
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চলতি বছরের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে নিহত পুলিশ সদস্যদের তালিকা শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে পুলিশ সদর দপ্তর তালিকাটি প্রকাশ করে।
তালিকায় ৪৪ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছে। তালিকায় নিহতদের নাম, পদের নাম, মৃত্যুর তারিখ, সংযুক্ত ইউনিটের নাম এবং ঘটনাস্থল উল্লেখ করা হয়েছে।
তালিকা প্রকাশ করে সদর দপ্তর থেকে বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ করেছি যে কিছু নিউজ আউটলেট এবং কিছু ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে হওয়া গণ-অভ্যুত্থানে নিহত পুলিশ সদস্যদের সংখ্যা সম্পর্কে মিথ্যা এবং ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন। তাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রকৃত তালিকা প্রকাশ করা হলো।’
পুলিশ সদর দপ্তর আরো জানায়, পুলিশ বিভাগ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যেসব অফিসার বা কনস্টেবল প্রতিবাদ বা সহিংসতার ঘটনায় আহত বা নিহত হয় তাদের তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ করে। যদি কেউ দাবি করেন, গণ-অভ্যুত্থানে এই তালিকার বাইরেও পুলিশ নিহতের ঘটনা ঘটেছে সে ক্ষেত্রে প্রমাণ সরবরাহের জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।

চলতি বছরের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে নিহত পুলিশ সদস্যদের তালিকা শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে পুলিশ সদর দপ্তর তালিকাটি প্রকাশ করে।
তালিকায় ৪৪ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছে। তালিকায় নিহতদের নাম, পদের নাম, মৃত্যুর তারিখ, সংযুক্ত ইউনিটের নাম এবং ঘটনাস্থল উল্লেখ করা হয়েছে।
তালিকা প্রকাশ করে সদর দপ্তর থেকে বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ করেছি যে কিছু নিউজ আউটলেট এবং কিছু ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে হওয়া গণ-অভ্যুত্থানে নিহত পুলিশ সদস্যদের সংখ্যা সম্পর্কে মিথ্যা এবং ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন। তাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রকৃত তালিকা প্রকাশ করা হলো।’
পুলিশ সদর দপ্তর আরো জানায়, পুলিশ বিভাগ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যেসব অফিসার বা কনস্টেবল প্রতিবাদ বা সহিংসতার ঘটনায় আহত বা নিহত হয় তাদের তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ করে। যদি কেউ দাবি করেন, গণ-অভ্যুত্থানে এই তালিকার বাইরেও পুলিশ নিহতের ঘটনা ঘটেছে সে ক্ষেত্রে প্রমাণ সরবরাহের জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হোসেন হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
২ ঘণ্টা আগে
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। চার আইনজীবীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসীন আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকসুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তাঁর পরিবারকে বলে গেছেন। এর মধ্যে রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইল ফোনে বাদীকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ।
৩ ঘণ্টা আগে
গ্রেপ্তারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকার এ তথ্য জানিয়েছেন। সোমবার দুপুর ২টা ২২ মিনিটে আসামিদের আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে