
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দুই মাস আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হলেও তার সংসদ সদস্য পদ নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, এ বিষয়ে জাতীয় সংসদ থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা ও গ্রেপ্তারের পর গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে প্রশ্নটি আবার সামনে এসেছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ বিষয়ে কমিশনের অবস্থান জানান। তিনি বলেন, “এ বিষয়ে এখনো সংসদ থেকে কোনো চিঠি আসেনি। চিঠি আসলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এর আগে জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানিয়ে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিল। তবে ইসি সচিব বলেন, শুধু দলের পক্ষ থেকে চিঠি পাওয়ার ভিত্তিতে সংসদ সদস্য পদ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। সংসদ সচিবালয় থেকে বিষয়টি জানানোর বিধান রয়েছে।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আখতার আহমেদ বলেন, “জামায়াতে ইসলামী এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছিল; কিন্তু আইন অনুযায়ী সংসদ থেকে কোনো চিঠি না এলে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ ইসির নাই।
“সংসদ সচিবালয় থেকে আমাদের জানানোর বিধান রয়েছে। এখনও চিঠি আসে নি, অপেক্ষা করতে হবে।”
ইসি সচিব আরও বলেন, সংসদ নির্বাচন ও গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। এরপর শপথ ও সংসদ সদস্য পদসংক্রান্ত বিষয় সংসদের এখতিয়ার।
এর আগে ২৩ জুলাই জামায়াতের চিঠি পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছিলেন, দল থেকে বহিষ্কার করলেই সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয় না। তবে সংসদ থেকে বিষয়টি ইসির কাছে পাঠানো হলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুলাইয়ে এক নারীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে। প্রথমে জামায়াতের নেতাকর্মীদের কেউ কেউ ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেন। পরে নজরুল ইসলাম নিজেই ফেসবুক পোস্টে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বলে দাবি করেন। এরপর সাংগঠনিক তদন্তে ‘নৈতিক স্খলন’ প্রমাণিত হওয়ার কথা জানিয়ে ২২ জুলাই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াত।
এদিকে রোববার সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
পরে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। ওই মামলায় সোমবার নজরুল ইসলামকে চার দিনের এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমকে এক দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দুই মাস আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হলেও তার সংসদ সদস্য পদ নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, এ বিষয়ে জাতীয় সংসদ থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা ও গ্রেপ্তারের পর গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে প্রশ্নটি আবার সামনে এসেছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ বিষয়ে কমিশনের অবস্থান জানান। তিনি বলেন, “এ বিষয়ে এখনো সংসদ থেকে কোনো চিঠি আসেনি। চিঠি আসলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এর আগে জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানিয়ে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিল। তবে ইসি সচিব বলেন, শুধু দলের পক্ষ থেকে চিঠি পাওয়ার ভিত্তিতে সংসদ সদস্য পদ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। সংসদ সচিবালয় থেকে বিষয়টি জানানোর বিধান রয়েছে।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আখতার আহমেদ বলেন, “জামায়াতে ইসলামী এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছিল; কিন্তু আইন অনুযায়ী সংসদ থেকে কোনো চিঠি না এলে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ ইসির নাই।
“সংসদ সচিবালয় থেকে আমাদের জানানোর বিধান রয়েছে। এখনও চিঠি আসে নি, অপেক্ষা করতে হবে।”
ইসি সচিব আরও বলেন, সংসদ নির্বাচন ও গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। এরপর শপথ ও সংসদ সদস্য পদসংক্রান্ত বিষয় সংসদের এখতিয়ার।
এর আগে ২৩ জুলাই জামায়াতের চিঠি পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছিলেন, দল থেকে বহিষ্কার করলেই সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয় না। তবে সংসদ থেকে বিষয়টি ইসির কাছে পাঠানো হলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুলাইয়ে এক নারীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে। প্রথমে জামায়াতের নেতাকর্মীদের কেউ কেউ ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেন। পরে নজরুল ইসলাম নিজেই ফেসবুক পোস্টে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বলে দাবি করেন। এরপর সাংগঠনিক তদন্তে ‘নৈতিক স্খলন’ প্রমাণিত হওয়ার কথা জানিয়ে ২২ জুলাই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াত।
এদিকে রোববার সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
পরে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। ওই মামলায় সোমবার নজরুল ইসলামকে চার দিনের এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমকে এক দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

এজাহারে বলা হয়, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকসুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তাঁর পরিবারকে বলে গেছেন। এর মধ্যে রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইল ফোনে বাদীকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ।
২ ঘণ্টা আগে
গ্রেপ্তারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকার এ তথ্য জানিয়েছেন। সোমবার দুপুর ২টা ২২ মিনিটে আসামিদের আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমতির দিকে থাকলেও দেশে মধ্যরাতে তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম বলেন, সংসদ সদস্য হওয়ায় গাজী নজরুলকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে কিছু আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। সেসব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে