
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সারা দেশে এলপিজি বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রমে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে বৈঠকের পর সমিতি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে বিইআরসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের পর বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ ও সমিতির সভাপতি মো. সেলিম খান এ সিদ্ধান্তের কথা গণমাধ্যমকে জানান।
এর আগে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধর্মঘট পালন করেন এলপি ব্যবসায়ীরা। এ দিন সারা দেশে এলপি গ্যাসের বিক্রি বন্ধ রাখেন তারা। তবে এর মধ্যেও কোনো কোনো জেলায় খুচরা পর্যায়ে এলপি গ্যাস বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে, তার জন্য বেশি টাকা গুনতে হয়েছে ক্রেতাদের।
বৈঠকে ব্যবসায়ীরা তিনটি দাবি উত্থাপন করেন— সারা দেশে চলমান প্রশাসনিক অভিযান বন্ধ করতে হবে, বিতরণ ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়াতে হবে, এবং এলপিজির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতে হবে।
বৈঠকে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে বলেন, এলপি গ্যাসের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ানোর দাবির বিষয়ে আমরাও একমত। বিইআরসি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রশাসনিক অভিযান নিয়ে আলোচনা করবে এবং সংশোধনে আইনি ব্যবস্থা নেবে।
জাহাজ সংকটের মধ্যে এলপিজি আমদানির জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, আশা করা যায় আগামী সপ্তাহের মধ্যে সরবরাহ সংকট কিছুটা কমে আসবে।
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম খান বলেন, ব্যবসায়ীরা অপারেটরদের কাছ থেকে ১২ কেজির সিলিন্ডার এক হাজার ৩০০ টাকার বেশি দামে কিনছেন। ফলে এক হাজার ৫০০ টাকার কমে এলপিজি বিক্রি করা সম্ভব নয়।
এর জবাবে বিইআরসির চেয়ারম্যান বলেন, জানুয়ারির জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপিজির দাম কমিশন নির্ধারিত এক হাজার ৩০৬ টাকার বেশি দরে বিক্রির কোনো যৌক্তিকতা নেই।
এ ধর্মঘট ডাকার আগেই সরবরাহ কমে যাওয়াকে কারণ দেখিয়ে গত কয়েকদিন ধরে এলপি গ্যাসের সংকট চলছিল। অনেক স্থানেই সরকারনির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এই গ্যাস বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এলপি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট গোটা পরিস্থিতিতে নাজুক করে তোলে।
ধর্মঘট ডাকার পর অবশ্য সরকার বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয়। এলপি ব্যবসায়ীদের বৈঠকে ডাকে কমিশন, যেখান থেকে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা এলো। অন্যদিকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এরই মধ্যে এনবিআরকে চিঠি দিয়েছে, যেখানে এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট ১০ শতাংশ নির্ধারণ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ঋণ ও ঋণপত্র সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককেও চিঠি দিয়েছে একই বিভাগ।

সারা দেশে এলপিজি বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রমে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে বৈঠকের পর সমিতি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে বিইআরসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের পর বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ ও সমিতির সভাপতি মো. সেলিম খান এ সিদ্ধান্তের কথা গণমাধ্যমকে জানান।
এর আগে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধর্মঘট পালন করেন এলপি ব্যবসায়ীরা। এ দিন সারা দেশে এলপি গ্যাসের বিক্রি বন্ধ রাখেন তারা। তবে এর মধ্যেও কোনো কোনো জেলায় খুচরা পর্যায়ে এলপি গ্যাস বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে, তার জন্য বেশি টাকা গুনতে হয়েছে ক্রেতাদের।
বৈঠকে ব্যবসায়ীরা তিনটি দাবি উত্থাপন করেন— সারা দেশে চলমান প্রশাসনিক অভিযান বন্ধ করতে হবে, বিতরণ ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়াতে হবে, এবং এলপিজির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতে হবে।
বৈঠকে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে বলেন, এলপি গ্যাসের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ানোর দাবির বিষয়ে আমরাও একমত। বিইআরসি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রশাসনিক অভিযান নিয়ে আলোচনা করবে এবং সংশোধনে আইনি ব্যবস্থা নেবে।
জাহাজ সংকটের মধ্যে এলপিজি আমদানির জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, আশা করা যায় আগামী সপ্তাহের মধ্যে সরবরাহ সংকট কিছুটা কমে আসবে।
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম খান বলেন, ব্যবসায়ীরা অপারেটরদের কাছ থেকে ১২ কেজির সিলিন্ডার এক হাজার ৩০০ টাকার বেশি দামে কিনছেন। ফলে এক হাজার ৫০০ টাকার কমে এলপিজি বিক্রি করা সম্ভব নয়।
এর জবাবে বিইআরসির চেয়ারম্যান বলেন, জানুয়ারির জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপিজির দাম কমিশন নির্ধারিত এক হাজার ৩০৬ টাকার বেশি দরে বিক্রির কোনো যৌক্তিকতা নেই।
এ ধর্মঘট ডাকার আগেই সরবরাহ কমে যাওয়াকে কারণ দেখিয়ে গত কয়েকদিন ধরে এলপি গ্যাসের সংকট চলছিল। অনেক স্থানেই সরকারনির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এই গ্যাস বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এলপি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট গোটা পরিস্থিতিতে নাজুক করে তোলে।
ধর্মঘট ডাকার পর অবশ্য সরকার বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয়। এলপি ব্যবসায়ীদের বৈঠকে ডাকে কমিশন, যেখান থেকে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা এলো। অন্যদিকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এরই মধ্যে এনবিআরকে চিঠি দিয়েছে, যেখানে এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট ১০ শতাংশ নির্ধারণ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ঋণ ও ঋণপত্র সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককেও চিঠি দিয়েছে একই বিভাগ।

এই অধ্যাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৬ নামে অভিহিত হবে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য হারে আমদানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বড় পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে হিমালয় পাদদেশের পঞ্চগড় জেলার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে ভোটের কোনো কার্যক্রম না করা হয়। সে কারণেএই দুই আসনে ভোটের কার্যক্রম আপাতত বন্ধ করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে