শতকের মাধ্যমে ৬২ বছরের একটি রেকর্ডও স্পর্শ করেন তানজিদ। এর আগে ১৯৬৪ সালে পাকিস্তানের মোহাম্মদ হানিফ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজের প্রথম টেস্টেই শতক তুলে নিয়েছিলেন। এরপর আর কোনো ক্রিকেটার এমন নজির দেখাতে পারেননি। তানজিদ দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টেই শতকের দেখা পেলেন।
তানজিদ আউট হলেও অধিনায়ক শান্ত ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৮৪ রানের মূল্যবান ইনিংস। এরপর মুশফিকুর রহিমের ৩৬ রানও বাংলাদেশের স্কোরকে বড় করতে ভূমিকা রাখে। দুজনে মিলে জুটি গড়ে হতাশায় পোড়ান অজি বোলারদের।
তবে দ্বিতীয় নতুন বলে হঠাৎ ঘুরে দাঁড়ায় অস্ট্রেলিয়া। মাত্র ১১ রানের মধ্যে তিনটি উইকেট তুলে নেয় তারা। একে একে আউট হয়ে যান শান্ত, মুশফিক ও লিটন দাস। এর মধ্যে লিটন কোনো রান করতে পারেননি। পুরো দিনে এই সময়টুকুতেই কিছুটা দাপট দেখাতে পারে অস্ট্রেলিয়া।
দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন কাঁপছে, তখন ফের ঘুরে দাঁড়ান মিরাজ আর হাসান। দিনের শেষ প্রায় ২৫ ওভার একসঙ্গে ব্যাট করে ৪৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন তারা। দিন শেষে মিরাজ অপরাজিত আছেন ৩২ রানে। আর প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপকে ধসিয়ে দেওয়া হাসান অপরাজিত আছেম ১৩ রানে। ৭৬ বল খেলে ব্যাট হাতেও অজি বোলারদের হতাশায় ডুবিয়েছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২টি করে উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড। একটি করে উইকেট নিয়েছেন প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়ন।
দুই দিন শেষে ম্যাচে এখনো স্পষ্ট ফেভারিট বাংলাদেশ। হাতে ৪ উইকেট নিয়ে ১৫৩ রানের লিড ম্যাচে বাংলাদেশকে জয়ের স্বপ্নও দেখাচ্ছে। ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিনে জয়-পরাজয়ের সে সমীকরণ অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।

বাবার অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই মেসির ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। গত জুনে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করার পর মেসিকে আবেগে কাঁদতে দেখা যায়।
৬ দিন আগে
শফিকুল আলম লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) উচিত সাকিব আল হাসানের সব রেকর্ড, পরিসংখ্যান ও অর্জনের স্বীকৃতি মুছে ফেলা। যে ক্রিকেটার প্রকাশ্যে একজন দণ্ডিত গণহত্যাকারীকে (ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা) পূজা করে, তার নাম ক্রিকেটের ইতিহাসে থাকার কোনো অধিকার নেই। সাকিবের নাম ও রেকর্ড ইতিহাস থেকে মুছে
৭ দিন আগে
ফিফার সহ-সভাপতি, কাউন্সিল এবং ২১১টি সদস্য সংস্থাকে ইনফান্তিনো এবং গ্রাফস্ট্রোমের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিবিসি এই চিঠিটি দেখেছে।
৮ দিন আগে