
বিল্লাল বিন কাশেম

ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য এক মহিমান্বিত দিন— আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও আত্মশুদ্ধির পরিপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ। এক মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর এই দিনটি যেন আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কার। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমাদের অনেকের কাছে ঈদ কেবল নতুন পোশাক, খাবার আর বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। অথচ কোরআন ও হাদিসের আলোকে ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য অনেক গভীর, অনেক তাৎপর্যপূর্ণ।
রমজান মাসের মূল লক্ষ্য ছিল তাকওয়া অর্জন— আল্লাহভীতি ও আত্মসংযমের মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ করা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার”, (সূরা আল-বাকারা: ১৮৩)। এই তাকওয়ারই এক মহিমান্বিত প্রকাশ ঘটে ঈদের দিনে। তাই ঈদ কেবল আনন্দের নয়, বরং ইবাদত ও কৃতজ্ঞতার এক অনন্য সমন্বয়।
ঈদের দিনের সূচনা হয় কিছু সুন্নাহসম্মত আমলের মাধ্যমে। হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ঈদের দিন ভোরে উঠে গোসল করতেন, উত্তম পোশাক পরিধান করতেন এবং সুগন্ধি ব্যবহার করতেন। এটি কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, বরং অন্তরের পবিত্রতারও প্রতীক। তিনি ঈদুল ফিতরের দিন নামাজে যাওয়ার আগে বিজোড় সংখ্যক খেজুর খেয়ে নিতেন, যা রোজার সমাপ্তির একটি প্রতীকী প্রকাশ।
ঈদের দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো তাকবির পাঠ করা। ঈদের আগের রাত থেকে শুরু করে ঈদের নামাজ পর্যন্ত ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ’ পাঠ করা সুন্নাহ। এটি আল্লাহর মহিমা ঘোষণা ও কৃতজ্ঞতার এক অনন্য মাধ্যম।
ঈদের নামাজ নিজেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। যদিও এটি ফরজ নয়, বরং ওয়াজিব বা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা হিসেবে বিবেচিত, তবুও এর গুরুত্ব অপরিসীম। হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসূল (সা.) নারী-পুরুষ, এমনকি কিশোরী মেয়েদেরও ঈদের জামাতে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করতেন। এর মাধ্যমে মুসলিম সমাজের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে।
ঈদের নামাজের আগে সদকাতুল ফিতর আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করে এবং দরিদ্রদের ঈদের আনন্দে শরিক হওয়ার সুযোগ করে দেয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) এটিকে প্রত্যেক মুসলমানের উপর ওয়াজিব করেছেন— ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সবার জন্য। এটি ইসলামের সামাজিক ন্যায়ের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
ঈদের দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় ও সম্পর্ক সুদৃঢ় করা। “তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিংকুম”— এই দোয়ার মাধ্যমে মুসলমানরা একে অপরের জন্য দোয়া করে। এটি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং হৃদয়ের গভীর থেকে একে অপরের কল্যাণ কামনা।
কোরআন আমাদের শিখিয়েছে কৃতজ্ঞ হতে। রমজান শেষে ঈদের দিনটি মূলত সেই কৃতজ্ঞতারই প্রকাশ। আল্লাহ বলেন, “যাতে তোমরা নির্দিষ্ট সংখ্যক দিন পূর্ণ করতে পার এবং আল্লাহ তোমাদেরকে যে পথ দেখিয়েছেন, তার জন্য তাঁর মহিমা ঘোষণা কর এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর”, (সূরা আল-বাকারা: ১৮৫)। তাই ঈদের আনন্দ যেন আল্লাহর স্মরণ থেকে বিচ্যুত না হয়, সেটিই হওয়া উচিত আমাদের সচেতনতার বিষয়।
ঈদের আনন্দে ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিকতার চর্চা অত্যন্ত জরুরি। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও দরিদ্রদের খোঁজখবর নেওয়া, তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা— এসবই ঈদের প্রকৃত সৌন্দর্য। হাদিসে আছে, “সে ব্যক্তি মুমিন নয়, যে নিজে পেট ভরে খায় অথচ তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে।” এই শিক্ষাই আমাদেরকে সামাজিক দায়িত্ববোধের দিকে আহ্বান জানায়।
বর্তমান সমাজে ঈদের আনন্দ অনেক সময় অপচয়, বিলাসিতা ও অসংযমের মাধ্যমে প্রকাশ পায়, যা ইসলামের মূল শিক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কোরআন আমাদের সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, “নিশ্চয়ই অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই”, (সূরা বনী ইসরাইল: ২৭)। তাই ঈদের আনন্দ যেন সীমা লঙ্ঘন না করে, বরং সংযম ও সৌন্দর্যের মধ্যে থাকে, সেটিই কাম্য।
ঈদ আমাদেরকে আত্মসমালোচনারও সুযোগ দেয়— আমরা কি রমজানের শিক্ষা ধারণ করতে পেরেছি? আমাদের চরিত্র, আচরণ, নৈতিকতা কি উন্নত হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে, তবে ঈদ আমাদের জন্য একটি নতুন করে শুরু করার আহ্বান। এটি একটি আত্মিক পুনর্জাগরণের সময়।
ঈদের দিন ক্ষমা ও উদারতার চর্চা করা উচিত। অতীতের কষ্ট, অভিমান ভুলে গিয়ে সম্পর্ক পুনর্গঠন করা ইসলামের শিক্ষা। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ক্ষমা করে, আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।” তাই ঈদের আনন্দ হোক ক্ষমা ও ভালোবাসার মাধ্যমে পরিপূর্ণ।
পরিশেষে বলা যায়, ঈদুল ফিতর কেবল একটি উৎসব নয়; এটি একটি আধ্যাত্মিক উপলব্ধি, একটি নৈতিক শিক্ষা, একটি সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রতিফলন। কোরআন ও হাদিসের আলোকে যদি আমরা ঈদের দিনকে যথাযথভাবে পালন করতে পারি, তাহলে এটি আমাদের জীবনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
আসুন, আমরা ঈদের দিনকে কেবল আনন্দের নয়, বরং ইবাদত, কৃতজ্ঞতা, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার এক পরিপূর্ণ প্রকাশ হিসেবে গ্রহণ করি। তাহলেই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য আমাদের জীবনে প্রতিফলিত হবে এবং আমরা হয়ে উঠব সত্যিকার অর্থেই সফল ও কল্যাণপ্রাপ্ত।
ঈদ মোবারক।
লেখক: উপপরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য এক মহিমান্বিত দিন— আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও আত্মশুদ্ধির পরিপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ। এক মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর এই দিনটি যেন আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কার। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমাদের অনেকের কাছে ঈদ কেবল নতুন পোশাক, খাবার আর বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। অথচ কোরআন ও হাদিসের আলোকে ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য অনেক গভীর, অনেক তাৎপর্যপূর্ণ।
রমজান মাসের মূল লক্ষ্য ছিল তাকওয়া অর্জন— আল্লাহভীতি ও আত্মসংযমের মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ করা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার”, (সূরা আল-বাকারা: ১৮৩)। এই তাকওয়ারই এক মহিমান্বিত প্রকাশ ঘটে ঈদের দিনে। তাই ঈদ কেবল আনন্দের নয়, বরং ইবাদত ও কৃতজ্ঞতার এক অনন্য সমন্বয়।
ঈদের দিনের সূচনা হয় কিছু সুন্নাহসম্মত আমলের মাধ্যমে। হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ঈদের দিন ভোরে উঠে গোসল করতেন, উত্তম পোশাক পরিধান করতেন এবং সুগন্ধি ব্যবহার করতেন। এটি কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, বরং অন্তরের পবিত্রতারও প্রতীক। তিনি ঈদুল ফিতরের দিন নামাজে যাওয়ার আগে বিজোড় সংখ্যক খেজুর খেয়ে নিতেন, যা রোজার সমাপ্তির একটি প্রতীকী প্রকাশ।
ঈদের দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো তাকবির পাঠ করা। ঈদের আগের রাত থেকে শুরু করে ঈদের নামাজ পর্যন্ত ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ’ পাঠ করা সুন্নাহ। এটি আল্লাহর মহিমা ঘোষণা ও কৃতজ্ঞতার এক অনন্য মাধ্যম।
ঈদের নামাজ নিজেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। যদিও এটি ফরজ নয়, বরং ওয়াজিব বা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা হিসেবে বিবেচিত, তবুও এর গুরুত্ব অপরিসীম। হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসূল (সা.) নারী-পুরুষ, এমনকি কিশোরী মেয়েদেরও ঈদের জামাতে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করতেন। এর মাধ্যমে মুসলিম সমাজের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে।
ঈদের নামাজের আগে সদকাতুল ফিতর আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করে এবং দরিদ্রদের ঈদের আনন্দে শরিক হওয়ার সুযোগ করে দেয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) এটিকে প্রত্যেক মুসলমানের উপর ওয়াজিব করেছেন— ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সবার জন্য। এটি ইসলামের সামাজিক ন্যায়ের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
ঈদের দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় ও সম্পর্ক সুদৃঢ় করা। “তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিংকুম”— এই দোয়ার মাধ্যমে মুসলমানরা একে অপরের জন্য দোয়া করে। এটি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং হৃদয়ের গভীর থেকে একে অপরের কল্যাণ কামনা।
কোরআন আমাদের শিখিয়েছে কৃতজ্ঞ হতে। রমজান শেষে ঈদের দিনটি মূলত সেই কৃতজ্ঞতারই প্রকাশ। আল্লাহ বলেন, “যাতে তোমরা নির্দিষ্ট সংখ্যক দিন পূর্ণ করতে পার এবং আল্লাহ তোমাদেরকে যে পথ দেখিয়েছেন, তার জন্য তাঁর মহিমা ঘোষণা কর এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর”, (সূরা আল-বাকারা: ১৮৫)। তাই ঈদের আনন্দ যেন আল্লাহর স্মরণ থেকে বিচ্যুত না হয়, সেটিই হওয়া উচিত আমাদের সচেতনতার বিষয়।
ঈদের আনন্দে ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিকতার চর্চা অত্যন্ত জরুরি। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও দরিদ্রদের খোঁজখবর নেওয়া, তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা— এসবই ঈদের প্রকৃত সৌন্দর্য। হাদিসে আছে, “সে ব্যক্তি মুমিন নয়, যে নিজে পেট ভরে খায় অথচ তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে।” এই শিক্ষাই আমাদেরকে সামাজিক দায়িত্ববোধের দিকে আহ্বান জানায়।
বর্তমান সমাজে ঈদের আনন্দ অনেক সময় অপচয়, বিলাসিতা ও অসংযমের মাধ্যমে প্রকাশ পায়, যা ইসলামের মূল শিক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কোরআন আমাদের সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, “নিশ্চয়ই অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই”, (সূরা বনী ইসরাইল: ২৭)। তাই ঈদের আনন্দ যেন সীমা লঙ্ঘন না করে, বরং সংযম ও সৌন্দর্যের মধ্যে থাকে, সেটিই কাম্য।
ঈদ আমাদেরকে আত্মসমালোচনারও সুযোগ দেয়— আমরা কি রমজানের শিক্ষা ধারণ করতে পেরেছি? আমাদের চরিত্র, আচরণ, নৈতিকতা কি উন্নত হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে, তবে ঈদ আমাদের জন্য একটি নতুন করে শুরু করার আহ্বান। এটি একটি আত্মিক পুনর্জাগরণের সময়।
ঈদের দিন ক্ষমা ও উদারতার চর্চা করা উচিত। অতীতের কষ্ট, অভিমান ভুলে গিয়ে সম্পর্ক পুনর্গঠন করা ইসলামের শিক্ষা। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ক্ষমা করে, আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।” তাই ঈদের আনন্দ হোক ক্ষমা ও ভালোবাসার মাধ্যমে পরিপূর্ণ।
পরিশেষে বলা যায়, ঈদুল ফিতর কেবল একটি উৎসব নয়; এটি একটি আধ্যাত্মিক উপলব্ধি, একটি নৈতিক শিক্ষা, একটি সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রতিফলন। কোরআন ও হাদিসের আলোকে যদি আমরা ঈদের দিনকে যথাযথভাবে পালন করতে পারি, তাহলে এটি আমাদের জীবনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
আসুন, আমরা ঈদের দিনকে কেবল আনন্দের নয়, বরং ইবাদত, কৃতজ্ঞতা, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার এক পরিপূর্ণ প্রকাশ হিসেবে গ্রহণ করি। তাহলেই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য আমাদের জীবনে প্রতিফলিত হবে এবং আমরা হয়ে উঠব সত্যিকার অর্থেই সফল ও কল্যাণপ্রাপ্ত।
ঈদ মোবারক।
লেখক: উপপরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিছুসংখ্যক মানুষ গত কয়েকদিন ধরে এই কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলেছেন যে, মায়েরা তাদের শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না, তাই হামের সংক্রমণ বাড়ছে! শিশুরা হামে আক্রান্ত হচ্ছে। আর ‘কান নিয়েছে চিলে’— সেই কানের খোঁজ না করেই কিছু মূলধারার সংবাদমাধ্যম লিখেছে, মায়েরা শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না বলেই হামের
৬ দিন আগে
তৃণমূল নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোট ব্যাংক ছিল মূলত সংখ্যালঘু ও নারী ভোট। ফলাফলে দেখা গেছে, যে তৃণমূলের ৮০ জন জয়ী প্রার্থীর মধ্যে ৩২ জন মুসলিম, যা ঠিক ঠিক ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া অন্যান্য দলের আরও ছয়টি আসনে মুসলিম প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তাহলে কংগ্রেস, সিপিএম ও বিশেষত নওসাদ সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট
৬ দিন আগে
চলমান এই স্নায়ুযুদ্ধ যদি সত্যি সত্যি আগামী সপ্তাহে পূর্ণাঙ্গ সামরিক সংঘাতে রূপ নেয়, তবে তার মাশুল শুধু মধ্যপ্রাচ্যকে নয়, বরং পুরো বিশ্বকে দিতে হবে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আর পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই সংঘাত কূটনৈতিক টেবিলে সমাধান হবে, নাকি বিশ্বকে এক নতুন অর্থনৈতিক মন্দা ও তৃতীয়
৯ দিন আগে
ফারাক্কা বাঁধ চালুর ৫২ বছর পর আজ স্বয়ং ভারতীয় রাজনীতিবিদরা যখন এটি ভেঙে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন, তখন ফারাক্কা বাঁধ যে কতটা ক্ষতিকর প্রকল্প তা বুঝতে আর কারও বাকি থাকার কথা নয়। ভারতীয় রাজনীতিবিদদের এই দাবির প্রেক্ষিতে ফারাক্কা বাঁধের অপ্রয়োজনীয়তা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
১০ দিন আগে