বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন পাঁচ দফা দাবি করছে?

বিবিসি
আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৪, ১১: ১৪
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ শহীদ মিনারে পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করেন

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ, বাহাত্তরের সংবিধান বাতিলসহ মঙ্গলবার পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কোটা সংস্কার আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের যে জায়গা থেকে শেখ হাসিনার সরকার পতনের এক দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছিলো, সেখান থেকেই আবার 'আওয়ামী ফ্যাসিবাদকে' স্থায়ীভাবে নির্মূল করতে পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

মঙ্গলবার এ প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ঘোষণা করা হয়েছে অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহকে। গতকাল বুধবার (২৩ অক্টোবর) এসব দাবি নিয়ে আলোচনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সময় দিয়েছে বলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে জানিয়েছেন মি. আব্দুল্লাহ।

একইসাথে এ সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদকে স্থায়ীভাবে নির্মূল’ না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।

তবে সংগঠনটির এসব দাবি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, যে কেউ যে কোন দাবি জানাতে পারে। কিন্তু সেটা বাস্তবায়ন করতে হলে, সেসব দাবির পেছনে জনসমর্থন কতটা রয়েছে, সেটা বিবেচনা করতে হবে।

পাঁচ দফা দাবির বিষয়ে যা জানা যাচ্ছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন ঘোষিত আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ শহীদ মিনারে যেসব দাবি জানিয়েছেন সেগুলো হলো:

*বাহাত্তরের সংবিধানকে অনতিবিলম্বে বাতিল করে সেই জায়গায় চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের পক্ষ থেকে নতুন করে সংবিধান লেখা।

*এ সপ্তাহের মধ্যে ছাত্রলীগকে ‌‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা (বুধবার রাতে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে অন্তর্ববর্তী সরকার)

*রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে (চুপ্পু) এই সপ্তাহের মধ্যে পদচ্যুত করা।

*জুলাই বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থানের ‘স্পিরিটের আলোকে’ এই সপ্তাহের মধ্যে নতুন করে ‘প্রক্লেমেশান অব রিপাবলিক’ ঘোষণা এবং

*গত তিনটি নির্বাচন ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনকে অবৈধ ঘোষণা।

এসব নির্বাচনে যারা নির্বাচিত হয়েছিল তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা এবং নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে সেজন্য আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

এসব দাবি ঘোষণার সময় শহীদ মিনারে মি. আব্দুল্লাহ আরো বলেন, “ আমাদের বিপ্লব শেষ হয়ে যায় নি। আমরা পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনাকে উৎখাত করতে পারলেও এখন পর্যন্ত রাজনৈতিক বন্দোবস্ত করতে পারিনি”।

“বিগত ১৬ বছর বিএনপি, জামায়াত, শিবির, ছাত্রদলের নেতাদের নির্যাতিত হতে দেখেছি। যতদিন পর্যন্ত সুষ্ঠু ধারার রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে আমরা ভালো পরিবেশ করে দিতে না পারছি ততদিন পর্যন্ত আমাদের বিপ্লব শেষ হবে না,” বলেন মি. আব্দুল্লাহ।

একইসাথে আজ বুধবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সাথে এসব দাবি নিয়ে আলোচনার জন্য সময় দেয়া হয়েছে জানিয়ে ফেসবুকে মি. আব্দুল্লাহ লেখেন, “ আমরা প্রত্যাশা করি ছাত্র জনতার পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেবে ”।

বুধবার বিকেল পাঁচটায় উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্যের সাথে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ও ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধের বিষয়ে মূল আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন একজন সমন্বয়ক। এছাড়া বাকি তিনটি দাবির বিষয়েও আলোচনা হবে।

‘প্রক্লেমেশান অব রিপাবলিক’ কী?

শিক্ষার্থীদের চার নম্বর দাবিতে 'জুলাই বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটের আলোকে' চব্বিশ পরবর্তী বাংলাদেশ তৈরির জন্য এই সপ্তাহের মধ্যে নতুন করে' প্রক্লেমেশান অব রিপাবলিক' ঘোষণার কথা বলা হয়েছে।

এ সংগঠনের একজন অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ বিবিসি বাংলাকে জানান চব্বিশের বিপ্লবের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘প্রক্লেমেশন অব রিপাবলিক’ ঘোষণা চাওয়া হয়েছে।

মি. মাসুদ বলেন, “ আমাদের চব্বিশের যে বিপ্লবটা হয়েছে এ বিপ্লবের স্বীকৃতিটা আমরা চাচ্ছি। প্রক্লেমেশন অব রিপাবলিক চাচ্ছি। যেটার মাধ্যমে সংবিধানকে বাতিল করে পুরো কলাকানুনকে এ প্রক্লেমেশনের আন্ডারে নিয়ে আসা হবে”। এই প্রক্লেমেশনের উপরে ভিত্তি করেই চব্বিশ পরবর্তী দেশ পরিচালনা করা হবে বলে জানান মি. মাসুদ।

“সকল দল মত ধর্ম বর্ণের মানুষ সকল দলের প্রতিনিধিরা আওয়ামী লীগ ব্যতীত ফ্যাসিবাদী শাসক এবং তার অংশীদার ব্যতীত বাকি সকলে এখানে স্বাক্ষর করবে প্রক্লেমেশন অব রিপাবলিক। তারা পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসলে প্রক্লেমেশনের উপর ভিত্তি করেই মূলত দেশটাকে চালাবে, এরকম চাচ্ছি আমরা” বলেন মি. মাসুদ।

বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল দাবির বিষয়টিকে মি. মাসুদ ব্যাখ্যা করেন এভাবে যে, এর ফলে বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের ৫৪ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসন, সামরিক শাসকসহ নানা জটিলতা তৈরি হয়েছে।

এ সংবিধানকে 'ভাইরাস' উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ আমরা মনে করি এটাকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে একটা নতুন সংবিধান চব্বিশের ছাত্র – জনতা যেভাবে চাচ্ছে সকল স্টেকহোল্ডার,অংশীদারদের সাথে কথা বলে নতুন একটা সংবিধান রচনার কথা আমরা বলতেছি। যার ফলে কেউ ফ্যাসিস্ট বা অটোক্রেট হয়ে ওঠার সুযোগ পাবে না”।

‘প্রক্লেমেশন অব রিপাবলিক একটিই’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মহিউদ্দিন আহমেদ বলছেন পাঁচ দাবির মধ্যে চারটি দাবি নিয়ে এর আগে অনেক আলোচনা হয়েছে। অনেকেই এগুলো চান না। বাহাত্তরের সংবিধান নিয়েও অনেক আগেই প্রশ্ন উঠেছিলো।

" পাঁচ দাবির মধ্যে চারটা দাবি নিয়ে এর আগেই অনেক জন আলোচনা হয়েছে। সেখানে মোটামুটি বোঝা গেছে অনেকে এগুলো চান না। বাহাত্তরের সংবিধান নিয়ে তো অনেক আগেই প্রশ্ন উঠেছে। যারা বাহাত্তরের সংবিধান বানিয়েছিলেন তারাই এতোবার এটা কাঁটা-ছেঁড়া করেছেন যে এটার আর কিছু নাই" বলেন মি. আহমেদ।

কিন্তু ‘প্রক্লেমেশন অব রিপাবলিক’ দাবির বিষয়ে মি. আহমেদ বলেন বাংলাদেশের একটিই ‘প্রক্লেমেশন অব রিপাবলিক’।

“ আমরা জানি যে ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল একটা রিপাবলিক ঘোষণা করা হয়েছিল আমাদের। স্বাধীনতার ঘোষণা-পত্রে ছিল। প্রক্লেমেশন অব রিপাবলিক একটিই। সেই রিপাবলিকটি কর্তৃত্ববাদী শাসকের কারণে গত পাঁচ দশকে ফাংশন করেনি ভালোভাবে। তবে এর দায় শাসকদের” বলেন মি. আহমেদ।

‘রিসেট বাটন’ প্রসঙ্গের কথা উল্লেখ করে মি. আহমেদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে সমালোচনা পরবর্তী সময়ে ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে যে ১৯৭১ সালকে অস্বীকার করা হয় নি।

মি. আহমেদ বলেন, “সুতরাং মুক্তিযুদ্ধ যদি থাকে তাহলে তো ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রও থাকে। সেটা বাহাত্তরের সংবিধানেরও আগে। সেটার ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধ ও হয়েছিল, একটা সরকারও হয়েছিল ওই সময়। সুতরাং সেখানে একটা রিপাবলিক ঘোষণা হয়েছিল। পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ বলা হয়েছিল”।

“এখন হঠাৎ আরেকটা রিপাবলিক ঘোষণা করতে হলে তো, রাষ্ট্রের গোড়া ধরে টান দিলে তো বিস্তারিত তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা থাকতে হবে” বলে জানান মি. আহমেদ।

গণঅভ্যুত্থানে যে সরকার গঠিত হয়েছে, তাতে এই সংগঠনের নেতারাই রয়েছে, ফলে তারাই ‘প্রেশার গ্রুপ’ হিসেবে কাজ করলে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মনে করেন মি. আহমেদ।

‘প্রক্লেমেশন অব রিপাবলিক’ দাবির মাধ্যমে বিপ্লবের স্বীকৃতি কেন তাদের লাগবে প্রশ্ন তুলে মি. আহমেদ বলেন, “তারা বিপ্লবের স্বীকৃতি চায় কেন? তারা যদি বিপ্লব করে থাকে তারাই তো বিপ্লবী সরকার। কে কাকে স্বীকৃতি দিবে? তারাই তো সরকারে রয়েছে”।

তাদের দাবি অনুযায়ী পাঁচই অগাস্টকে ‘বিপ্লব দিবস’ পালন করলেই চলে বলে মন্তব্য করেন মি. আহমেদ। আহমেদ মনে করেন, বর্তমান সংবিধানের অধীনে শপথ নিয়ে সরকারে আন্দোলনকারীদের কয়েকজনও রয়েছে। ফলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাশেদা রওনক খান প্রক্লেমেশনের দাবি প্রসঙ্গে বলেন, “ ছাত্রদল বা ছাত্রশিবির কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনভাবে দলীয় সিদ্ধান্তে এই ধরনের দাবি প্রকাশ করেনি। ছাত্র রাজনৈতিক দলগুলোও তো সার্বজনীন হলে যুক্ত হবে”।

“প্রক্লেমেশন যখন করবেন, তখন তো সেটি সার্বজনীন হতে হবে। অন্যান্য রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলো এখনো পর্যন্ত পাবলিকলি এই দাবিগুলোর সাথে একমত হয়েছে কীনা সেটাও একটা বিবেচনায় রাখতে হবে” বলে মনে করেন মিজ খান।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নামের প্ল্যাটফর্মটির ভেতরেই এখন মতাদর্শগত পার্থক্য স্পষ্ট থাকায় এটি শুধু একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর দাবি দাওয়া বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষক জোবায়দা নাসরীন এবং রাশেদা রওনক খান। তারা বলছেন দাবি সার্বজনীন হতে হলে সেখানে সব শ্রেণি-পেশার, সাধারণ মানুষের সমর্থন থাকতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাশেদা রওনক খান বিবিসি বাংলাকে বলেন, “ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্ল্যাটফর্মের মধ্যে যে মতাদর্শগত পার্থক্য রয়েছে সেগুলো খুব দৃশ্যমান। এই দৃশ্যমান মতাদর্শগত পার্থক্য কাটিয়ে তারা একটা প্ল্যাটফর্মে এসে কথাগুলো বলছেন নাকি মতাদর্শগত পার্থক্যের জায়গাটা এখনো রয়ে গেছে, তা পরিষ্কার নয়”।

“কারণ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে তারাই একমত না সবাই, ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বক্তব্য দিচ্ছেন। অন্যান্য যে আরো চারটা দাবির ক্ষেত্রেও তাইই হবে। অতএব সামগ্রিকভাবে আসলে এই দাবিটা কতটা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সেই পাটাতন থেকে করা হচ্ছে?” প্রশ্ন তোলেন মিজ খান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকজন অধ্যাপক জোবায়দা নাসরীন মনে করছেন, জনসমর্থন ছাড়া শুধুমাত্র চাপ প্রয়োগ করে কোন দাবি বাস্তবায়ন করা যায় না।

বিবিসি বাংলাকে মিজ নাসরীন বলেন, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটা মব তৈরি করে পদত্যাগ চাওয়া বা এটাই করতে হবে এরকম চাওয়া আমি মনে করি এটা একভাবে বিপ্লবের স্পিরিটকে খারিজ করে। কারণ বিপ্লবের স্পিরিটের মূল জায়গাই কিন্তু জনগণের শক্তি”।

“ফলে যে দাবীই তারা করুক তা বাস্তবায়ন করতে হলে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মত বা জনসমর্থন অবশ্যই দরকার হবে” বলেন মিজ নাসরীন।

ad
ad

মতামত থেকে আরও পড়ুন

নতুন সরকারের চ্যালেঞ্জিং বাজেট

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সরকার ৫ লাখ কর্মসংস্থান, ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি, ৭ শতাংশ মূল্যস্ফীতি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, জ্ঞানভিত্তিক সৃজনশীল অর্থনীতির পথে এগিয়ে যেতে চায়। দুর্নীতি ও অপচয় পরিহার, শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও এনবিআরের সম্পদ সংগ্রহে গতি সঞ্চারের মাধ্য

৭ দিন আগে

হাম বিতর্কে মায়ের ওপর দায় চাপানো বন্ধ করুন

কিছুসংখ‍্যক মানুষ গত কয়েকদিন ধরে এই কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলেছেন যে, মায়েরা তাদের শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না, তাই হামের সংক্রমণ বাড়ছে! শিশুরা হামে আক্রান্ত হচ্ছে। আর ‘কান নিয়েছে চিলে’— সেই কানের খোঁজ না করেই কিছু মূলধারার সংবাদমাধ্যম লিখেছে, মায়েরা শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না বলেই হামের

৮ দিন আগে

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলকে হটিয়ে বিজেপি— নির্বাচনি ফলাফলের কাটাছেঁড়া

তৃণমূল নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোট ব্যাংক ছিল মূলত সংখ্যালঘু ও নারী ভোট। ফলাফলে দেখা গেছে, যে তৃণমূলের ৮০ জন জয়ী প্রার্থীর মধ্যে ৩২ জন মুসলিম, যা ঠিক ঠিক ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া অন্যান্য দলের আরও ছয়টি আসনে মুসলিম প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তাহলে কংগ্রেস, সিপিএম ও বিশেষত নওসাদ সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট

৯ দিন আগে

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বেজে উঠেছে পুরোদস্তুর এক মহাযুদ্ধের দামামা

চলমান এই স্নায়ুযুদ্ধ যদি সত্যি সত্যি আগামী সপ্তাহে পূর্ণাঙ্গ সামরিক সংঘাতে রূপ নেয়, তবে তার মাশুল শুধু মধ্যপ্রাচ্যকে নয়, বরং পুরো বিশ্বকে দিতে হবে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আর পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই সংঘাত কূটনৈতিক টেবিলে সমাধান হবে, নাকি বিশ্বকে এক নতুন অর্থনৈতিক মন্দা ও তৃতীয়

১১ দিন আগে