
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইরান। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার (৯ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হবে, যা এগোবে ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফার ভিত্তিতে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিটি এমন সময় এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে “সভ্যতা ধ্বংস” করার হুমকি থেকে সরে এসে দুই সপ্তাহের জন্য হামলা “স্থগিত” রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধবিরতি নির্ভর করছে ইরানের ওপর, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি “সম্পূর্ণ, তাৎক্ষণিক ও নিরাপদভাবে” খুলে দেওয়ার বিষয়ে সম্মতির ওপর। উপসাগরকে আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করা এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান কার্যত এ প্রণালি অবরুদ্ধ করে। এতে বৈশ্বিকভাবে তেলের দাম বেড়ে যায় এবং বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়।
ইরানের পালটা হামলার প্রভাবও উপসাগর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি আছে, সেসব দেশে হামলা চালাতে শুরু করে ইরান। লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুতিরা একপর্যায়ে ইরানকে সমর্থন জানিয়ে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায়। ইসরায়েলও এ দুই দেশের ওপর হামলা করে। ফলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে তাদের সামরিক লক্ষ্য “অর্জন ও অতিক্রম” করেছে এবং ইরানের সঙ্গে “দীর্ঘমেয়াদি শান্তি” নিয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তিনি বলেন, ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাব আলোচনার জন্য “কার্যকর ভিত্তি” ও বেশির ভাগ মতবিরোধের জায়গায় দুপক্ষ প্রায় একমত হয়েছে। এই দুই সপ্তাহের সময়সীমার মধ্যেই চুক্তি চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ হলে আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীও প্রতিরক্ষামূলক অভিযান বন্ধ করবে।”
তিনি জানান, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়ে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা হবে। ট্রাম্প ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের মূল কাঠামো মেনে নেওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্ততাকারী হিসেবে ভূমিকা রেখেছে পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, উভয় পক্ষ “তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি”তে সম্মত হয়েছে, যা লেবাননসহ অন্যান্য এলাকাতেও কার্যকর হবে। তিনি উভয় দেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে তাদের প্রতিনিধিদলকে আলোচনায় যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, তাদের ১০ দফা প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রাধান্য ও তদারকি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে, যা দেশটিকে বিশেষ অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক সুবিধা দেবে।
এ ছাড়া প্রস্তাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সব যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট বাহিনী প্রত্যাহার, মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধ, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, এবং যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ইরান।
বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করা এবং যেকোনো চূড়ান্ত চুক্তিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বাধ্যতামূলক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদনের কথাও ইরানের শর্তাবলির মধ্যে উল্লেখ রয়েছে।
তবে তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, আলোচনায় বসতে সম্মত হলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাদের “পূর্ণ অবিশ্বাস” রয়েছে। তারা দুই সপ্তাহ সময় দেবে এবং প্রয়োজন হলে পারস্পরিক সম্মতিতে এই সময় বাড়ানো যেতে পারে।
একই সঙ্গে ইরানের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, “শত্রুপক্ষের সামান্যতম ভুলের জবাব পূর্ণ শক্তিতে দেওয়া হবে।”
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আপাতত সম্মত হলেও ইসরায়েল এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও দেশটি ইরান ও লেবাননে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, লেবানন এই যুদ্ধবিরতির আওতায় থাকবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইরান। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার (৯ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হবে, যা এগোবে ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফার ভিত্তিতে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিটি এমন সময় এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে “সভ্যতা ধ্বংস” করার হুমকি থেকে সরে এসে দুই সপ্তাহের জন্য হামলা “স্থগিত” রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধবিরতি নির্ভর করছে ইরানের ওপর, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি “সম্পূর্ণ, তাৎক্ষণিক ও নিরাপদভাবে” খুলে দেওয়ার বিষয়ে সম্মতির ওপর। উপসাগরকে আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করা এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান কার্যত এ প্রণালি অবরুদ্ধ করে। এতে বৈশ্বিকভাবে তেলের দাম বেড়ে যায় এবং বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়।
ইরানের পালটা হামলার প্রভাবও উপসাগর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি আছে, সেসব দেশে হামলা চালাতে শুরু করে ইরান। লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুতিরা একপর্যায়ে ইরানকে সমর্থন জানিয়ে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায়। ইসরায়েলও এ দুই দেশের ওপর হামলা করে। ফলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে তাদের সামরিক লক্ষ্য “অর্জন ও অতিক্রম” করেছে এবং ইরানের সঙ্গে “দীর্ঘমেয়াদি শান্তি” নিয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তিনি বলেন, ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাব আলোচনার জন্য “কার্যকর ভিত্তি” ও বেশির ভাগ মতবিরোধের জায়গায় দুপক্ষ প্রায় একমত হয়েছে। এই দুই সপ্তাহের সময়সীমার মধ্যেই চুক্তি চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ হলে আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীও প্রতিরক্ষামূলক অভিযান বন্ধ করবে।”
তিনি জানান, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়ে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা হবে। ট্রাম্প ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের মূল কাঠামো মেনে নেওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্ততাকারী হিসেবে ভূমিকা রেখেছে পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, উভয় পক্ষ “তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি”তে সম্মত হয়েছে, যা লেবাননসহ অন্যান্য এলাকাতেও কার্যকর হবে। তিনি উভয় দেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে তাদের প্রতিনিধিদলকে আলোচনায় যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, তাদের ১০ দফা প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রাধান্য ও তদারকি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে, যা দেশটিকে বিশেষ অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক সুবিধা দেবে।
এ ছাড়া প্রস্তাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সব যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট বাহিনী প্রত্যাহার, মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধ, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, এবং যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ইরান।
বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করা এবং যেকোনো চূড়ান্ত চুক্তিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বাধ্যতামূলক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদনের কথাও ইরানের শর্তাবলির মধ্যে উল্লেখ রয়েছে।
তবে তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, আলোচনায় বসতে সম্মত হলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাদের “পূর্ণ অবিশ্বাস” রয়েছে। তারা দুই সপ্তাহ সময় দেবে এবং প্রয়োজন হলে পারস্পরিক সম্মতিতে এই সময় বাড়ানো যেতে পারে।
একই সঙ্গে ইরানের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, “শত্রুপক্ষের সামান্যতম ভুলের জবাব পূর্ণ শক্তিতে দেওয়া হবে।”
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আপাতত সম্মত হলেও ইসরায়েল এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও দেশটি ইরান ও লেবাননে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, লেবানন এই যুদ্ধবিরতির আওতায় থাকবে না।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা স্বস্তির ও নিরাপদ করতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা, সেতু ও যানজটপ্রবণ এলাকায় ২৩টি টিম মোতায়েন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
১৮ ঘণ্টা আগে
দেশকে বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২০ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫৫ জনে।
২০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সব থেকে স্বাধীন বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন বলেই ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) নেতারা গ্রেপ্তারের পরদিনই জামিন পেয়েছেন।
১ দিন আগে