
অরুণ কুমার

হারিয়ে যাচ্ছে কাঁচাঘর। মাটির ঘর খড়ের ছাউনি–বাংলার এই চিরায়ত ঘরগুলি প্রায় বিলুপ্ত৷ এখন আমরা শুধু সেগুলোর জন্য দীর্ঘশ্বাসই ফেলতে পারি৷ ফিরিয়ে আনতে পারি না। হূমায়ূন আহমেদের মতো সৌখিন মানুষ না হলে এমন ঘর তৈরি করে কেউ বাসও করতে পারবে না।
কাঁচাঘর বা মাটির ঘর ছিল গরিবের ঘর। তাই সেই ঘরের আসবাব যে ঝাঁ চকচকে হবে না, সেটা বলাই বাহুল্য। তবুও স্মৃতি হাতড়ে মনে করতে দোষ কী?
ছেলেবেলায় অনেক আত্মীয়ের বাড়িতেই কাঁচা ঘর ছিল। সেইসব কাঁচাঘর ছিল আমার রত্নভাণ্ডার। সেগুলো ঘেঁটে কী খুঁজতাম আমি নিজেও জানতাম না। কিন্তু আত্মীয় আর প্রতিবেশীদের দেখা ঘরগুলো থেকে একটা সারাংশ বের করতে পারি সেইসব ঘরের আসবাবের।
খাট-পালঙ্ক কাঁচা ঘরে থাকত না, সেটাই স্বাভাবিক। ঘরের এককোণে থাকত কাঠের চৌকি, অতি গরিব হলে চৌকির বদলে বাঁশের মাচা। বিছানা-বালিশ সাজিয়ে রাখার জন্য আড়মাচা থেকে ঝুলত দোলনার মতো বাঁশের আড়া। প্রতিটি ঘরেই সানশেডের মতো করে ব্যবহার করা হতো মই–জিনিসপত্র রাখার জন্য। কারও ঘরে একটা দড়ি টাঙানো। তাতে ঝুলত একরাশ কাপড়। আলনা কেনার ক্ষমতা সবার ছিল না।
দেয়ালের কোনা বরাবর একটা গর্ত। সেখান থেকে বেরিয়ে থাকত মাটির ভাঁড়ের মুখ। ঘরের দেয়াল দেয়ার সময় কাঁচা মাটির ভেতর বসিয়ে দেয়া হতো এই ভাঁড়। ছেলেমেয়েদের জন্য এটাই গুপ্তধন রাখার জায়গা। মারবেল, লাটিম, ঘুড়ির লাটাই, ছোট পুতুল, পুঁতির মালা ইত্যাদি টুকরো খেলনাগুলো ছেলেমেয়েরা এখানেই গচ্ছিত রাখত, যখন ইচ্ছে হাত ঢুকিয়ে বের করে নিত সেগুলো।
ঘরের পেছনের দেয়াল কেটে বানানো হতো ত্রিভুজাকৃতির তাক। সেখানে রাখা হতো দৈনন্দিন কাজের জন্য টুকিটাকি জিনিস। এ ছাড়া ক্যালেন্ডার বা সিনেমার পোস্টার টাঙানোর চলও ছিল। বারান্দা আর ঘরের মাঝখানের দেয়ালে একটা জালানা রাখা হতো। ঘরের দুপাশেও থাকত জানালা।
চালের বাতায় নানা জিনিস গুঁজে রাখা হতো। বিশেষ করে সিঁড়ির কাছাকাছি জায়গাতে। কাঁচি, নিড়ানি, ছুরি, কলম, বাঁশি।
কোনো কোনো ঘরে কাঠের আলমারিও থাকত। থাকত ছেলেমেয়েদের পড়ার টেবিল এবং আলনা। চৌকির নিচে রাখা হতো চাঙারি, ঝুড়ি ইত্যাদি।
এই হলো কাঁচাঘরের মালিকের ঘরের বিষয়-আসয়ের ফিরিস্তি।

হারিয়ে যাচ্ছে কাঁচাঘর। মাটির ঘর খড়ের ছাউনি–বাংলার এই চিরায়ত ঘরগুলি প্রায় বিলুপ্ত৷ এখন আমরা শুধু সেগুলোর জন্য দীর্ঘশ্বাসই ফেলতে পারি৷ ফিরিয়ে আনতে পারি না। হূমায়ূন আহমেদের মতো সৌখিন মানুষ না হলে এমন ঘর তৈরি করে কেউ বাসও করতে পারবে না।
কাঁচাঘর বা মাটির ঘর ছিল গরিবের ঘর। তাই সেই ঘরের আসবাব যে ঝাঁ চকচকে হবে না, সেটা বলাই বাহুল্য। তবুও স্মৃতি হাতড়ে মনে করতে দোষ কী?
ছেলেবেলায় অনেক আত্মীয়ের বাড়িতেই কাঁচা ঘর ছিল। সেইসব কাঁচাঘর ছিল আমার রত্নভাণ্ডার। সেগুলো ঘেঁটে কী খুঁজতাম আমি নিজেও জানতাম না। কিন্তু আত্মীয় আর প্রতিবেশীদের দেখা ঘরগুলো থেকে একটা সারাংশ বের করতে পারি সেইসব ঘরের আসবাবের।
খাট-পালঙ্ক কাঁচা ঘরে থাকত না, সেটাই স্বাভাবিক। ঘরের এককোণে থাকত কাঠের চৌকি, অতি গরিব হলে চৌকির বদলে বাঁশের মাচা। বিছানা-বালিশ সাজিয়ে রাখার জন্য আড়মাচা থেকে ঝুলত দোলনার মতো বাঁশের আড়া। প্রতিটি ঘরেই সানশেডের মতো করে ব্যবহার করা হতো মই–জিনিসপত্র রাখার জন্য। কারও ঘরে একটা দড়ি টাঙানো। তাতে ঝুলত একরাশ কাপড়। আলনা কেনার ক্ষমতা সবার ছিল না।
দেয়ালের কোনা বরাবর একটা গর্ত। সেখান থেকে বেরিয়ে থাকত মাটির ভাঁড়ের মুখ। ঘরের দেয়াল দেয়ার সময় কাঁচা মাটির ভেতর বসিয়ে দেয়া হতো এই ভাঁড়। ছেলেমেয়েদের জন্য এটাই গুপ্তধন রাখার জায়গা। মারবেল, লাটিম, ঘুড়ির লাটাই, ছোট পুতুল, পুঁতির মালা ইত্যাদি টুকরো খেলনাগুলো ছেলেমেয়েরা এখানেই গচ্ছিত রাখত, যখন ইচ্ছে হাত ঢুকিয়ে বের করে নিত সেগুলো।
ঘরের পেছনের দেয়াল কেটে বানানো হতো ত্রিভুজাকৃতির তাক। সেখানে রাখা হতো দৈনন্দিন কাজের জন্য টুকিটাকি জিনিস। এ ছাড়া ক্যালেন্ডার বা সিনেমার পোস্টার টাঙানোর চলও ছিল। বারান্দা আর ঘরের মাঝখানের দেয়ালে একটা জালানা রাখা হতো। ঘরের দুপাশেও থাকত জানালা।
চালের বাতায় নানা জিনিস গুঁজে রাখা হতো। বিশেষ করে সিঁড়ির কাছাকাছি জায়গাতে। কাঁচি, নিড়ানি, ছুরি, কলম, বাঁশি।
কোনো কোনো ঘরে কাঠের আলমারিও থাকত। থাকত ছেলেমেয়েদের পড়ার টেবিল এবং আলনা। চৌকির নিচে রাখা হতো চাঙারি, ঝুড়ি ইত্যাদি।
এই হলো কাঁচাঘরের মালিকের ঘরের বিষয়-আসয়ের ফিরিস্তি।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে, অভিনেতাদের পৃথক ঠিকানায় নোটিশগুলো পাঠানো হয়েছে। অজয় দেবগনের জুহুর বাসভবন ও শাহরুখ খানের বান্দ্রার বাসভবন ‘মান্নাত’-এ নোটিশ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। টাইগার শ্রফকে তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘টাইগার শ্রফ প্রোডাকশনস’-এর মাধ্যমে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
১৪ দিন আগে
বাংলা থিয়েটারে মৌলিক নাটকের দুষ্প্রাপ্যতার প্রেক্ষাপটে প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব মনোজ মিত্র এই প্রতিযোগিতা চালু করেছিলেন। মনোজ মিত্র প্রকল্পিত পার্থপ্রতিম স্মরণে সুন্দরম আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার এটি ছিল ৩৩তম আসর।
১৫ দিন আগে
গত ৬ আগস্ট রাত ১২টা থেকে দর্শকদের জন্য সিনেমাটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। সাইফ চন্দন পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছিল।
২২ দিন আগে
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন সহশিল্পী, অভিনয়শিল্পী ও দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। স্বাগত দের প্রয়াণে বাংলা লোকসংগীত অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পী ও সংস্কৃতিজনেরা।
২৪ দিন আগে